মঙ্গলবার, ২৭ Jul ২০২১, ০৬:৫১ অপরাহ্ন

কিশোরগঞ্জে শিশু বান্ধব ইপিআই কেন্দ্রে উপকরণ বিতরণ

রউফুল আলম
  • আপডেট টাইম: বৃহস্পতিবার ৪ ফেব্রুয়ারী, ২০২১
  • ১২৯ বার পঠিত

ইন্দো-বাংলা নিউজ ডেক্সঃ
নীলফামারীর কিশোরগঞ্জে গ্রাম উন্নয়ন কমিটি (ভিডিসি) কেন্দ্র গুলোতে শিশু বান্ধব ইপিআই উপকরণ বিতরণ অনুষ্ঠান অনুষ্ঠিত। গতকাল কিশোরগঞ্জ এরিয়া প্রোগ্রাম, ওয়ার্ল্ড ভিশন বাংলাদেশের আয়োজনে এপি হল রুমে অনুষ্ঠিত শিশুবান্ধব ইপিআই কেন্দ্র সমূহে বিভিন্ন উপকরণ সামগ্রী বিতরণ করা হয়।
উক্ত অনুষ্ঠানে এপি প্রোগ্রাম অফিসার কৃষিবিদ মোঃ আমজাদ হোসেন বলেন, ইপিআই কেন্দ্র সমূহে উপকরণ বিতরণের উদ্দেশ্যে হলোঃ মা ও শিশু স্বাস্থ্য ও পরিবার পরিকল্পনা কার্যক্রমে নিয়োজিত সরকারী প্রতিষ্ঠান সমূহকে সম্প্রসারিত টিকাদান কর্মসূচী (ইপিআই) কার্যক্রম সহ শিশু স্বাস্থ্য কার্যক্রম বাস্তবায়ন সহায়ক নিশ্চিত ও জোরদার করণে সহযোগিতা করা এবং সুন্দর পরিবেশ বান্ধব গ্রাম গড়া।
অন্যান্য প্রোগ্রাম অফিসারদের মধ্যে উপস্থিত ছিলেন, মি.শ্যামল মন্ডল, মি. মিন্টু বিশ্বাস, সানজিদা আনসারী প্রমুখ। তারা বলেন, গণপ্রজাতন্ত্রী বাংলাদেশ সরকারের স্বাস্থ্যসেবায় সম্প্রসারিত টিকাদান কর্মসূচি (ইপিআই) একটি গুরুত্বপূর্ণ, উল্লেখযোগ্য এবং সময়োপযোগী পদক্ষেপ। ইপিআই একটি বিশ্বব্যাপী কর্মসূচি যার মূল লক্ষ্য হচ্ছে সংক্রামক রোগ থেকে শিশুদের অকালমৃত্যু ও পঙ্গুত্ব রোধ করা। সম্প্রসারিত টিকাদান কর্মসূচি শুরু করার আগে বাংলাদেশে প্রতি বছর প্রায় আড়াই লাখ শিশু ৬টি রোগে মারা যেত। দেখা গেছে, পাঁচ বছরের কম বয়সী শিশুদের রোগ ও মৃত্যুর ঝুঁকি সবচেয়ে বেশি এবং মৃত্যুর তিন ভাগের এক ভাগ মারা যেতো ডায়রিয়া রোগে, এক ভাগ ৬টি প্রতিরোধযোগ্য রোগে এবং বাকি এক ভাগ অন্যান্য রোগে। এর মধ্যে আবার এক বছরের কম বয়সী শিশুমৃত্যুর হার অনেক বেশি। ১৯৭৯ সালের ৭ এপ্রিল বাংলাদেশে ১ বছরের কম বয়সী সকল শিশুদের ৬টি সংক্রামক রোগের টিকা দেয়ার মাধ্যমে ইপিআই কার্যক্রম শুরু হয়। এ রোগগুলো হলো শিশুদের হুপিংকাশি, মা ও নবজাতকের ধনুষ্টংকার এবং হাম। নিয়মিত টিকাদান কার্যক্রমের মাধ্যমে এই ৬টি রোগের কারণজনিত মৃত্যুর হার উল্লেখযোগ্যভাবে কমে গেছে।বাংলাদেশে টিকাদান কর্মসূচির উদ্দেশ্য- শিশু ও মাতৃ মৃত্যুর হার এবং শিশুর পঙ্গুত্বের হার কমানো। সেবা প্রদান পদ্ধতি (সংক্ষেপে) ইপিআই কর্মসূচি বাস্তবায়নের জন্য জাতীয় প্রচার মাধ্যম ও আন্তঃব্যক্তিক যোগাযোগের মাধ্যমে ব্যাপক প্রচার করা হয়। নির্ধারিত দিনে টিকাদান কেন্দ্রে অথবা হাসপাতালে ০-১১ মাস বয়সি শিশুদের নিয়ে আসতে হয়। অতঃপর কর্মসূচি অনুযায়ী (প্রাপ্যতা অনুযায়ী) যক্ষ্মা, ডিপথেরিয়া, ধনুষ্টংকার, হুপিংকাশি, পোলিও, হেপাটাইটিস বি, হিমো-ইনফ্লুয়েঞ্জা বি, হাম ও রুরেলা এই ৯টি  রোগের প্রতিষেধক টিকা প্রয়োগ করা হয়।
কিশোরগঞ্জ এরিয়া প্রোগ্রাম, ওয়ার্ল্ড ভিশন বাংলাদেশ শিশুদের জন্ম নিবন্ধন সহ পুষ্টি  শিক্ষা ও সম্পুরক মাইক্র- নিউট্রিয়েন্ট প্রদানে সহযোগিতা করা। ইপিআই সেবা প্রদান পদ্ধতির মধ্যে প্রাপ্যতা অনুযায়ী যক্ষ্মা, ডিপথেরিয়া, ধনুষ্টংকার, হুপিং কাশি, পোলিও, হেপাটাইটিস বি, হিমো ইনফ্লুয়েঞ্জা বি, হাম ও রুবেলা এই ৯ টি রোগের প্রতিষেধক টিকা প্রয়োগ করায় সহযোগিতা করার মাধ্যমে সুন্দর পরিবেশ বান্ধব গ্রাম গড়া।

নিউজটি শেয়ার করুন


এই ক্যাটাগরীর আরো খবর..

মাননীয় প্রধানমন্ত্রীর পরামর্শ