শনিবার, ৩১ Jul ২০২১, ০৫:০৯ অপরাহ্ন

শাস্ত্রীয় সংগীতের শ্রোতাদর্শক কম, সংগীত সাধক বিজয় সরকার

জাহিদ হাসান নিশান, বিনোদন প্রতিবেদক
  • আপডেট টাইম: বুধবার ৫ মে, ২০২১
  • ৪০৭ বার পঠিত

সংগীতের অসংখ্য শাখা-প্রশাখা রয়েছে। এর মধ্যে গাওয়া কিংবা শোনার জন্য অন্যতম জটিল, বিশুদ্ধ ও শ্রতিমধুর একটি শাখা হলো শাস্ত্রীয় সংগীত। এদেশে শাস্ত্রীয় সংগীতের শ্রোতা যেমন সীমিত, তেমনি শিল্পীর সংখ্যাও হাতেগোনা।

যারা নিরন্তর সাধনার মধ্য দিয়ে বাংলা শাস্ত্রীয় সংগীতকে নিয়ে গেছেন উচ্চতার শিখরে, তাদের মধ্যে অন্যতম এক সুরের জাদুকর বিজয় সরকার ।

প্রারম্ভিক জীবনে শুরুটা করেছিলেন মা ‘মাধবী সরকারের কাছে। নিরন্তর সাধনা করে গানটাকে আয়ত্বে নিয়ে শাস্ত্রিয় সংগীতের প্রতিটি শাখায় নিজের দক্ষতাকে বৃদ্ধি করে অনেকদূর নিয়ে যান তিনি হয়ে ওঠেন এদেশের অন্যতম সংগীত-সাধক।

বিজয় সরকারের জন্ম ১৯৬৫সালের ২১ জানুয়ারী সুনামগঞ্জে। তাঁর গ্রামের বাড়ি ও জন্মস্থান সুনামগঞ্জের শাল্লা উপজেলায়। গ্রামের একটা প্রাইমেরী স্কুল থেকে শিক্ষাজিবন শুরু করে চিটাগাং ইউনিভার্সিটি থেকে গ্র্যাজুয়েশন সম্পন্ন করেন তিনি।

নিভৃতচারী সুরসাধক বিজয় সরকার দেশের সব বেসরকারি টেলিভিশনে গান পরিবেশন করছেন নিয়মিত। শাস্ত্রীয় সংগীতের পাশাপাশি বিজয় সরকার গেয়েছেন আধুনিক বাংলা গানও। নিজের লেখা সুরে ভিন্ন স্বাদের দারুণ সব গান উপহার দিচ্ছেন তিনি। বিজয় সরকার প্রায় ২০০ এর বেশি গান লিখেছেন এবং সুর করেছেন প্রায় ১০০ গানের।

এ প্রসঙ্গে বিজয় সরকার বলেন, ভালো গানের শ্রোতা হয়তো কম, কিন্তু যারা ভালো গান শোনেন তাদের প্লে-লিস্টে আমি অবশ্যই থাকি। মানসম্মত শ্রোতাদের জন্য জিবনের বাঁকি সময় এই গানের পথেই হাঁটতে চাই, রেখে যেতে চাই আমার সব সৃষ্টি, সম্মানিত শ্রোতারা আমাকে যেমন আগেও ভালোবেসেছেন তেমনই ভালোবাসবেন জিবনের শেষ দিন অব্দি।

ইন্দোবাংলা টুয়েন্টিফোর ডটকমের পক্ষ থেকে সংগীত সাধক এই প্রবীণ কন্ঠ শিল্পী গীতিকার ও সুররকার “বিজয় সরকার ” এর জন্য থাকলো অনেক শুভ কামনা।

ইন্দোবাংলা/এম. আর

নিউজটি শেয়ার করুন


এই ক্যাটাগরীর আরো খবর..

মাননীয় প্রধানমন্ত্রীর পরামর্শ