শনিবার, ১৬ অক্টোবর ২০২১, ০২:২৪ অপরাহ্ন

নীলফামারীর কিশোরগঞ্জে উন্নত প্রযুক্তির ব্যবহারে বিলুপ্ত প্রায় কাশফুল

রউফুল আলম
  • আপডেট টাইম: রবিবার ১৮ অক্টোবর, ২০২০
  • ২৩৩ বার পঠিত

নীলফামারীর কিশোরগঞ্জে উন্নত প্রযুক্তির ব্যবহারে বিলুপ্ত প্রায় কাশফুল

মোঃআদর আলী,স্টাফ রিপোর্টারঃ

নীলফামারীর কিশোরগঞ্জে আধুনিকতার ছোঁয়ায় উন্নত প্রযুক্তির ব্যবহারে বিলুপ্ত প্রায় গ্রাম বাংলার অপরুপ সৌন্দর্যের অধিকারী কাশফুল। গ্রাম বাংলার প্রকৃতির অপরুপ শোভা ও সৌন্দর্যের অধিকারী কাশফুল এখন আর চোখে পড়ে না।কালের বিবর্তনে ও উন্নত প্রযুক্তির ব্যবহারের ফলে হারিয়ে যেতে বসেছে কাশফুল। এক সময় মানুষ উন্নত প্রযুক্তির ব্যবহারের অভাবে তেমন চাষাবাদ করতে পারতো না। সেই কারণে শতশত একর জমি অনাবাদিতে পড়ে থাকতো। সেই সব অনাবাদি জমিতে জন্ম হতো কাশফুলের সমারোহ। এই কাশফুলের সৌন্দর্যে মুগ্ধ হতো মানুষ। কিন্তু আধুনিকতার ছোঁয়ায় উন্নত প্রযুক্তির ব্যবহারে অনাবাদি জমি গুলো এখন চাষাবাদে ভরপুর। যার ফলে হারিয়ে যেতে বসেছে কাশফুলের সমারোহ।কিশোরগঞ্জ উপজেলার বিভিন্ন এলাকা ঘুরে কোথাও মেলেনি কাশফুলের সমারোহ। অবশেষে উপজেলার বাহাগিলী ইউনিয়নের জরিয়ালের ঘাটে চারালকাটা নদীর চরে কাশফুলের দেখা মিললেও সামান্য একটু যা নেই বললে চলে।এক সময় কিশোরগঞ্জ উপজেলার বিভিন্ন এলাকার আনাচে-কানাচেতে দেখা যেতো কাশবনের সমারোহ । আর সেই কাশফুলের অপরুপ সৌন্দর্যে ভরিয়ে যেতো মন। গ্রাম বাংলার নদ-নদীর ধার, ঝোপ-ঝাড়, জঙ্গল, পুকুর, খাল-বিল, ঈদগাহ মাঠ ও ফাকা জায়গায় পথচারীদের দৃষ্টি কাড়তে কাশফুলের হালকা বাতাস যেন দোলা দেয় সবার হৃদয়কে। রাস্তা দিয়ে যাওয়ার পথে মানুষের হৃদয় ছুয়ে যেতো কাশফুলের সৌন্দর্যে।

 


কাশফুলের সৌন্দর্যের কথা তুলে ধরে সাংবাদিক জাহাঙ্গীর আলম বলেন, এখন উন্নত প্রযুক্তির ব্যবহারে অনাবাদি জমি চাষাবাদে পরিনত, দেশের জনসংখ্যা বৃদ্ধি, ব্যবসা ও বাড়ি ঘর নির্মান, নদ-নদী ভরাট করায় কাশফুল কমে যাচ্ছে। ফলে প্রকৃতির অপরুপ শোভা ও সৌন্দর্যের প্রতীক কাশফুল এখন বিলুপ্তির পথে।
উপজেলার বাহাগিলী ইউনিয়নের চেয়ারম্যান আতাউল রহমান রহমান শাহ দুলু বলেন,শরতে গ্রামবাংলার প্রকৃতি অপরূপ রূপে সেজে ওঠে। মাঠেঘাটে, নদীর তীরে দেখা যায় শ্বেতশুভ্র কাশবন। যে সৌন্দর্য অতুলনীয়। কিন্তু কালের বিবর্তনে বিলুপ্তির পথে কাশফুল। নদীর ধার, খাল-বিল-জলাশয় ঘিরে ঘন কাশবন এখন আর বাতাসে দোল খায় না।
কিশোরগঞ্জ উপজেলার বিভিন্ন এলাকার মাঠগুলোতে একসময় প্রচুর কাশবন দেখা যেত। শুধু সৌন্দর্যের উপকরণই নয়, গ্রামবাংলার কাশফুল গাছ শুকিয়ে ঘরের বেড়া ও ছাউনিও তৈরি করা হয়। অথচ এর সংরক্ষণে নেই কোনো উদ্যোগ।

নিউজটি শেয়ার করুন


এই ক্যাটাগরীর আরো খবর..

মাননীয় প্রধানমন্ত্রীর পরামর্শ