মঙ্গলবার, ২০ অক্টোবর ২০২০, ০৪:০৭ পূর্বাহ্ন

কিশোরগঞ্জে একটি ব্রিজের অভাবে ৪৯ বছর ধরে হাজারও মানুষের দুর্ভোগ

রউফুল আলম
  • আপডেট টাইম: ১৭ অক্টোবর, ২০২০
  • ৪০ বার পঠিত

কিশোরগঞ্জে একটি ব্রিজের অভাবে ৪৯ বছর ধরে হাজারও মানুষের দুর্ভোগ

মোঃআদর আলী, কিশোরগঞ্জ (নীলফামারী) প্রতিনিধিঃ

 

নীলফামারীর কিশোরগঞ্জে দু’পাড়ের মানুষদের ভাগ্যে একটা বাঁশের সাঁকোও জোটেনি। ব্রিজ তো নেই এমনকি বাঁশের সাঁকোও নেই। একারণে দুপাড়ের মানুষদের ভোগান্তির যেন শেষ নেই। সরেজমিনে গিয়ে দেখা গেছে, ব্রিজ তো নেই, এমনকি বাঁশের সাঁকো না থাকায় দু’পাড়ের মানুষেরা এপার থেকে ওপার এবং ওপাড় থেকে এপাড় যাওয়ার যোগাযোগ প্রায় বিছিন্ন হয়ে পড়েছে।এলাকাবাসী সূত্রে জানা যায়,উপজেলার বাহাগিলী ইউনিয়নের মাঝামাঝি চারাল কাটা নদী প্রবাহিত হওয়ায় দুপাড়ের মুল যোগাযোগ পয়েন্টের জরিয়ালের ঘাটে ব্রিজ না থাকায় ভোগান্তিতে প্রায় ৫ হাজার মানুষ। উত্তর দুরাকুটি ও দক্ষিণ দুরাকুটি এলাকার মানুষরা একে অপরের সাথে যোগাযোগ ব্যবস্থা না থাকায় নানা সমস্যায় জর্জরিত। দুপাড়ের ৯ টি ওয়ার্ডের প্রায় ৫ হাজার মানুষ দুর্ভোগে জীবন যাপন করে আচ্ছেন। বিশেষ করে ৬ টি ওয়ার্ডের দক্ষিণ দুরাকুটি ঘোপাপাড়া, ময়নাকুড়ি, নয়ানখাল, দোলাপাড়া, উত্তর বাহাগিলী ডাঙ্গা পাড়া, শাহপাড়া, বৌদ্ধপাড়া, উত্তরপাড়া, খাতামুধুপুর ইউনিয়নের কিছু অংশ এবং নিতাই ইউনিয়নের কিছু অংশসহ প্রায় ১০ হাজার লোক ব্রিজ না থাকায় ভোগান্তি পোহাতে হচ্ছে।

বিকল্প হিসেবে দক্ষিণ পাড়ের মানুষ কিশোরগঞ্জ না গিয়ে প্বাশবতী রংপুরের তারাগঞ্জ উপজেলায় নিয়মিত যাতায়াত করে আচ্ছেন। দক্ষিণ পাড়ের ময়নাকুড়ির একাধিক ব্যক্তি বলেন,কিশোরগঞ্জ আমাদের উপজেলা হলেও যাতায়াতের ব্যবস্থা না থাকায় জরুরী প্রয়োজন ছাড়া কখনো তেমন একটা যাইনা।কিশোরগঞ্জ যেতে হলে কালুরঘাট ব্রিজ হয়ে প্রায় দশ মাইল ঘুরে যাওয়া লাগে। কিন্তু আমাদের জরিয়ালের ঘাটে ব্রিজ থাকলে সহজে আমরা যেতে পারতাম। এজন্য যোগাযোগ ব্যবস্থা না থাকায় আমরা নিয়মিত তারাগঞ্জে যাতায়াত করে থাকি। তারা আরো বলেন, শ্যাকলাইন এমপির আমল থেকে জরিয়ালের ঘাটে ব্রিজ হওয়ার কথা শুনে আচ্ছি। কিন্তু আজ অবধি দেখলাম না জরিয়ালের ঘাটে ব্রিজ হয়েছে।এবিষয়ে বাহাগিলী ইউনিয়নের চেয়ারম্যান আতাউল রহমান শাহ দুলুর সাথে কথা হলে তিনি জানান, আমরা উর্ধতন কতৃপক্ষকে অনেক বার জানিয়ে ছি কিন্তু কোনো কাজ হচ্ছে না।
এব্যাপারে কিশোরগঞ্জ উপজেলা প্রকৌশলী মো.মজিদুল ইসলাম জানান, আমরা আপ্রাণ চেষ্টা করে যাচ্ছি বরাদ্দ এলে কাজ শুরু করা হবে।

নিউজটি শেয়ার করুন


এই ক্যাটাগরীর আরো খবর..

মাননীয় প্রধানমন্ত্রীর পরামর্শ