বুধবার, ২৭ মে ২০২০, ১১:০৭ পূর্বাহ্ন

সর্বশেষ আপডেট :

”খুলনার বটিয়াঘাটায় বিশাল আকৃতির ঘুড়ি উড়নো হয়েছে আকাশে”

Rouful Alam
  • আপডেট টাইম: ৩ মে, ২০২০
  • ১১৩ বার পঠিত

”খুলনার বটিয়াঘাটায় বিশাল আকৃতির ঘুড়ি উড়নো হয়েছে আকাশে’

মোঃ রায়হান আলী,খুলনা প্রতিনিধিঃ-

বাংলার ঐতিহ্যবাহী খেলা ঘুড়ি উড়ানো। খুলনার বটিয়াঘাটার,বলাবুনিয়া গ্রামে বিশাল আকৃতির ঘুড়ি আকাশে উড়ানো হয়েছে। এই বিশাল আকৃতির ঘুড়িটি তৈরি করেছেন বলাবুনিয়া গ্রামের তুষার বাছাড়। তিনি আগেও অনেক ঘুড়ি উড়িয়েছেন কিন্তু এবারের ঘুড়িটি ছিল আকারে অনেক বড়। গ্রামের অনেক লোকজন উক্ত ঘুড়ি উড়ানো দেখতে ছঁটে চলে আসে। স্থানীয় লোকজন বলছে তুষার বাছাড় প্রতিনিয়ত এমন ঘুড়ি বানিয়ে উড়িয়ে মানুষের আনন্দ দেয়। বর্তমানে লকডাউনের কারনে মানুষ ঘরে বন্দি তাই বাড়ির পাশাপাশি ফাঁকা মাঠ কিংবা শহরের বিল্ডিং এর ছাদে এমন ঘুড়ি খেলা চলছে।
ঘুড়ি এক প্রকারের হাল্কা খেলনা, যা সুতা টেনে আকাশে ওড়ানো হয়। পাতলা কাগজের সাথে চিকন কঞ্চি লাগিয়ে সাধারণত ঘুড়ি তৈরি করা হয়। এছাড়াও বিভিন্ন ধরনের এবং বিভিন্ন উপাদান ও নকশার ঘুড়ি রয়েছে। বিশ্বজুড়েই ঘুড়ি ওড়ানো একটি মজার খেলা। এছাড়াও বহু দেশে ঘুড়ি ওড়ানোর উৎসব ও প্রতিযোগিতার আয়োজন করা হয়। দক্ষিণ এশিয়ার দেশগুলোর মধ্যে বাংলাদেশ, ভারত, পাকিস্তান, আফগানিস্তান প্রভৃতি দেশে ঘুড়ি ওড়ানো একটি বিনোদনমূলক অবসর বিনোদন। বাংলাদেশে, বিশেষ করে পুরনো ঢাকায় পৌষ মাসের শেষ দিন, অর্থাৎ পৌষ সংক্রান্তিতে ঘুড়ি ওড়ানো উৎসব পালন করা হয়। ভারতের পশ্চিমবঙ্গে বিশ্বকর্মা পূজার দিন ঘুড়ি ওড়ানোর প্রথা রয়েছে।

ইতিহাসসম্পাদনা
ধারনা করা হয় যে, প্রায় ২,৮০০ বছর পূর্বে চীন দেশে ঘুড়ির সর্বপ্রথম ঘুড়ির উৎপত্তি ঘটেছে। পরবর্তীকালে এটি এশিয়ার অন্যান্য দেশ – বাংলাদেশ, ভারত, জাপান এবং কোরিয়ায় ছড়িয়ে পড়ে। এছাড়াও, ইউরোপে ঘুড়ি খেলাটির প্রচলন ঘটে প্রায় ১,৬০০ বছর পূর্বে। প্রথমদিকে ঘুড়ি কাগজ অথবা হাল্কা তন্তুজাতীয় সিল্কের কাপড় দিয়ে উড়ানো হতো। ব্যবহৃত অন্যান্য উপাদানের অংশ হিসেবে ঘুড়িতে বাঁশের কঞ্চি কিংবা অন্যান্য শক্ত অথচ নমনীয় কাঠ দিয়ে তৈরী করা হয়। এছাড়াও অত্যন্ত গুরুত্বপূর্ণ উপাদান হিসেবে সুতা কিংবা পাতলা দড়ি ব্যবহৃত হয়।

আধুনিককালের ঘুড়িগুলোয় সিনথেটিকজাতীয় পদার্থের প্রচলন রয়েছে। বর্তমানে বিভিন্ন ধরনের ঘুড়ি বিশ্বের বিভিন্ন দেশে প্রচলিত। কোনটি আকারে খুব বড় ও দেখতে নয়ন মনোহর। আবার কোনটি আকারে খুবই ছোট যা দ্রুত উড়তে কিংবা প্রতিযোগিতায় ব্যবহৃত হয়ে থাকে।

২০১১ সালে অনুষ্ঠিত ব্রিষ্টল ঘুড়ি উৎসব শেষে সবচেয়ে বড় ঘুড়িটি প্রায় ২০ মিনিট আকাশে অবস্থান করে। এটি ভূমির প্রায় ১০,৯৭১ বর্গফুট জায়গা দখল করেছিল।

নিউজটি শেয়ার করুন


এই ক্যাটাগরীর আরো খবর..

মুজিব শতবর্ষ