শনিবার, ৩১ Jul ২০২১, ০৬:৪৭ অপরাহ্ন

জলঢাকায় কাগজপত্র তৈরী করে অসহায় পরিবারের জমি দখলে মরিয়া ভূমি লোভীরা

রউফুল আলম
  • আপডেট টাইম: বৃহস্পতিবার ৭ জানুয়ারী, ২০২১
  • ১৭৪ বার পঠিত

রবিউল ইসলাম রাজ,বিশেষ প্রতিনিধিঃ
নীলফামারীর জলঢাকায় কাগজপত্র তৈরী করে অসহায় এক পরিবারের জমি দখলে নিতে মরিয়া হয়ে পড়েছে ভূমিলোভীরা এমন অভিযোগ উঠেছে। এতে সহযোগিতা করতেছে স্থানীয় অর্থলোভী কিছু মাতবর। এবিষয়ে জলঢাকা থানায় একটি অভিযোগ দায়ের করেছেন ভুক্তভোগী। অভিযোগে জানা যায়,উপজেলার ডাউয়াবাড়ি ইউনিয়নের ২নং ওয়ার্ডের সিদ্ধেশ্বরী গ্রামে মৃত মাহাতাব উদ্দিনের ছেলে আহেদুল ইসলাম (৪৮) তার বাবার নামীয় দলিল মুলে ক্রয়কালীন জে এল নং ৬৫,খতিয়ান নং ৩৯২,দাগ নং ৬২১ এর মধ্যে সাড়ে ৩৭ শতাংশ জমি শান্তিপূর্ণ ভাবে ভোগদখল করে। এসময় বাদী নাবালক থাকাকালীন প্রতিবেশী বিবাদী মৃত আকবর আলীর ছেলে আজগর আলী,মৃত নুর মোহাম্মদের ছেলে অহাদ্দি মামুদ ও মৃত তমদ্দি মামুদের ছেলে আব্দুস সামাদ বর্গা শর্তে ভোগদখল শুরু করে। এমনবস্থায় বিবাদীরা জমির জাল কাগজ তৈরী করে উক্ত জমি নিজের দাবী করে ভোগদখল ছেড়ে দিতে অস্বীকৃতি করে। বিবাদীরা যোগসাজশে বাদীকে জনসম্মুখে বিভিন্নরকম ভয়ভীতি প্রদর্শন করে। গত বছর ২০ সেপ্টেম্বর সকাল ১০ টায় বাদী আহেদুল ইসলাম তার বাবার নামীয় জমি বিবাদীদের ভোগদখল ছেড়ে দেওয়াসহ জমির কাগজপত্র দেখতে চাইলে বিবাদীরা পূর্বপরিকল্পিত ভাবে দেশী অস্ত্র দিয়ে বাদীকে ডাংমার করার চেষ্টা করলে এসময় স্থানীয় আতিকুল ইসলাম, জাহেদ বেগম, আজগার আলী ও আজিজার রহমান সহ উপস্থিত অনেকে বাদীকে কোনরকম রক্ষা করে। এসময় বিবাদীরা জনসম্মুখে বাদীকে বিভিন্ন রকম হুমকী প্রদর্শন করে। অভিযোগে আরও জানা যায়,কবালা খরিদা জমি নিতে গেলে ভূমিলোভী বিবাদীদ্বয় ডাংমারের হুমকীও প্রদর্শন করে। ভূমি লোভীদের সহযোগিতা করছেন স্থানীয় সাবেক ইউপি সদস্য ও স্থানীয় এসলাম উদ্দিন সহ কুচক্রী মহলের অনেকে। বাদী অসহায় ব্যক্তি হওয়ায় জমি উদ্ধারে একাধিকবার চেষ্টা করে ব্যর্থ হয় বলে জানায় অভিযোগকারীর পরিবার। সরেজমিনে প্রত্যক্ষদর্শীরা জানায়,কিছুদিন আগে থানার পুলিশ এসে বলেছিল বিষয়টা মিটমাট না হওয়া পর্যন্ত ওই জমিতে কেউ কোন কিছু করতে পারবে না। কিন্তু বিবাদীরা থানা অমান্য করে ওই কুচক্রী মহলের সহযোগিতায় রাতের আধারে জোরপূর্বক ভুট্টা রোপন করেছে। এ বিষয়ে অভিযুক্ত ব্যক্তি আজগর আলী স্বীকার করে বলেন,আহেদুল জমি পাবে।সে কোথায় পাবে? বের করে নিতে পারে না। আপনারা জমি ছেড়ে দিতেছেন না কোন? এমন প্রশ্নে বলেন,ওই দাগে আমিও জমি কিনেছি। জমির বিষয়ে এসলাম মামা ভালো জানে এই বলে সুকৌশলে সম্পূর্ণ বিষয়টি এড়িয়ে যায়। এবিষয়ে জলঢাকা থানা ইনচার্জ মোস্তাফিজুর রহমান এ প্রতিবেদককে বলেন,ঘটনা বিষয়ে একটি অভিযোগ এসেছে। প্রথমে যাকে তদন্তের জন্য দায়িত্ব দেয়া হয়েছিল সে প্রশিক্ষণ আছে। তাই,আর একজনকে দায়িত্ব দিয়ে পূনরায় তদন্ত সাপেক্ষে ব্যবস্থা নেয়া হবে।

নিউজটি শেয়ার করুন


এই ক্যাটাগরীর আরো খবর..

মাননীয় প্রধানমন্ত্রীর পরামর্শ