মঙ্গলবার, ২০ অক্টোবর ২০২০, ০৩:২৮ পূর্বাহ্ন

তারাগঞ্জ উপজেলায় এক মানসিক রোগীকে গাছে বেঁধে নির্যাতনের অভিযোগ বিষয়টি মিমাংসার জন্য ইউপি সদস্যর চাপ

রউফুল আলম
  • আপডেট টাইম: ১৭ অক্টোবর, ২০২০
  • ৪২ বার পঠিত

তারাগঞ্জ উপজেলায় এক মানসিক রোগীকে গাছে বেঁধে নির্যাতনের অভিযোগ বিষয়টি মিমাংসার জন্য ইউপি সদস্যর চাপ

 

তারাগঞ্জ প্রতিনিধিঃ 

রংপুরের তারাগঞ্জ উপজেলার সয়ার ইউনিয়নের এক মানষিক রোগীকে গাছে বেঁধে নির্যাতনের অভিযোগ পাওয়া গেছে। বিষয়টি মিমাংসার জন্য স্থানীয় ইউপি সদস্য চাপ দিচ্ছে ভুক্তভোগী পরিবারকে। ভুক্তভোগী পরিবারের দাবীর পরিপ্রেেি সরেজমিনে গতকাল গিয়ে জানা যায় সয়ার মন্ডলপাড়ায় মৃত রোস্তম আলীর স্ত্রী ফরিজন নেছা (৫০দীর্ঘদিন থেকে মানসিক রোগে ভূগছিল। গত বৃহস্পতিবার ভোরে প্রকৃতির ডাকে সাড়া দিতে গিয়ে স্থানীয় কাংলাচড়া গ্রামের মকমলের ছেলে মনতাজতারাজুল বেগুন চুরির অপবাদে তাকে ধরে গাছে েঁধে এলোপাতাড়ি ভাবে মারডাং করে। মারডাং এর এক পর্যায়ে তিনি জ্ঞান হাড়িয়ে ফেলেন।  দিন তার একমাত্র ছেলে ফরিজুল  তিনিও প্রকৃতির ডাকে বাইরে বেড় হয়ে এসে দেখতে পান যে তার মাকে গাছে বেঁধে তারা দুজন মারডাং করছে। তিনি এগিয়ে এলে মনতাজতারাজুল দুজনে পালিয়ে যায়সেখান থেকে তাকে উদ্ধার করে তারাগঞ্জ উপজেলা স্বাস্থ্য কেন্দ্রে  দিনে অন্ত মহিলা ওয়ার্ডের ৯নং শয্যায় ভর্তি করা হয়। যার রেজিষ্ট্রশন নং৪৪৩৬/৩৩৫। তিনি সুস্থ না হওয়ার পরেও হাসপাতাল কর্তৃপ দূর্ভিসন্ধি মূলক তার নাম রেজিষ্টার থেকে কেটে একদিন পরেই ছেড়ে দেয় (শুক্রবার)আজ শনিবার  প্রতিবেদক তার বাড়িতে গিয়ে দেখতে পায় যে ফরিজন বেওয়া খড়ের বিছানায় শুয়ে কাতরাচ্ছেপায়ের মধ্যে ফুলাব্যাথ্যা প্রচন্ডগায়ে প্রচন্ড জ্বর। এই সব দেখিয়ে দিয়ে  গ্রামের একাধিক ব্যক্তি জানান একজন মানসিক প্রতিবদ্ধি যদি চিকিৎসা না পায় তাহলে আমরা যা কোথায়। এছাড়া  গ্রামের সোহাগীকাজলী, শামসুল মন্ডলছাদেকাসহ তার পরিবারের একাধিক ব্যক্তির সঙ্গে কথা হলে তারা জানান তাকে গাছে বেঁধে প্রচন্ড ভাবে মারধর করা হয়েছে তিনি একনো সুস্থ হননি। অথচ হাসপাতাল কর্তৃপ তার নাম কেটে দিয়েছেএটা কি ধরণের সেবারোগী সুস্থ হওয়ার জন্য উপজেলা স্বাস্থ্য কমপ্লেক্সে যায় অথচ তারা চিকিৎসা না দিয়ে রোগীদের নাম কেটে দিয়ে মোটা অংকের টাকা খেয়েছে বলে তারা জানান।  বিষয়ে টিএইচই মোস্তফাজামান এর সাথে মুটো ফোনে  প্রতিবেদকের কথা হলে তিনি বলেন যেহেতু বিষয়টি তেমন গুরুত্বপূর্ণ নয় সেহেতু তাকে ছেড়ে দেওয়া হয়েছে এবং  প্রতিবেদককে বলেন যদি আপনি মনে করেন তাহলে তাকে আবারো হাসপাতালে পাঠাতে পারেন বলে মুটো ফোনের লাইনটি কেটে দেয়। বিষয়টি মিমাংসার জন্য স্থানীয় ইউপি সদস্য মোক্তারুল ইসলাম চাপ দিচ্ছে বলে তার পরিবার জানান। ইউপি সদস্য মোক্তারুলে সঙ্গে কথা হলে তিনি বলেন বিষয়টি আমি শুনেছি তবে মিমাংসার বিষয়টি তিনি অস্বীকার করেন

 ইউনিয়নের বিট পুলিশিং এর দায়িত্বে নিয়োজিত এসআই আসাদের সঙ্গে মুটো ফোনে কথা হলে তিনি বলেন বিষয়টি আমার জানা নেই

 

খায়রুল আলম বিপ্লব

নিউজটি শেয়ার করুন


এই ক্যাটাগরীর আরো খবর..

মাননীয় প্রধানমন্ত্রীর পরামর্শ