শুক্রবার, ০২ অক্টোবর ২০২০, ০৪:২৯ পূর্বাহ্ন

করোনায় ক্ষতিগ্রস্ত নারীদের পাশে দাঁড়াতে কমনওয়েলথভুক্ত দেশগুলোর প্রতি মহিলা ও শিশু বিষয়ক প্রতিমন্ত্রীর আহ্বান

ইন্দোবাংলা রিপোর্ট
  • আপডেট টাইম: ৩ সেপ্টেম্বর, ২০২০
  • ১০৫ বার পঠিত

ইন্দিরা বলেছেন, কোভিড-১৯ মহামারিতে বিশ্বব্যাপী নারীরা চাকুরি হারিয়েছে, আয় কমে গেছে এবং একই সাথে বৈষম্য, শোষণ ও সহিংসতার শিকার হচ্ছে। এই করোনা পরিস্থিতি থেকে উত্তরণ, কর্মজীবী নারী, নারী উদ্যোক্তা ও ব্যবসায়ীদের সহায়তা এবং নারীদের স্বাস্থ্য ও সুরক্ষার লক্ষ্যে জাতিসংঘের সহযোগী সংস্থা, আন্তর্জাতিক উন্নয়ন সংস্থা ও কমনওয়েলথভুক্ত দেশসমূহকে একসাথে কাজ করতে হবে।

প্রতিমন্ত্রী আজ বাংলাদেশ সচিবালয় থেকে কমনওয়েলথ সেক্রেটারিয়েট লন্ডনের আয়োজনে “ভার্চুয়াল মিটিং অভ্ কমনওয়েলথ মিনিস্টারস ফর উইমেন’স অ্যাফেয়ার্স এন্ড জেন্ডার এন্ড ডেভেলপমেন্ট অভ্ কোভিড-১৯” শীর্ষক কমনওয়েলথভুক্ত দেশের উইমেন’স অ্যাফেয়ার্স মন্ত্রীদের সাথে অনুষ্ঠিত ভিডিও কনফারেন্সে এসব কথা বলেন। ভার্চুয়াল সভায় সভাপতিত্ব করেন কমনওয়েলথ উইমেন’স অ্যাফেয়ার্স চেয়ারম্যান ও কেনিয়ার পাবলিক সার্ভিস, ইয়ুথ ও জেন্ডার বিষয়ক মন্ত্রী প্রফেসর মার্গারেট কবিয়া। স্বাগত বক্তব্য দেন বার্বাডোজের প্রধানমন্ত্রী মিয়া মটেলি ও কমনওয়েলথ সেক্রেটারি জেনারেল প্যাট্রিসিয়া স্কটল্যান্ড কিউসি।

প্রতিমন্ত্রী বলেন, বাংলাদেশে করোনা শনাক্ত হওয়ার পর প্রধানমন্ত্রী শেখ হাসিনা নারী ও শিশু স্বাস্থ্য বিষয়ে বিশেষভাবে অগ্রাধিকার দিয়ে দেশের মানুষের স্বাস্থ্য ও চিকিৎসার বিষয়ে দ্রুত বিভিন্ন কার্যকরী পদক্ষেপ গ্রহণ করেন। করোনা পরিস্থিতিতে দেশের নারী-সহ বিভিন্ন শ্রেণি পেশার ক্ষতিগ্রস্ত মানুষের কর্মসংস্থান ও অর্থনীতিকে গতিশীল করতে সরকার এক লাখ কোটি টাকার বেশি প্রণোদনা প্যাকেজ ঘোষণা করেছে। এছাড়া বিনামূল্যে খাদ্য বিতরণ, নগদ অর্থ বিতরণ, গৃহ নির্মাণ ও সামাজিক নিরাপত্তা প্যাকেজ প্রদান করা হয়েছে যার বেশিরভাগের উপকারভোগী নারী।

প্রতিমন্ত্রী আরো বলেন, বাংলাদেশের স্বাস্থ্যখাতের ডাক্তার, নার্স ও মেডিকেল টেকনোলজিস্টের ৮০ ভাগ নারী যারা অত্যন্ত ঝুঁকির মধ্য দিয়ে কাজ করে যাচ্ছে। করোনার কারণে যেসব প্রবাসী দেশে ফিরে এসেছে তাদের পরিবারের নারী ও শিশু খাদ্য নিরাপত্তা ও স্বাস্থ্য ঝুঁকির মধ্যে রয়েছে। এছাড়াও আম্পান ও বন্যার কারণে বিপুল সংখ্যক নারী ও শিশু আছে স্বাস্থ্য ঝুঁকিতে। মহিলা ও শিশু বিষয়ক মন্ত্রণালয় করোনা থেকে উত্তরণের লক্ষ্যে নারীদের আর্থিক, টেকনিক্যাল ও প্রযুক্তিগত সহায়তা প্রদান করছে। এছাড়া সরকার ২০ লাখ নারীকে ভিজিডি, মাতৃত্বকালীন ও কর্মজীবী ল্যাক্টেটিং মা ভাতা প্রদান করছে।

ভার্চুয়াল সভায় কমনওয়েলথ সেক্রেটারি জেনারেল প্যাট্রিসিয়া স্কটল্যান্ড বলেন কমনওয়েলথভুক্ত দেশের নারীদের নেতৃত্ব, অর্থনৈতিক ক্ষমতায়ন, নারীর প্রতি সহিংসতা রোধ এবং জেন্ডার ও জলবায়ু পরিবর্তন বিষয়ে সবাইকে একসাথে কাজ করে যেতে হবে।

নিউজটি শেয়ার করুন


এই ক্যাটাগরীর আরো খবর..

মাননীয় প্রধানমন্ত্রীর পরামর্শ