বুধবার, ২৭ মে ২০২০, ০১:১৭ অপরাহ্ন

সর্বশেষ আপডেট :

খুলনার কয়রায় ঘূর্নিঝড়”আম্ফান”এর আতঙ্কে বেড়ীবাঁধ অঞ্চলের বাসিন্দারা

Rouful Alam
  • আপডেট টাইম: ১৯ মে, ২০২০
  • ৯৬ বার পঠিত

মোঃ রায়হান আলী,খুলনা জেলা প্রতিনিধিঃ

বার বার প্রাকৃতিক দূর্যোগ মোকাবেলা করে আসছে উপকূলীয় এলাকা খুলনা জেলার কয়রা থানা। কয়রা থানার চারিদিকে নদীবেষ্টিত। একপাশে কপোতাক্ষ নদ অপর পাশে কয়রা নদী। একেবারে নিচু এলাকা নিয়েই কয়রা থানা। এই এলাকার মানুষকে প্রাকৃতিক দূর্যোগ মোকাবেলা করে টিকে থাকতে হয়।তাই প্রাকৃতিক দূর্যোগ মোকাবেলা করতে করতে কয়রাবাসী এখন আর আগের মত ভয় পায় না। ইস্পাত কঠিন মন আর সংগ্রামী জীবন নিয়ে এরা আজ দুঃসাহসী।তবে “আম্ফান” যদি সামান্য গতি নিয়ে ও কয়রা ও তার পার্শ্ববর্তী এলাকায় আঘাত হানে তাহলে এলাকার মানুষ জীবন জীবিকা নির্বাহ সহ নানান প্রতিকুলতার ভিতর দিয়ে মানবেতর জীবন যাপন করবে। ৮৮ সালের বন্যা,আইলা/০৯ ঘুর্ণিঝড় বুলবুল আঘাত করলে কয়রায় ব্যাপক ক্ষয়ক্ষতি হয়। যে ক্ষতি পুষিয়ে উঠতে না উঠতে আর একটি প্রাকৃতিক দূর্যোগ মোকাবেলা করতে হয়। বিশেষ করে দূর্বল বেড়ীবাঁধের কারনে এসব এলাকা বারবার বন্যাকবলিত বা জলোচ্ছ্বাসের মত সর্বগ্রাসী দূর্যোগের শিকার হয়।যতদিন এসব জনপদের বেড়ীবাঁধগুলো মজবুত এবং টেকসই না হবে ততদিন ছোট খাটো জলোচ্ছ্বাসের ভয়ে এ এলাকার মানুষকে রাতের ঘুম হারাম করে প্রতিনিয়ত দূর্যোগ মোকাবেলা করে টিকে থাকতে হবে।

কয়রার যদি উন্নয়ন করতে হয় তাহলে আগে দূর্বল বেড়ীবাঁধের সংস্কারণ সহ বেড়ীবাঁধগুলো টেকসই ও মজবুতকরনার্থে আশু উন্নয়ন পরিকল্পনা হাতে নেয়া উচিত। এই হলো কয়রার কিছু অংশের বেড়ীবাঁধের হালচিএ।এই বেড়ীবাঁধ সুপার সাইক্লোন “আম্ফান” আঘাত হানলে তার সাথে মোকাবেলা করার জন্য প্রস্তুত।এ সব চিত্র আজ দেখলে সত্যি হৃদয়ে রক্তক্ষরণ হয়।আইলা পরর্বতী কয়রা এখনও এমন আছে। সঠিক পরিচর্যা না থাকলে যা হয়। অদম্য মনোবল আর শক্তি সাহস নিয়ে ভাল থাক কয়রাবাসী।রাখে আল্লাহ মারে কে? মারে আল্লাহ রাখে কে? কয়রাবাসী বেড়ীবাঁধের তীরবর্তী অঞ্চলের লোকজনের দাবী প্রশাসন যেন তাঁদের বেহাল দশার দিক বিবেচনা করে অনতিবিলম্বে বাঁধের সংস্কারে যথাযথ পদক্ষেপ নেয়।

নিউজটি শেয়ার করুন


এই ক্যাটাগরীর আরো খবর..

মুজিব শতবর্ষ