সোমবার, ২৭ সেপ্টেম্বর ২০২১, ১০:৪৭ অপরাহ্ন

অনিয়ম ও ভোগান্তির আদর্শ উদাহরণ কিশোরগঞ্জ  পল্লী বিদ্যুৎ!!

রউফুল আলম
  • আপডেট টাইম: শনিবার ৫ ডিসেম্বর, ২০২০
  • ১৬১ বার পঠিত

আবু তাহের,  স্টাফ রিপোর্টার, কিশোরগঞ্জ (নীলফামারী) ঃ
নীলফামারী,কিশোরগঞ্জে পল্লী বিদ্যুৎ এর ভোগান্তি চরম পর্যায়ে, কারণে অকারণে বিদ্যুৎ সরবরাহ বন্ধ রাখা হয়। নতুন সংযোগ নিতে ওয়ার্নিং- মিটার বাবদ খরচ যদিও ২ হাজার টাকা, দিতে হয় ৫/৬ হাজার টাকা। বকেয়া বিল পরিশোধ না করলে সংযোগ বিচ্ছিন্ন করা হয়,  গ্রাহক বিল পরিশোধ করে সংযোগ চাইলে বানিজ্যের ধান্দা করে বিদ্যুৎ অফিসে।
গত প্রায় এক বছর পুর্বে উপজেলার সদর ইউনিয়ন ৫ নং ওয়ার্ডে ঐতহাসিক এতিমখানা মাদ্রাসার জামে  মসজিদ নির্মাণে বাধা হয়ে দাঁড়ায় পল্লী বিদ্যুৎ – এর তার। বিদ্যুৎ অফিসের দায়িত্বরত কর্মকর্তা কাছে লিখিত আবেদন করলে, পিলার সরানোর খরচ চায় ৮০ হাজার টাকা।
সভাপতি মোঃ আতাউর রহমান বলেন, অত গুলো টাকা দেয়া সম্ভব না হওয়ায়, মসজিদের কাজ বন্ধ থাকে বেশ কিছু দিন। পরে দালালের মাধ্যমে ১০ হাজর টাকা দিয়ে পাইপের ভিতরে তার ঢুকিয়ে কাজ করেন। তবে সমস্যার সমাধান হয়নি বরং ঝুঁকি বারছে , যেকোনো মুহুর্তে মাদ্রাসার শিক্ষক  ও ছাত্ররা দুর্ঘটনার শিকার হতে পারে।
উন্নয়ন কাজের অজুহাতে ঘন্টার পর ঘন্টা বিদ্যুৎ থাকে না। আগাম ঘোষণা না দিয়ে
সকাল ৮ টা থেকে বিকেল ৫টা পর্যন্ত বিদ্যুৎ বন্ধ রাখা হয় , অনেক সময় মধ্যরাতে বিদ্যুৎ বন্ধ করে রাখার ফলে বয়স্ক নারী-পুরুষ, শিশু ও অসুস্থদের দূর্ভোগ পোহাতে হচ্ছে।
রক্ষণাবেক্ষণের নামে বছরে ৫০/৬০ দিন বিদ্যুৎ বন্ধ রাখলেও সামান্য বৃষ্টি বা বাতাসে বিদ্যুৎ থাকে না।
এছাড়াও রয়েছে ভুতুড়ে বিদ্যুৎ বিল, যে কারণে ক্ষতিগ্রস্ত হচ্ছে অসংখ্য মানুষ।
এ ব্যাপারে পল্লী বিদ্যুৎ এর অজুহাতের শেষ নেই। এ বিষয়ে আমরা কথা বলতে চাইলে পল্লী বিদ্যুৎ কর্তৃপক্ষ কিছু বলতে নারাজ।
পল্লী বিদ্যুৎ কর্তৃপক্ষের মোবাইল নাম্বার- এর সাথে যোগাযোগ করতে চেষ্টা করলে খারাপ ব্যবহার ও অশ্লীল ভাসায় গালিগালাজের অভিযোগ রয়েছে সাধারণ গ্রাহকদের পক্ষ থেকে।
এতো কিছুর পরেও কিশোরগঞ্জ  জনপ্রতিনিধি ও নেতৃবৃন্দ নীরব ভূমিকায় রয়েছেন।
এই দূরবস্থা কবে শেষ হবে তা উপজেলা বাসীর জানা নেই। তাই সরকারের উচ্চপর্যায় থেকে এ ব্যাপারে সহযোগিতা কামনা করছেন অত্র এলাকার মানুষ।

নিউজটি শেয়ার করুন


এই ক্যাটাগরীর আরো খবর..

মাননীয় প্রধানমন্ত্রীর পরামর্শ