শুক্রবার, ২৯ অক্টোবর ২০২১, ০২:২০ পূর্বাহ্ন

ভোজ্যতেলে ভিটামিন ‘এ’ সমৃদ্ধকরণের আওতায় এসেছে- শিল্পমন্ত্রী

ইন্দোবাংলা রিপোর্ট
  • আপডেট টাইম: শনিবার ৭ নভেম্বর, ২০২০
  • ২৩২ বার পঠিত
ছবিঃ সংগৃহীত

শিল্পমন্ত্রী নূরুল মজিদ মাহমুদ হুমায়ূন বলেন, অপুষ্টিদূরীকরণে বাংলাদেশ ধারাবাহিক প্রয়াস অব্যাহত রেখেছে।  এ লক্ষ্যে ২০১৩ সালে ভোজ্যতেলে ভিটামিন ‘এ’ সমৃদ্ধকরণ বাধ্যতামূলক করে আইন পাস, আয়োডিন ঘাটতিপূরণে মন্ত্রিপরিষদে আয়োডিনযুক্ত লবণ আইন ২০২০ অনুমোদন এবং  জাতীয় খাদ্য ও পুষ্টিনিরাপত্তা নীতিতে খাদ্যসমৃদ্ধকরণের বিষয়টি অন্তর্ভুক্ত করা হয়েছে। অষ্টম পঞ্চবার্ষিকী পরিকল্পনায়ও এটি অন্তর্ভুক্ত করা হবে। বাংলাদেশ সরকার গৃহীত এসব উদ্যোগের ফলে বর্তমানে দেশের মোট প্যাকেটজাত  ভোজ্যতেলের ৯৫ শতাংশ এবং ড্রামজাত ভোজ্যতেলের ৪১ শতাংশ ভিটামিন ‘এ’ সমৃদ্ধকরণের আওতায় এসেছে। বর্তমান সরকার গম ও ভুট্টার আটায় ভিটামিন- ‘এ’ সমৃদ্ধ করার কর্মসূচি বাস্তবায়নের পরিকল্পনা নিয়ে অগ্রসর হচ্ছে। এ কর্মসূচি বাস্তবায়িত হলে প্রান্তিক জনগোষ্ঠীর পুষ্টিমান পরিস্থিতির ব্যাপক উন্নতি ঘটবে ।

মন্ত্রী গতকাল বিশ্ব খাদ্যসমৃদ্ধকরণ সম্মেলনের অংশ হিসেবে আয়োজিত ‘সংকটকালে টিকে থাকতে সক্ষম খাদ্যব্যবস্থা -খাদ্যসমৃদ্ধকরণের ভূমিকা’ শীর্ষক উচ্চপর্যায়ের ভার্চুয়াল সভায় বক্তৃতাকালে এসব কথা বলেন।

গ্লোবাল অ্যালায়েন্স ফর ইম্প্রুভড নিউট্রিশন এবং মাইক্রো নিউট্রেন্ট ফোরাম যৌথভাবে এ অধিবেশনের আয়োজন করে। ইউএসএআইডি’র (USAID) প্রধান পুষ্টিবিশেষজ্ঞ সন বেকারের সঞ্চালনায় ইন্দোনেশিয়ার উন্নয়ন পরিকল্পনামন্ত্রী ড. সুহারসো মনোয়ারফা, নাইজেরিয়ার স্বাস্থ্যমন্ত্রী ড. ওসাগেই ইহানায়ার, মোজাম্বিকের শিল্প ও বাণিজ্যমন্ত্রী কার্লোস মেসকুইটা, গাম্বিয়ার স্বাস্থ্যমন্ত্রী আহামেদু লামিন সামাতে, আফ্রিকান ইউনিয়নের গ্রামীণ অর্থনীতি ও কৃষি উন্নয়ন বিষয়ক কমিশনার জোসেফা লিওনের করিয়া সেকো এবং ভারতের বিহার রাজ্যের কৃষিমন্ত্রী ড. প্রেম কুমার অনুষ্ঠানে বক্তব্য রাখেন।

শিল্পমন্ত্রী বলেন, বৈশ্বিক পুষ্টির লক্ষ্যমাত্রা অর্জনে বাংলাদেশ সঠিকপথ ধরে এগিয়ে চলেছে। করোনা মহামারির প্রভাবে বিশ্বব্যাপী মানুষের জীবন-জীবিকা মারাত্মকভাবে ক্ষতিগ্রস্ত হয়েছে, মন্তব্য করে শিল্পমন্ত্রী বলেন, দরিদ্র মানুষের জীবিকায় করোনার ভয়াবহ প্রভাব মোকাবিলায় বাংলাদেশ সরকার নিম্নআয়ের মানুষকে নগদ আর্থিক সহায়তার পাশাপাশি সুলভমূল্যে খাদ্যবিতরণসহ সামাজিক নিরাপত্তাবেষ্টনি জোরদার করেছে। এর পাশাপাশি অদৃশ্য ক্ষুধা মোকাবিলায় বিপুল পরিমাণে খাদ্যে ভিটামিন ও মিনারেল সমৃদ্ধকরণ কর্মসূচি বাস্তবায়ন করছে। পুষ্টিঘাটতি দূরীকরণে সরকার বায়ো-ফর্টিফাইড ক্রপস বা জৈবসমৃদ্ধ ফসলের উৎপাদন বাড়াতে আগ্রহী। জিংকসমৃদ্ধ চাল মানবদেহে জিংকের ঘাটতিপূরণে  গুরুত্বপূর্ণ ভূমিকা রাখে। সরকার এ চালের উৎপাদন ও ভোগ বাড়ানোর ওপর বিশেষ গুরুত্ব দিচ্ছে। বাংলাদেশের জনগণের পুষ্টি পরিস্থিতির উন্নয়নে শিল্প মন্ত্রণালয়, গ্লোবাল অ্যালায়েন্স ফর ইম্প্রুভড নিউট্রেশন (GAIN), অন্যান্য উন্নয়ন সহযোগী সংস্থা এবং বেসরকারি খাত একযোগে কাজ করছে বলে তিনি জানান।

ইন্দোবাংলা/সি.কে

নিউজটি শেয়ার করুন


এই ক্যাটাগরীর আরো খবর..

মাননীয় প্রধানমন্ত্রীর পরামর্শ