মঙ্গলবার, ২৫ জানুয়ারী ২০২২, ০৭:৪৭ পূর্বাহ্ন

বঙ্গবন্ধুর আদর্শ নতুন প্রজন্মের হৃদয়ে ধারণ করার উদ্যোগ নিতে হবে- মোস্তাফা জব্বার

ইন্দোবাংলা রিপোর্ট
  • আপডেট টাইম: রবিবার ১৪ মার্চ, ২০২১
  • ২৯৬ বার পঠিত
ছবিঃ সংগৃহীত

ডাক ও টেলিযোগাযোগ মন্ত্রী মোস্তাফা জব্বার বলেছেন, বাঙালি জাতির জন্য বঙ্গবন্ধু শেখ মুজিবুর রহমানের ত্যাগ, তাঁর অবদান ও আদর্শ জাতির হাজার বছরের ইতিহাসের এক অবিস্মরণীয় অধ্যায়। আগামী দিনের সমৃদ্ধ জাতি বিনির্মাণের শক্তিশালী হাতিয়ার হিসেবে নতুন প্রজন্মকে গড়ে তুলতে বঙ্গবন্ধুর আদর্শ তাদের হৃদয়ে ধারণ করার উদ্যোগ নিতে হবে।

মন্ত্রী গতকাল জাতির পিতা বঙ্গবন্ধু শেখ মুজিবুর রহমানের জন্মশতবার্ষিকী উদ্‌যাপন উপলক্ষ্যে অনলাইনে জেলা প্রশাসন নেত্রকোণা আয়োজিত ‘শতবর্ষে শত অনুষ্ঠান’ সংক্রান্ত মত বিনিময় সভায় প্রধান অতিথির বক্তৃতায় এসব কথা বলেন।

মন্ত্রী স্বাধীনতা অর্জনে বঙ্গবন্ধুর সুদৃঢ় নেতৃত্ব, দূরদর্শীতা আত্মত্যাগ তুলে ধরে বলেন, বাংলাদেশকে জানতে হলে বঙ্গবন্ধুকে অধ্যয়ন করতে হবে, তাঁকে জানতে হবে। বঙ্গবন্ধুকে নিয়ে সম্পাদিত প্রকাশনা বড় সম্পদ হতে পারে। চিরন্তন বঙ্গবন্ধুকে স্মরণীয় করে রাখার জন্য নেত্রকোণা জেলা প্রশাসন ‘বঙ্গবন্ধু ও মুক্তিযুদ্ধ’ একটি সংকলন প্রকাশের উদ্যোগকে মন্ত্রী মহৎ উদ্যোগ বলে উল্লেখ করেন। তিনি বঙ্গবন্ধুর ওপর প্রকাশনাসমূহ উন্নতমানের সম্পাদনার প্রয়োজনীয়তার ওপর গুরুত্বারোপ করেন।

মোস্তাফা জব্বার নেত্রকোণায় ছয়বার বঙ্গবন্ধুর আগমন করেছেন উল্লেখ করে বলেন, নেত্রকোণার মানুষের জীবনধারা, বঙ্গবন্ধুর সৈনিক হিসেবে এখানকার মানুষের কাজ করার প্রবণতা বঙ্গবন্ধুকে আকৃষ্ট করেছে। মন্ত্রী গত ১২ বছরে বঙ্গবন্ধুর লালিত স্বপ্নের সোনার বাংলা প্রতিষ্ঠা বাস্তবায়ন চিত্র তুলে ধরে বলেন, প্রধানমন্ত্রী শেখ হাসিনার গতিশীল ও প্রজ্ঞাবান নেতৃত্বে বাংলাদেশের যে রূপান্তর ঘটেছে তা সারা দুনিয়ার কাছে এক বিস্ময়, এটি অনুকরণীয় দৃষ্টান্ত। শেখ হাসিনার ডিজিটাল বাংলাদেশ হচ্ছে সুখী সমৃদ্ধ ও বৈষম্যহীন বাংলাদেশ।

ময়মনসিংহের বিভাগীয় কমিশনার কামরুল হাসানের সভাপতিত্বে এবং নেত্রকোণার জেলা প্রশাসক কাজি আবদুর রহমানের সঞ্চালনায় অনুষ্ঠানে সংসদ সদস্য অসীম কুমার উকিল ও হাবিবা রহমান খান, আইএমইডি সচিব প্রদীপ রঞ্জন চক্রবর্তী, সাবেক সচিব উজ্জ্বল বিকাশ দত্ত, কবি নির্মলেন্দু গুণ, অধ্যাপক যতীন সরকার এবং শেখ হাসিনা বিশ্ববিদ্যালয়ের ভিসি ড. রফিক উল্লাহ প্রমূখ বক্তৃতা করেন।

বক্তারা জাতির পিতা বঙ্গবন্ধু শেখ মুজিবুর রহমানের জন্মশতবার্ষিকী উদ্‌যাপন উপলক্ষ্যে “শতবর্ষে শত অনুষ্ঠান” উক্ত শিরোনামে ১০০ দিনের ১০০ টি সাংস্কৃতিক অনুষ্ঠানের ব্যতিক্রমী ও অংশগ্রহণমূলক কর্মসূচি গ্রহণ করায় জেলা প্রশাসনের ভূমিকার প্রশংসা করেন।

ইন্দোবাংলা/আর. পি

নিউজটি শেয়ার করুন


এই ক্যাটাগরীর আরো খবর..

মাননীয় প্রধানমন্ত্রীর পরামর্শ