বৃহস্পতিবার, ১৭ Jun ২০২১, ০৮:৪৩ পূর্বাহ্ন

বার বার যৌতুক দিয়েও স্বামীর প্রতারণার স্বীকার, অসহায় সাহিনা

রউফুল আলম, উপ-সম্পাদক
  • আপডেট টাইম: বুধবার ২২ জানুয়ারী, ২০২০
  • ২৬৯ বার পঠিত

মোঃ বাবুল হোসাইন, পঞ্চগড় জেলা প্রতিনিধিঃ

বোদা উপজেলা কাজল দিঘী কালিয়াগঞ্জ ইউনিয়নের আমতলা কাজি পাড়া গ্রামের আব্দুল মান্নানের ছেলে আবু সাঈদ এর সাথে একই ইউনিয়নের ফুলতলা কালিয়াগঞ্জ গ্রামের শাহাজদ্দীনের মেয়ে মোছাঃ সাহিনা আক্তারের সাথে গত ১৩/০১/২০১৯ ইং তারিখে আনুষ্ঠানিক ভাবে বিয়ে হয়। বিয়েতে যৌতুক হিসাবে আট ল টাকা প্রদান করে মেয়ে প । ছেলে আবু সাইদ চাকরি করে দেবীগঞ্জ উপজেলা সমাজ সেবা কার্যালয়ে কম্পিউটার অপারেটর পদে। সাহিনার বিয়ে এক মাস চব্বিশ দিন স্বামী সংসার করার পর আবারও একটি মোটর সাইকেলের জন্য সাহিনাকে মারপিট শুরু করে ,সাহিনা নির্যাতন সহ্য করতে না পেরে বাবার বারি চলে আসে, বাবার বারিতে চার মাস থাকার পর বাবার কাছ থেকে একটি ডিস্কোভার গাড়ি সাহিনার নামে কিনে জামাইকে দেয় অফিস যাতায়াতের জন্য। চারমাস পর সাহিনাকে মটর সাইকেল সহ নিয়ে যায় স্বামীর বাড়ি। গাড়ি দেওয়ার পরও চব্বিশ দিনের মাথায় আবারও মার পিঠ শুরু করে, পরিবারে শ্বশুর শ্বাশুরি ,ননদ দেবর সহ সবাই এক হয়ে সাহিনার প্রতি নির্যাতন চালায় এবং আরও বার ল্য টাকা যৌতুক দাবি করে, সাহিনাকে তার স্বামী বলে যে তোকে এমন এমন জায়গায় আঘাত করব যে তুমি কাউকে বলতেও পারবিনা দেখাতেও পারবিনা, এমন পাশন্ড স্বামী সাহিনার পরনের কাপড় রাখতে দেয়না,কাপড় গুলো পুড়িয়ে দেয় । যদি স্বামির ভাত খেতে চাও তাহলে তোমার বাবার কাছ থেকে বার ল্ টাকা নিয়ে আয়, নচেত এই মুহুর্তে বারি থেকে চলে যাও। সাহিনার রান্না করা তরিতরকারি রান্না করে রাখার পর তার শ্বাশুরি সাবিনা বেগম গোপনে লবন, ঝাল বেশি দিয়ে বউমাকে দায়ি করে। বিয়ের কাবিনে দেন মোহর চল্লিশ শতক জমি মেয়ের নামে রেজিষ্ট্রি করে দেওয়ার কথা থাকলেও তা দেয়া হয়নি বরং সেখানেও প্রতারনা করা হয়েছে। অথচ কাবিন নামায় চল্লিশ শতক জমি মৌজা শিকার পুর,খতিয়ান নং একশ,দাগ নং একশত নয়, জমির পরিমান চল্লিশ শতক উল্লেখ করে দেন মহরানা পরিশোধ দেখায়, যা মেয়ের দেনমোহরানা আজো পরিশোধ হয়নি, কাজি তার কাবিন নামা ভলিয়মে পরিশোধ দেখাল। সাহিনার পেটে যে বাচ্চা ধারন করেছে সেই পাশন্ড স্বামী আবু সাঈদ তার অরশ জাত সন্তান কে অস্বীকার করে বলছে সে সন্তান আমার নয়, সাহিনা বর্তমানে সাত মাসের অন্তসত্বা, ।সাহিনা তার দুচোখের পানি ফেলে অঝর নয়নে কাঁদছেন আর বলছেন তার দুঃখের কথা গুলো ।পাশন্ড স্বামী আবু সাইদের সাথে ফোনে যোগাযোগ করলে ফোন বন্ধ পাওয়া যায়। সাহিনা বেগম ন্যায় বিচার পাওয়ার জন্য বিভিন্ন জনের কাছে গিয়ে বিচার প্রার্থনা করছেন তার স্বামী সংসার করার জন্য।

নিউজটি শেয়ার করুন


এই ক্যাটাগরীর আরো খবর..

মাননীয় প্রধানমন্ত্রীর পরামর্শ