শনিবার, ১৬ অক্টোবর ২০২১, ১২:০৩ অপরাহ্ন

“ফোন করে শুধুই ঘটনা জানাবেন বাঁকি দায়-দায়িত্ব, কর্তব্য আমার”: ওসি আলমগীর

চম্পক কুমার
  • আপডেট টাইম: বৃহস্পতিবার ২৯ অক্টোবর, ২০২০
  • ১৩৩৭ বার পঠিত

মান-উন্নয়নের জন্য জয়পুরহাট থানার মানুষের কাছে চাই শুধু তথ্য, শুধুই information. আর আইনের প্রতি শ্রদ্ধা। আমাকে ফোন করে শুধুই ঘটনা জানাবেন বাঁকি দায়-দায়িত্ব, কর্তব্য আমার, বললেন জয়পুরহাট থানার অফিসার ইনচার্জ এ.কে. এম আলমগীর জাহান।

মঙ্গলবার (২৭ অক্টোবর) সন্ধ্যায় নিজের ফেসবুক অ্যাকাউন্টে এক স্ট্যাটাসে তিনি এসব কথা লিখেছেন।

ওই স্ট্যাটাসে তিনি আরও লিখেন, জয়পুরহাট দীর্ঘকাল গৌড়ের পাল এবং সেন রাজাদের রাজ্য ভূক্ত ছিল। পূর্বে চাকলা ঘোড়াঘাট এবং পরবর্তীতে দিনাজপুর জেলার অন্তর্ভুক্ত ছিল জয়পুরহাট। বর্তমানে জয়পুরহাট এবং পাঁচবিবি উপজেলার গ্রামসমূহ নিয়ে একসময় লালবাজার থানা গঠিত হয়েছিল।

ভারত সরকারের নির্দেশে ১৮৬৮ সালে ১৬ মার্চ তারিখে লালবাজার পুলিশ থানা যমুনার অন্য তীরে খাসবাগুড়ী নামক গ্রামে স্থানান্তরিত করা হয়। পরবর্তীতে পুলিশ থানা দমদমায় স্থানান্তরিত হয়। এক সময় খনজনপুর ও লাল বাজার হাট বিলুপ্ত হয়ে যায় এবং বাঘাবাড়ী অর্থাৎ জয়পুরহাট প্রসিদ্ধ হতে থাকে। পরবর্তীতে বাঘাবাড়ীকে লিখিত হিসেবে গোপেন্দ্রগঞ্জ লিখা হতে থাকে।

১৯০৭ সালে বাঘাবাড়ীতে একটি পৃথক থানা গঠিত হয়, এবং জয়পুরহাট নামটি ব্যাপকভাবে প্রচলিত হওয়ায় তা জয়পুরহাট থানা নামে পরিচিতি পায়। ১৯১৮ সালে জয়পুরহাট থানা ভবন নির্মিত এবং ১৯২০ সালে ভূমি জরিপে জয়পুরহাট থানার একটি পৃথক নকশা অঙ্কিত হয়। তেমনি ভাবে থানা এলাকার অপরিণামদর্শীদের ফাঁদে আটকাতে আর সাধারণ মানুষের শৃংখলার ভাগ্য গড়ার সহযোগিতার জন্য এসেছি।

খুন, ধর্ষণ, সন্ত্রাস আর মাদকের করাল গ্রাস থেকে সাধারণ, সচেতন, শান্তিপ্রিয় মানুষের নিরাপত্তায় যেন নিরাপদ সাফল্য উপহার দিতে পারি সে প্রার্থনা করছি। আর মন মান-উন্নয়নের জন্য জয়পুরহাট থানার মানুষের কাছে চাই শুধু তথ্য, শুধুই information. আর আইনের প্রতি শ্রদ্ধা। আমাকে ফোন করে শুধুই ঘটনা জানাবেন বাঁকি দায়-দায়িত্ব, কর্তব্য আমার মানে ওসি জয়পুরহাটের। এই থানার আবাল বৃদ্ধ বনিতার নিরাপত্তার প্রহরী হিসাবে জয়পুরহাট সদর থানার দরজা ও ফোন খোলা থাকবে ২৪ ঘন্টা। সে দরজায় মেহমান আপ্যায়নের বার্তা নিয়ে অপেক্ষায় থাকব আমি আলমগীর জাহান। আর আমাকে যিনি পদায়ন করেছেন, তিনি বাংলাদেশ পুলিশের অনন্য এক উচ্চতায় প্রতিনিধিত্ব করছেন। জনাব মোঃ আব্দুল বাতেন বিপিএম পিপিএম স্যার, মাননীয় ডেপুটি ইন্সপেক্টর জেনারেল, রাজশাহী রেঞ্জ রাজশাহী, যার নিখুঁত ও সুনিপুণ দেশপ্রেম এবং পুলিশের প্রতি দরদ ও আপনত্বের মহত্ত্ব যেন একই চিন্তা দুইপৃষ্ঠার এপিঠ ও ওপিঠ।

তারই ধারাবাহিক ফলাফল হয়ত: আমার এই পোস্টিং। মানুষ চায় শান্তি, শৃঙ্খলা, প্রগতি ও স্থিতিশীল বাংলাদেশ। হরতাল, ধর্মঘট, জালাও পোড়াও, ঘেরাও অগ্নিসংযোগের সিনেমায় ফিরতেও চায় না। সম্মানিত পুলিশ সুপার জনাব মোহাম্মাদ সালাম কবির পিপিএম স্যার, অভিভাবক এর আসনে শুধু কমান্ড দিয়ে নয়, নেতৃত্বগুণেও হয়েছেন অদ্বিতীয়। আশা করি, সেই গুনে আমিও জয়পুরহাট থানা এলাকার মানুষের মন জয় করে ঐতিহ্য রক্ষা করতে প্রাণান্তকর প্রচেষ্টা চালাব। তাঁদের কথায়, কাজে, সার্ভিস লিডার হিসেবে অদ্বিতীয় উচ্চারণে, বাচনভঙ্গি, ব্যাক্তিত্ব আন্তর্জাতিক মানের । যোগ্যতার শীর্ষে থাকা পুলিশের অহংকার ও অলংকার। তাঁদের প্রতি গভীর কৃতজ্ঞ ও দোয়া প্রার্থনা করি।

এ.কে. এম আলমগীর জাহান
অফিসার ইনচার্জ
জয়পুরহাট সদর থানা।
মোবাঃ ০১৩২০১২৭৫৬৯

ইন্দোবাংলা/এএসএ

নিউজটি শেয়ার করুন


এই ক্যাটাগরীর আরো খবর..

মাননীয় প্রধানমন্ত্রীর পরামর্শ