শুক্রবার, ০২ অক্টোবর ২০২০, ০৪:১১ পূর্বাহ্ন

৯৯৯ কল করে উদ্ধার হলো কিশোরগঞ্জের শরিফা বেগম

ইন্দোবাংলা ডেস্ক
  • আপডেট টাইম: ১১ আগস্ট, ২০২০
  • ১২৭ বার পঠিত

৯৯৯হলো কিশোরগঞ্জের শরিফা বেগম৯৯ কল করে উদ্ধার

কিশোরগঞ্জ (নীলফামার) প্রতিনিধিঃ
 নীলফামারী জেলার কিশোরগঞ্জ উপজেলার বড়ভিটা ইউনিয়নের বড়ডুমুরিয়া পাইকারটারী নিবাসী শহিদুল ইসলামের একমাত্র কন্যা শরিফা বেগম (১৯) ছিনতাই তথা অপহরণ হলে মেয়ে পক্ষ ৯৯৯ নম্বরে কল দিলে ১১ আগস্ট ২০ ইং মঙ্গলবার ভোর চারটার সময়  অপহৃত শরিফা বেগম উদ্ধার হয়।
জানা যায়,  গত ২০ ফেব্রুয়ারী ২০ইং শরিফা বেগমের সাথে  পুটিমারী মন্থনা হাজিপাড়া নিবাসী এয়াকুব আলীর একমাত্র পুত্র মোঃ হাছানুর রহমানের  ইসলামী শরীয়া মোতাবেক তিন লক্ষ পঞ্চাশ হাজার পাঁচশত পাঁচ টাকা দেনমোহর ধার্য করে মাওঃ আতিকুল ইসলামের মাধ্যমে তারা বিবাহ বন্ধনে আবদ্ধ হয়। বিয়ের পর হতেই শরিফাকে যৌতুকের জন্য যখন তখন মারডাং করলে সাত মাসের বিবাহিত জীবনে অন্ততঃ ১৫/২০ বার গ্রাম্য শালিশে বিচার হয়। শরিফার গরীব বাবা মেয়ের সুখের জন্য পর্যায়ক্রমে ৮৫ হাজার টাকা যৌতুক দেয়। তারপরে ও হাছানুর আরো যৌতুকের জন্য মারডাং চালাতে থাকলে মারডাং সহ্য করতে না পেরে হাছানুরকে তালাক দিতে বাধ্য হয়। এলাকার মহৎ প্রধান পারিবারিক আপোষ মিমাংসায় ৭০ হাজার টাকা মেয়ে পক্ষকে প্রদানের সিদ্ধান্ত নিলে হাছানুর (২২) অপরিচিত কিছু যুবক নিয়ে শরিফা বেগমকে ছিনতাই তথা অপহরণ করে নিয়ে যায়। মেয়ের মা মঞ্জুয়ারা বেগম শরিফার প্রাণ সংসয়  তথা শারীরিক ক্ষতি হতে পারে মর্মে কিশোরগঞ্জ থানায় অভিযোগ দেন। অভিযোগ পেয়ে কিশোরগঞ্জ থানা অফিসার ইনচার্জ আব্দুল আউয়াল পরের দিন পুলিশ পাটিয়ে মেয়ের খবর নিবে বলে জানান।
মেয়ের বড় ভাই মঞ্জুরুল ইসলাম থানা থেকে বের হয়ে ৯৯৯ নম্বরে কল দিলে কিছুক্ষণ পর এস.আই আনোয়ার হোসেন তার সঙ্গীয় ফোর্সসহ হাছানুরের বাড়ী থেকে শরিফাকে উদ্ধার করে থানা নিয়ে আসে তার মা মঞ্জুয়ারার জিম্মায় জমা দেন।

নিউজটি শেয়ার করুন


এই ক্যাটাগরীর আরো খবর..

মাননীয় প্রধানমন্ত্রীর পরামর্শ