মঙ্গলবার, ০৩ অগাস্ট ২০২১, ০৬:৩৯ পূর্বাহ্ন

পানির অপব্যবহার ও অপচয় রোধে সর্তক থাকার আহ্বান স্থানীয় সরকার মন্ত্রীর

ইন্দোবাংলা রিপোর্ট
  • আপডেট টাইম: বৃহস্পতিবার ১৫ অক্টোবর, ২০২০
  • ২৬৪ বার পঠিত
ছবিঃ সংগ্রহীত

করোনাকালীন এবং স্বাভাবিক সময়ে পানির অপচয় ও অপব্যবহার রোধে দেশের সকল মানুষকে সতর্ক হওয়ার আহ্বান জানিয়েছেন স্থানীয় সরকার, পল্লী উন্নয়ন ও সমবায় মন্ত্রী মোঃ তাজুল ইসলাম।

একই সাথে করোনা ভাইরাসের সংক্রমণসহ বিভিন্ন রোগব্যাধি থেকে বাঁচতে সঠিকভাবে নিয়মিত হাত ধোয়ার অভ্যাস গড়ার কথাও জানান তিনি। মন্ত্রী আজ রাজধানীর ওসমানী স্মৃতি মিলনায়তনে জনস্বাস্থ্য প্রকৌশল অধিদপ্তর আয়োজিত বিশ্ব হাত ধোয়া দিবস-২০২০ উদযাপন অনুষ্ঠানে প্রধান অতিথির বক্তব্যে এসব কথা বলেন।

মোঃ তাজুল ইসলাম বলেন, পানির অতিরিক্ত ব্যবহারের কারণে পানির স্তর দ্রুত নিচে নেমে যাচ্ছে। তাই অযথা পানি ব্যবহার না করার আহ্বান জানিয়ে তিনি বলেন, পানি ব্যবহারে সতর্ক না হলে শুধু দেশেই নয় বিশ্বের কোটি কোটি মানুষ পানি সংকটে পরবে। পানি সম্পদকে সমৃদ্ধ ও পানি প্রাপ্তি অব্যাহত রাখার জন্য বিকল্প উৎসের সন্ধান করতে হবে বলে উল্লেখ করেন তিনি।

স্থানীয় সরকার মন্ত্রী বলেন, আমাদের জীবনে হাত ধোয়া ও ব্যক্তিগত স্বাস্থ্যবিধি তথা হাইজিন মেনে চলা কতটুকু জরুরি বিশ্বব্যাপী ছড়িয়ে পড়া কোভিড-১৯ পরিস্থিতি তা শিখিয়ে দিয়েছে। রোগ ব্যাধি থেকে মুক্ত থাকতে হাত গুরুত্বপূর্ণ ভূমিকা পালন করে থাকে। শুধু বাংলাদেশের মানুষই নয় সারা বিশ্বের অনেক মানুষ হাত ধোয়ার বিষয়ে অসচেতন। মানুষকে সচেতন করতেই এই দিবস উদযাপন করা হয়ে থাকে।

মন্ত্রী বলেন, প্রধানমন্ত্রী শেখ হাসিনার নির্দেশে করোনার শুরু থেকেই সারাদেশে প্রতিটি মানুষের কাছে সুপেয় পানি সরবরাহ করা হয়েছে। এ জন্য তিনি নিজে স্থানীয় সরকার বিভাগের অধীনে থাকা সংশ্লিষ্ট প্রতিষ্ঠানগুলোকে নির্দেশনা দিয়েছেন বলে জানান। এছাড়া ইউনিসেফ, ওয়ার্ল্ড ব্যাংক, এডিবি’র সহযোগিতায় পরিচালিত বিভিন্ন উন্নয়ন প্রকল্পের আওতায় জনস্বাস্থ্য প্রকৌশল অধিদপ্তর, সিটি কর্পোরেশন, পৌরসভাসহ স্থানীয় সরকার বিভাগের সকল প্রতিষ্ঠান সারা দেশে সুপেয় পানি সরবরাহের পাশাপাশি জনসমাগমপূর্ণ স্থানে হাত ধোয়ার ব্যবস্থা করা হয়েছে।

তিনি জানান, দেশের মানুষকে পরিষ্কার-পরিচ্ছন্ন রাখতে গুরুত্বপূর্ণ বিষয় হচ্ছে জনসচেতনতা। আর জনসচেতনতা তৈরির জন্য সবচেয়ে গুরুত্বপূর্ণ ভূমিকা পালন করতে পারে প্রিন্ট এবং ইলেকট্রনিক মিডিয়া।

মোঃ তাজুল ইসলাম বলেন, সহস্রাব্দ উন্নয়ন লক্ষ্যমাত্রা বা এমডিজি সফলভাবে শেষ করেছে বাংলাদেশ। প্রধানমন্ত্রী শেখ হাসিনার বলিষ্ঠ নেতৃত্বে টেকসই উন্নয়ন লক্ষ্যমাত্রা-২০৩০ সফলভাবে অতিক্রম করে ২০৪১ সালের আগেই দেশ ক্ষুধা-দারিদ্র্যমুক্ত ও উন্নত-সমৃদ্ধ বঙ্গবন্ধুর সোনার বাংলায় পরিণত হবে।

স্থানীয় সরকার বিভাগের সিনিয়র সচিব হেলালুদ্দীন আহমদ এর সভাপতিত্বে অনুষ্ঠানে উপস্থিত ছিলেন স্থানীয় সরকার বিভাগের অতিরিক্ত সচিব মুহম্মদ ইবরাহিম, জনস্বাস্থ্য প্রকৌশল অধিদপ্তরের প্রধান প্রকৌশলী মোঃ সাইফুর রহমান এবং ইউনিসেফ বাংলাদেশের প্রতিনিধি দারা জনস্টন।

নিউজটি শেয়ার করুন


এই ক্যাটাগরীর আরো খবর..

মাননীয় প্রধানমন্ত্রীর পরামর্শ