শনিবার, ৩১ Jul ২০২১, ০৫:২২ অপরাহ্ন

মৃত্যুর চার বছর পর সুদের দাবিতে ঋণ গ্রহীতার বিধবা স্ত্রী ও কন্যাকে নির্যাতন

সেলিম রেজা, স্টাফ রিপোর্টার
  • আপডেট টাইম: সোমবার ৭ জুন, ২০২১
  • ৩৩৮ বার পঠিত

জয়পুরহাটে পাঁচবিবিতে মৃত্যুর চার বছর পর সুদের দাবিতে ঋণ গ্রহীতার বিধবা স্ত্রী ও কন্যাকে নির্যাতনের অভিযোগ উঠেছে। বরিবার বিকেলে খালেদা খাতুন (২৫) নামে এক নারী পাঁচবিবি থানায় লিখিত করেন।

অভিযোগ ও স্থানীয় সুত্রে জানা যায়, প্রায় ৪বছর আগেই আ: খালেক মারা যায়। কিন্তু মরহুম এই ব্যক্তির পরিবারের নিকট থেকে দাদনের টাকা প্রাপ্তিতে গত শুক্রবার সন্ধ্যার দিকে পাঁচবিবি উপজেলার রহমতপুর গ্রামের দাদন ব্যবসায়ী গোলজার মন্ডলের নেতৃতে ১৫/২০জন লোক মটরসাইকেল নিয়ে একই উপজেলার শুকানপুকুর গ্রামে মরহুম আ: খালেকের বাড়ীতে যায়। এ সময় অভিযুক্ত গোলজার দাবি তুলে যে, জীবিত থাকাকালে আ: খালেক তার (গোলজার) নিকট ব্যাংক হিসাবের ফাঁকা চেক জমা রেখে দাদন বাবদ প্রায় ২লক্ষ টাকা নিয়েছিলেন। যা পরিশোধের জন্য মরহুম আ: খালেকের পরিবারকে চাপ দেয়। তখন আ: খালেকের পরিবারের সদস্যরা দাদন ব্যবসায়ী গোলজারকে জানান যে, টাকা লেনদেনের বিষয়টি তাদের অজানা। তাই তারা টাকা দিতে অসম্মতি জানায়। এ অবস্থায় ক্ষিপ্ত হয়ে গোলজার মন্ডলের নেতৃতে ১৫/২০জন লোক আ: খালেকের পরিবারের সদস্যদের প্রতি অমানবিক নির্যাতন চালায়। সে সময় ওই পরিবারের সদস্যদের ঘর থেকে নগদ পঁচাত্তর হাজার, প্রয়োজনীয় কাগজপত্র, একভরি ওজনের স্বর্ণের চেইন, কানের দুল ও আংটি কেড়ে নিয়ে যাওয়ার পথে হুমকি দিয়ে চলে যায় বলে অভিযোগ পত্রে উল্লেখ আছে।

এ ব্যাপারে গোলজার হোসেন বলেন, “আ: খালেক বেঁচে থাকতে আমার কাছ থেকে ফাঁকা ব্যাংক হিসাবের চেক রেখে ২ লক্ষ ২৬ হাজার টাকা হাওলাদ বাবদ নেয়। তা পরিশোধ না করেই মৃত্যুবরণ করে। যা এখন সুদ আসলে ৫ লক্ষ হয়েছে। পাওনা টাকাগুলো তোলার জন্য মরহুমের আ: খালেকের বাসায় কেউ গিয়েছিল কিনা তা আমি জানি না।”

পাঁচবিবি থানার অফিসার ইনচার্জ (ওসি) পলাশ চন্দ্র দেব জানান, এ ব্যাপারে অভিযোগ পেয়েছি তদন্ত সাপেক্ষে ব্যবস্থা গ্রহণ করা হবে।

ইন্দোবাংলা/আর. কে

নিউজটি শেয়ার করুন


এই ক্যাটাগরীর আরো খবর..

মাননীয় প্রধানমন্ত্রীর পরামর্শ