বুধবার, ১২ অগাস্ট ২০২০, ০৭:১৯ অপরাহ্ন

সর্বশেষ আপডেট :

কিশোরগঞ্জে তিনদিন ধরে বিদ্যুতের লুকোচুরি দেখার কেউ নাই

নিজস্ব প্রতিবেদন
  • আপডেট টাইম: ৩ জুলাই, ২০২০
  • ১০০ বার পঠিত

কিশোরগঞ্জে তিনদিন ধরে বিদ্যুতের লুকোচুরি দেখার কেউ নাই

জয়নাল আবেদীন, কিশোরগঞ্জ (নীলফামারী) প্রতিনিধিঃ

নেসকো বাংলাদেশ লিমিটেড (পিডিবি)-এর লুকোচুরির কারণে গত তিন দিন ধরে বিদ্যুত বিহীন অবস্থায় রয়েছে নীলফামারীর কিশোরগঞ্জ উপজেলার প্রায় সাত হাজার পরিবার।

গত দুই দিন মাঝে মাঝে বিদ্যুতের আসা যাওয়া থাকলে ও শুক্রবার সকাল ৭ টা থেকে এ রিপোট লেখা পযর্ন্ত বিদ্যুৎ আসেনি। ফলে চরম দুর্ভোগ পোহাচ্ছে ব্যবসা প্রতিষ্ঠানসহ সাধারণ গ্রাহকরা।

পিডিবি অফিস সূত্রে জানা গেছে, নীলফামারীর কিশোরগঞ্জ উপজেলায় আবাসিক অনাবাসিক মিলে মোট সাত হাজার গ্রাহক রয়েছে। চাহিদা অনুযায়ী এ উপজেলায় শতভাগ বিদ্যুৎ পাওয়ার কথা থাকলেও দফায় দফায় বিদ্যুৎ বিভ্রাটে নাকাল হচ্ছে মানুষ। গত দুই দিন থেকে দিনের বেলা এক ঘণ্টা পরপর বিদ্যুতের দেখা মিললে ও শুক্রবার সকাল ৭টা পর্যন্ত এ রিপোট লেখা পর্যন্ত বিদ্যুতের দেখা মেলেনি।

কিশোরগঞ্জ উপজেলার বড়ভিটা বাজারের হোটেল ব্যবসায়ী জামিনুর রহমান ও মহিদুল ইসলাম, আলিফ হোসেন জানান, সরকারের ঘোষণা অনুযায়ী কিশোরগঞ্জ উপজেলাকে শতভাগ বিদ্যুৎ কেন্দ্র উপজেলা ঘোষণা করা হয়েছে। কিন্তু সামান্য বৃষ্টি হলে বিদ্যুৎ বিভাগের লোকজন টালবাহানা শুরু করে ফলে বিদ্যুৎ না থাকায় ব্যবসায়ীক ভাবে আমরা ক্ষতিগ্রস্থ হচ্ছি।

কিশোরগঞ্জ প্রেস কাবের আহবায়ক ও তাহের মার্কেটের স্বত্তাধিকারী মোঃ আবু তাহের বলেন, বিদ্যুতের লুকোচুরির কারণে বাসায় ব্যবহারিত বৈদ্যতিক যন্ত্রপাতি নষ্ট হওয়ার উপক্রম। কিশোরগঞ্জ প্রেস কাবের যুগ্ন আহবায় মোঃ রউফুল আলম সাংবাদিকদের নিয়ে আলোচনার সময় বলেন, গ্রাহক চাহিদা অনুযায়ী বিদ্যুৎ উৎপাদন না হওয়ার কারণে লোডশেডিং হয় । কিন্তু যেটুকু সময় বিদ্যুৎ থাকে ১০ মিনিটে অন্তত ১২/১৩ বার লোডশেডিং বিদ্যুৎ নিয়ে কি এক অশান্তি ?


হোসাইন মোঃ সেলিম রেজা, সদস্য সচিব, বাংলাদেশ জাতীয় পাটি (বড়ভিটা ইউনিয়ন শাখা) বলেন, আমাদের কিশোরগঞ্জ উপজেলায় বিদ্যুৎ না থাকার সমস্যা টি প্রবল। মনে হয় এর মূল কারণ হচ্ছে চাহিদা মেটাতে অমতা। ধরুন একটি এলাকার জন্য ২৪ মেগাওয়াট বিদ্যুতের প্রয়োজন। কিন্তু পাওয়ার প্লান্টের উৎপাদন করার মতা ২২ মেগাওয়াট। তো এই দুই মেগাওয়াট বিদ্যুতের চাহিদা তারা কিভাবে মেটাবে। তখন তারা কিছু এলাকার বিদ্যুতের সংযোগ বিচ্ছিন্ন করে দেয় এবং অন্য চাহিদার এলাকা গুলোতে বিদ্যুতের সংযোগ দেয় । আর এভাবে প্রতিনিয়ত দেয়া নেওয়া চলতেই থাকে ।

নেসকো বাংলাদেশ লিমিটেড কিশোরগঞ্জ উপজেলার আবাসিক প্রোকৌশলী মোঃ আশিকুর রহমানের মুঠোফোনে একাধিকবার কল দিলে তাঁর মোবাইলটি বন্ধ পাওয়া যায়।

ইউএনও আবুল কালাম আজাদ বলেন, আমি শুনেছি বিদ্যুতের ৩৩ হাজার কেভির লাইনে ত্রটি দেখা দেওয়ার কারণে বিদ্যুৎ সংযোগ বন্ধ রয়েছে। কিশোরগঞ্জ প্রেস কাবের সক্রিয় সাংবাদিকদের লিখিত সংবাদ প্রিন্ট পত্রিকায় প্রকাশিত হচ্ছে।

নিউজটি শেয়ার করুন


এই ক্যাটাগরীর আরো খবর..