বৃহস্পতিবার, ২৩ সেপ্টেম্বর ২০২১, ০৫:২৩ অপরাহ্ন

কিশোরগঞ্জে ওয়ার্ল্ড ভিশন বাংলাদেশের সহায়তায় স্বাবলম্বীর পথে সহস্রাধিক পরিবার

রউফুল আলম
  • আপডেট টাইম: রবিবার ১৩ ডিসেম্বর, ২০২০
  • ২০৮ বার পঠিত

স্টাফ রিপোর্টার, কিশোরগঞ্জ (নীলফামারী)ঃ

নীলফামারী কিশোরগঞ্জ উপজেলায় রবিবার সকাল ১১ টার সময় ওয়ার্ল্ড ভিশন বাংলাদেশ কিশোরগঞ্জ এপির আয়োজনে ৫০ জন সহায়তাকারীকে নিয়ে এক মাসিক সভার আয়োজন করে, স্বত্তাধিকারী ডাঃ মোঃ আব্দুর রউফ বাদশাহ’র  কিশোরগঞ্জ টাউন সেন্টার কমপ্লেক্সে।

 

 

 

 

 

 

 

 

 

 

এ সময় উপস্থিত ছিলেন ওয়ার্ল্ড ভিশন  বাংলাদেশ, কিশোরগঞ্জ এপি ম্যানেজার পিকিং চাম্বু গং, প্রোগ্রাম অফিসার কৃষিবিদ মোঃ আমজাদ হোসেন, মিঃ শ্যামল মন্ডল ও প্রিন্ট  প্রিন্ট মিডিয়ার সাংদিকবৃন্দ।

উক্ত সমন্বয় সভা ও মাঠ পর্যায়ে গিয়ে জানা যায়, ওয়ার্ল্ড ভিশন একটি খ্রিষ্টান, মানবিক ত্রাণ, উন্নয়ন এবং এ্যাডভোকেসি সংস্থা যা বিশ্বের বৃহত্তম আন্তর্জাতিক সংস্থাগুলোর একটি। সমাজের হতদরিদ্র পরিবারকে সহায়তা করে তাদের জীবন-মানন্নোয়ন এবং দারিদ্রতা দূরীকরণে সংস্থাটি বদ্ধ পরিকর। ১৯৫০ সালে প্রতিষ্ঠিত ওয়ার্ল্ড ভিশন আজ বিশ্বের শতাধিক দেশে সেবা দিচ্ছে এবং জাতি-ধর্ম-বর্ণ নির্বিশেষে সবার সাথে অংশীদারিত্বের ভিত্তিতে একযোগে কাজ করে যাচ্ছে। তারেই ধারাবাহিকতায় নীলফামারীর কিশোরগঞ্জে ওয়ার্ল্ড ভিশনের এরিয়া প্রোগ্রাম অফিসের সহায়তায় স্বাবলম্বীর পথে হতদরিদ্র প্রায় সহস্রাধিক পরিবার। উত্তর বঙ্গের কিশোরগঞ্জ উপজেলা একটি মঙ্গা কবলিত এলাকা। একটি অবহেলিত জনপথ। এই এলাকার লোকজন খেয়ে না খেয়ে কোনো রকমে জীবিকা নির্বাহ করেন। তাদের পক্ষে স্বাবলম্বী হওয়া আকাশ জমিন ব্যবধান। কিন্তু কোনো বিত্তবান ব্যক্তি বা কোনো সংস্থার কাছ থেকে যদি একটু পুঁজি পেতো, তাহলে তাদের পক্ষে কিছুটা স্বাবলম্বী হওয়া সম্ভব হতো। এমনি দুঃসময়ে যেন দেবতার রুপে হাজির হলো ওয়ার্ল্ড ভিশন বাংলাদেশ নামের একটি খ্রিষ্টান, মানবিক ত্রাণ, উন্নয়ন এবং এ্যাডভোকেসি সংস্থা।

 

কিশোরগঞ্জ উপজেলার পিছিয়ে পড়া হতদরিদ্র পরিবারদের কাছে স্বাবলম্বীর যেন ভাগ্যদূত হয়ে দাঁড়ালেন। উপজেলার বিভিন্ন এলাকার হতদরিদ্র পরিবারের কাছে সাহায্যের হাত বাড়িয়ে দিলেন।

বাছাই করা হতদরিদ্র পরিবারকে স্বাবলম্বী হওয়ার জন্য ২ ( দুই)  হাজারের অধিক বকনা গরু উপহার হিসেবে দেন। যাতে এই গরু দিয়ে ধীরে ধীরে স্বাবলম্বী হতে পারে। অভাবের সময় একটি বকনা গরু পাওয়ায় খুবেই আনন্দিত হয়ে পুঁটিমারী ইউনিয়নের কালিপুরের মিনু বেগম বলেন, হামা গরীব মানুষ বাহে। কোনো রকমে সংসার চলাই। ছোয়া- পোলা নিয়ে অনেক কষ্টে জীবন কাটে। কোনো উন্নতি করতে সাধ্যে জোটে না। ওয়াল ভিশন নামের একটা সংস্থা মোক একটা দামুর (বকনা) গরু দেওয়ায় মুই অনেক খুশি। গরুুুটা  পুষিয়া মুই স্বাবলম্বী হবার চেষ্টা করিম। পাড়ার ইয়াসমিন আরা বলেন, এই অভাবের সময় একটি বকনা গরু পাওয়ায় মুই খুব খুশি।

 

বাহাগিলী ইউনিয়নের জুম্মারপাড় এলাকার তহমিনা ও নিলুফা বেগমসহ চাঁদখানা ইউনিয়নের কাঠগারীর ববিতা ও আয়েশা সিদ্দীকা, দক্ষিণ রাজীবের গ্রাম উন্নয়ন কমিটির সভাপতি আলতানুর রহমান, কিশোরগঞ্জ কামার পাড়া ভিডিসির সভাপতি আশরাফ আলী, রুপালী কেশবার আব্দুল হক, কিশোরগঞ্জ বানিয়া পাড়ার এনামুল হকসহ আর ও অনেকে এই কথা তুলে ধরেন। এবং এলাকার সচেতন ব্যক্তিরা মনে করছেন ওয়ার্ল্ড ভিশনের দেওয়া বকনা গরু হতদরিদ্র পরিবারকে স্বাবলম্বী করে তুলবে।

নিউজটি শেয়ার করুন


এই ক্যাটাগরীর আরো খবর..

মাননীয় প্রধানমন্ত্রীর পরামর্শ