বুধবার, ১৬ Jun ২০২১, ১১:২৫ অপরাহ্ন

ঝিনাইদহ ইটভাটায় বিপর্যস্ত পরিবেশ, হুমকিতে জনস্বাস্থ্যঃ সাংবাদিক শাহানূরের সুপারিশ

নিজস্ব প্রতিবেদক
  • আপডেট টাইম: বৃহস্পতিবার ৩০ জানুয়ারী, ২০২০
  • ৫৭৯ বার পঠিত

মাটি, পানি, বাতাস কোনটাই রেহাই পায় না ইটভাটার দূষণ থেকে। পরিবেশ অধিদফতরের ছাড়পত্র নিয়ম না মেনেই চলছে মেসার্স স্টার ব্রিকস্ ইটভাটা। কম উচ্চতার চিমনিতে ইট পোড়ানো হয়। বেশিরভাগেই অবৈধভাবে ড্রাম চিমনি বসানো। ধানী জমির পার্শ্বে, ঝিনাইদহ-চুয়াডাঙ্গার প্রধান সড়ক যা বৈডাঙ্গা বাজার সংলগ্ন ইটভাটা। ফলে মানুষের যেমন ক্ষতি হয়, তেমনি ইটভাটার আশে পাশের ফসল, গাছপালা মরে যায়।

ইটভাটায় বনজ, ফলদ গাছ পোড়ানো হয়। এসব দেখার কেউ নেই। সংবাদপত্রে প্রচুর ইটভাটা সংক্রান্ত সংবাদ ছাপা হয়। তবে কর্তৃপক্ষ ব্যবস্থা নিয়েছে এমন শোনা যায় কমই। স্থানীয় প্রশাসনকে ম্যানেজ করে অবৈধ ইটভাটাগুলো টিকে আছে। আধুনিক প্রযুক্তি ব্যবহার করে ইট পোড়ানো যায়। এতে পরিবেশের কম ক্ষতি হয়। বেশি লাভের জন্য আধুনিক প্রযুক্তি ব্যবহারে ইটভাটার মালিকরা উৎসাহী নয়। তাদের অনেকে আবার উন্নত প্রযুক্তির বিষয়ে জানেই না। ফলে দিনের পর দিন ক্ষতিকর ইটভাটার সংখ্যা বাড়ছে। বাড়ছে পরিবেশ দূষণ। ইটের বিকল্প কাচ আছে। তবে তা দামে সস্তা নয়। গ্রামের লোকজন কাচের ব্যবহার কম জানে। তারা ইটের দেয়াল দেখতে অভ্যস্ত। তাই ইটের বি

কল্প নেই এই মুহূর্তে। পরিবেশ সুরক্ষা করে ইট পোড়াতে বাধ্য করতে হবে। ইটভাটার মালিকরা আইনের ঊর্ধ্বে নয়। কিছুদিন সময় দিয়ে বলা দরকার, কতদিনের মধ্যে তারা ইটভাটায় আধুনিক প্রযুক্তির ব্যবহার নিশ্চিত করবে, গাছ পোড়ানো সম্পূর্ণ বন্ধ করবে।

২০১৯ (জ) সনের ইট প্রস্তুত ও ভাটা স্থাপন (নিয়ন্ত্রণ) আইন, ২০১৩ সংশোধনকল্পে প্রণীত আইনে পরিবেশ অধিদপ্তরের অবস্থানগত ছাড়পত্রের শর্তাবলি যথাযথভাবে অনুসরণ করিতে হইবে, এবং পরিবেশগত ছাড়পত্র গ্রহণ ব্যতীত ইটভাটা চালু করা যাইবে না। বিশেষ কোনো স্থাপনা, রেলপথ, শিক্ষা প্রতিষ্ঠান, হাসপাতাল ও ক্লিনিক, গবেষণা প্রতিষ্ঠান, বা অনুরূপ কোনো স্থান বা প্রতিষ্ঠান হইতে কমপক্ষে ১ (এক) কিলোমিটার দূরত্বের মধ্যে ইটভাটা করা যাবে না।

তবে এ আইন জানার পরেও মেসার্স স্টার ব্রিকসের প্রোঃ তাজুল ইসলামের সাথে যোগাযোগ করতে চাইলে; বিভিন্ন অজুহাতে এড়িয়ে যান।

দৈনিক ইত্তেফাকের হরিনাকুন্ডু (ঝিনাইদহ) প্রতিনিধি ও আঃ রউফ ডিগ্রি কলেজের প্রভাষক শাহানূর আলমের ছত্রছায়ায় এমন একাধিক প্রতিষ্ঠান চলে বলে একাধিক ব্যক্তিরা জানান।

জেলা পরিবেশ অধিদপ্তর উপ-পরিচালক কামরুল ইসলাম বলেন, এ বিষয়ে কোন বক্তব্য দিতে পারব না। জেলা প্রশাসক ও জেলা ম্যাজিস্ট্রেট সরোজ কুমার নাথ বলেন, এ বিষয়ে অতিদ্রুতগতিতে পদক্ষেপ গ্রহন করা হবে। ইতিঃমধ্যে কয়েকটি ইটভাটায় বনজ, ফলদ গাছ পোড়ানো অপরাধে জরিমানা করা হয়েছে।

নিউজটি শেয়ার করুন


এই ক্যাটাগরীর আরো খবর..

মাননীয় প্রধানমন্ত্রীর পরামর্শ