সোমবার, ২৭ সেপ্টেম্বর ২০২১, ০৯:৪৭ অপরাহ্ন

অবিলম্বে কালুরঘাট সেতুর নির্মাণ শুরু করতে চট্টগ্রাম নাগরিক ফোরামের আহবান

রউফুল আলম
  • আপডেট টাইম: শনিবার ২৮ নভেম্বর, ২০২০
  • ১৪৪ বার পঠিত

 

এম মনির চৌধুরী রানা

চট্টগ্রামের কর্ণফুলির মেয়াদোত্তীর্ণ কালুরঘাট সেতুর পরিবর্তে নতুন ‘সড়ক ও রেল সেতু দ্রুত অনুমোদন ও অবিলম্বে নির্মাণকাজ শুরুর আহবান জানিয়ে ভার্চুয়াল সভা অনুষ্ঠিত হয়। সভায় সভাপতিত্ব করেন চট্টগ্রাম নাগরিক ফোরামের চেয়ারম্যান ও আন্তর্জাতিক মানবাধিকার বিশেষজ্ঞ ব্যারিস্টার মনোয়ার হোসেন।

চট্টগ্রাম নাগরিক ফোরামের মহাসচিব মো. কামাল উদ্দীনের সঞ্চালনায় অনুষ্ঠিত ভার্চুয়াল সভায় বক্তারা বলেন দীর্ঘদিনের মেয়াদ উত্তীর্ণ চট্টগ্রাম কর্ণফুলির কালুরঘাট সেতু চলাচলে ঝুঁকিপূর্ণ হয়ে যাওয়ায় এবং বোয়ালখালী, পটিয়াসহ দক্ষিণ চট্টগ্রামের অন্যান্য উপজেলার জনগণের কাছে এ সেতু দিয়ে যোগাযোগের গুরুত্ব বেড়ে যাওয়ায় ভঙ্গুর বর্তমান রেল সেতুর পরিবর্তে নতুন ‘সড়ক ও রেল সেতু’ নির্মাণ বৃহত্তর চট্টগ্রামবাসীর দীর্ঘদিনে দাবী। যে কোন সময় এ সেতু দিয়ে রেল কিম্বা অন্যান্য যানবাহন চলাচলের সময় বড় ধরনের দুর্ঘটনায় জীবনহানির সম্ভাবনা আছে। এছাড়াও এ সেতুতে ঘন্টার পর পর জানজট লেগেই থাকে। এ সেতুর বিষয়ে সরকারের ঊর্ধতন মহল কর্তৃক বিভিন্ন সময় পরিকল্পনা, পরিদর্শন এবং নির্মাণে আশ্বাস দেয়া হলেও বাস্তবে নতুন কালুরঘাট সেতু আলোর মুখ দেখেনি। বক্তারা নতুন কালুরঘাট সেতু নির্মাণে সরকারের সংশিষ্ট বিভিন্ন দপ্তরের আন্তরিকতা ও চট্টগ্রাম বিভাগের সকল মাননীয় সংসদ সদস্যের সমন্বিত ও জোরালো ভূমিকা
প্রত্যাশা করেন।

ভায় বক্তব্য রাখেন আমেরিকার ফ্লোরিডা প্রবাসী সৈয়দ হারুন, মহানগর আওয়ামীলীগ নেতা জামশেদুল আলম চৌধুরী, বানিজ্যিক রাজধানী বাস্তবায়ন পরিষদের সভাপতি গোলাম রহমান, এ এস এম আজিম উদ্দিন, দৈনিক প্রিয় চট্টগ্রামের নির্বাহি সম্পাদক মির্জা ইমতিয়াজ, উন্নয়নকর্মী এজিএম জাহাঙ্গীর আলম, বোয়ালখালী প্রেস ক্লাবের সাবেক সভাপতি আবুল ফজল বাবুল, সমাজকর্মী মতিউল, ছড়াকার তছলিম খাঁ, মানবাধীকার কর্মী কানিজ ফাতেমা লিমা, মোহাম্মদ ইমতিয়াজ আহমেদ, সাইফুদ্দিন আহমেদ, মো. ইউনুচ ও রিদুয়ান পাপ্পু।

সভাপতির বক্তব্যে চট্টগ্রাম নাগরিক ফোরামের চেয়ারম্যান ব্যারিস্টার মনোয়ার হোসেন বলেন মাননীয় প্রধানমন্ত্রী ২০১০ সালে নতুন কালুরঘাট সেতু নির্মাণের প্রতিশ্রুতি দিয়েছিলেন। কিন্তু বিভিন্ন সময় সরকারের বিভিন্ন দপ্তরের নানা ধরনের পরামর্শ ও সমন্বয়হীনতার জন্য এ সেতু একনেকে অনুমোদন হয়নি। বৃহত্তর চট্টগ্রামের আপামর জনগনের দাবী বাস্তবায়নে সংশ্লিস্ট কর্তৃপক্ষকে সমন্বিত উদ্যোগ গ্রহনের আহবান জানান। পাশাপাশি দেশ ও জনগণের স্বার্থে কর্ণফুলির নতুন কালুরঘাট ‘সড়ক ও রেল সেতু’ একনেকে দ্রুত অনুমোদন ও নির্মাণকাজ শুরু করার দাবীতে বৃহত্তর চট্টগ্রামবাসীকে জোরালো ভূমিকা রাখার অনুরোধ জানান।

নিউজটি শেয়ার করুন


এই ক্যাটাগরীর আরো খবর..

মাননীয় প্রধানমন্ত্রীর পরামর্শ