মঙ্গলবার, ২৪ নভেম্বর ২০২০, ১০:০৮ পূর্বাহ্ন

বাক-প্রতিবন্ধী কিশোরীকে ধর্ষণের মিথ্যা মামলার কথা স্বীকার করায় বাদীকে ৫ বছরের কারাদণ্ড

সুলতান মাহমুদ, জয়পুরহাট
  • আপডেট টাইম: ২৮ সেপ্টেম্বর, ২০২০
  • ১৩৯ বার পঠিত

জয়পুরহাটে কিশোরী ধর্ষণের মিথ্যা মামলা দায়ের করায় কিশোরীর বাবা ও বাদী মোরশেদুল সরকার (৩৩) কে পাঁচ বছরের কারাদণ্ড দিয়েছেন আদালত। সোমবার দুপুরের পর জয়পুরহাটের নারী ও শিশু নির্যাতন দমন ট্রাইব্যুনালের বিচারক মোঃ রুস্তম আলী এ রায় দেন। দণ্ডপ্রাপ্ত মোরশেদুল সরকার কালাই উপজেলার ভূগোইল গ্রামের খয়রাত জামানের ছেলে।

মামলা সূত্রে জানা যায়, ২০১৯ সালের ৪ এপ্রিল বাকপ্রতিবন্ধী কিশোরী (১৫) কে ধর্ষণের অভিযোগে ওই কিশোরীর বাবা মোরশেদুল সরকার বাদী হয়ে একই গ্রামের মকবুল হোসেনের ছেলে মেহেদী হাসান (৩৪) বিরুদ্ধে কালাই থানায় মামলা দায়ের করেছেন। এক মাস পর ওই বছরের ৩১ মে পুলিশ আদালতে এ মামলার মেহেদী হাসানকে অভিযুক্তকে অভিযোগপত্র জমা দেয়।

সোমবারে আদালতে সাক্ষীদের চার্জ হিয়ারিংয়ের সময় একপর্যায়ে জানান, মামলার আসামি মেহেদী হাসানের সঙ্গে মোরশেদুলের জমিজমা সংক্রান্ত বিরোধে এ মামলা দায়ের করেছেন এবং আদালতকে না জানিয়ে মামলা আপোস করেছেন এবং আপোস নামা দাখিল করেছেন। এ অবস্থায় মেহেদী হাসান ও তার পরিবারকে শাস্তি দিতে বাদীর বাকপ্রতিবন্ধী কিশোরী ধর্ষণের অভিযোগে মিথ্যা মামলা করেন।

বিষয়টি আদালতে প্রমাণিত হওয়ায় ধর্ষণের মিথ্যা মামলা করায় মোরশেদুলকে পাঁচ বছরের কারাদণ্ড দেন বিচারক। একই সঙ্গে মেহেদী হাসানকে মামলা থেকে অব্যাহতির আদেশ দেন জেলা নারী ও শিশু নির্যাতন দমন ট্রাইব্যুনালের বিচারক।

জয়পুরহাট নারী ও শিশু দমন ট্রাইব্যুনালের পিপি এ্যাডঃ ফিরোজা চৌধুরী বলেন, ধর্ষণের অভিযোগে এই মামলা করা করেছিল। আদালত ও আমাকে না জানিয়ে আপোস করেছেন। কিন্তু ধর্ষণের মামলা তারা এভাবে আপোস করতে পারেনা। মামলার আসামি মেহেদী হাসানের সঙ্গে মোরশেদুলের জমিজমা সংক্রান্ত বিরোধ রয়েছে। এজন্য বাকপ্রতিবন্ধী কিশোরী ধর্ষণের অভিযোগে মিথ্যা মামলা করেছে। বাদী মোরশেদুল আদালতে মিথ্যা মামলার বিষয়টি স্বীকার করায় তাকে পাঁচ বছরের কারাদণ্ড দেন বিচারক।

নিউজটি শেয়ার করুন


এই ক্যাটাগরীর আরো খবর..

মাননীয় প্রধানমন্ত্রীর পরামর্শ