বৃহস্পতিবার, ১৭ Jun ২০২১, ০৪:২৬ পূর্বাহ্ন

কপোতাক্ষ নদের পর এবার ঝিনাইদহ জেলা পরিষদের জায়গা দখল করছে মহেশপুর পৌরসভা

জ্যেষ্ঠ প্রতিবেদক
  • আপডেট টাইম: সোমবার ৩ ফেব্রুয়ারী, ২০২০
  • ৩৭৩ বার পঠিত

ঝিনাইদহঃ ঝিনাইদহ জেলা পরিষদের স্থাপনা গুড়িয়ে জায়গা দখল করে নিচ্ছে মহেশপুর পৌরসভা। এ নিয়ে জেলা পরিষদের কোন উচ্চবাচ্য নেই।

মহেশপুরে ২০০৫-০৬ অর্থ বছরে নির্মান করা হয়েছিল জেলা পরিষদ অডিটরিয়াম কাম কমিউনিটি সেন্টার। উদ্বোধনের পর থেকে নিয়মিত সভা-সমাবেশসহ নানা অনুষ্ঠান হচ্ছে এই অডিটরিয়ামে। অডিটরিয়ামের জায়গায় দখল করতে মহেশপুর পৌরসভা সেখানে থাকা উদ্বোধন ফলকটি ভেঙ্গে গুড়িয়ে দিয়েছে। ভেঙ্গে ফেলেছে উদ্বোধনের নামফলকটি।

পৌরসভা কর্তৃপক্ষ বলছেন, এখানে বসার জন্য বেঞ্চ তৈরী হবে। এছাড়া পার্শবর্তী জায়গাগুলো মাটি ফেলে সমতল করা হচ্ছে। এলাকাটি সুন্দর করতেই এই উদ্যোগ নেওয়া হয়েছে। যে কারনে নামফলকটি ভাঙ্গতে হয়েছে।

ঝিনাইদহ জেলা পরিষদ সুত্রে জানা গেছে, ২০০৫-০৬ অর্থ বছরে এক কোটি ১৪ লাখ টাকা ব্যয়ে এই অডিটরিয়াম নির্মান করা হয়। ২০০৬ সালের ৭ মে এই অডিটরিয়াম কাম কমিউনিটি সেন্টারের উদ্বোধন করেন তৎকালীন মন্ত্রী মরহুম আব্দুল মান্নান ভুইয়া।

উদ্বোধনের সময় সেখানে একটি নামফলক নির্মান করা হয়। কিন্তু হঠাৎ করে অডিটরিয়ামের জায়গা দখল করতে স্থানিয় পৌরসভা কর্তৃপক্ষ সেখানে থাকা নামফলকটি ভেঙ্গে গুড়িয়ে দিয়ে মাটি ফেলা শুরু করেছে।

নাম প্রকাশ না করার শর্তে স্থানীয় মানুষ জানান, পৌরসভা কর্তৃপক্ষ যে জায়গাটুকু দখল করছেন তার সবই অন্যের জায়গা। জেলা পরিষদের জায়গা দখল করতে সেখানে থাকা স্থাপনা ভাঙ্গতে হয়েছে। আর জেলা পরিষদের পাশাপাশি মাধ্যমিক বিদ্যালয়ের জায়গা দখল করছে। এটা করতে স্কুলের জায়গায় মাটি ফেলা হয়েছে। যে জায়গাটিতে মহেশপুর উপজেলার কেন্দ্রিয় শহীদ মিনার রয়েছে।

স্থানিয়রা বলছেন, এখানে মিনি পার্ক হলে অডিটরিয়ামের ভাড়া কমে যাবে। যারা অনুষ্ঠান করতে আসবেন তারা নানা সমস্যায় পড়বেন। যে কারনে অডিটরিয়ামের দিক থেকে মানুষ মূখ ফিরিয়ে নেবে।

এ বিষয়ে ঝিনাইদহ জেলা পরিষদের সচিব রেজাউ রাফিন সরকার জানান, জেলা পরিষদের জায়গা কেউ দখল করবে এটা হতে পারে না। তাছাড়া সেখানে স্থাপনা রয়েছে। জেলা পরিষদকে এ বিষয়ে কেউ কোনো অবহিত করেননি বলে তিনি জানান। তিনি আরো বলেন, বিষয়টি খোজ নিয়ে দেখবেন।

এ বিষয়ে মহেশপুর পৌরসভার প্রকৌশলী মিজানুর রহমান জানান, জায়গাটির সৌন্দয্য বৃদ্ধি করতে এই উদ্যোগ নেওয়া হয়েছে। এখানে একটি মিনি পার্ক হবে, যেখানে বসার জায়গা থাকবে। জনসাধারণ এখানে সময় কাটাতে পারবেন।

নিউজটি শেয়ার করুন


এই ক্যাটাগরীর আরো খবর..

মাননীয় প্রধানমন্ত্রীর পরামর্শ