শুক্রবার, ০৩ ডিসেম্বর ২০২১, ০৪:২৪ পূর্বাহ্ন

দেশে উৎপাদিত ফাইভ-জি মোবাইল যুক্তরাষ্ট্রে যাচ্ছে -ডাক ও টেলিযোগাযোগ মন্ত্রী

জ্যেষ্ঠ প্রতিবেদক
  • আপডেট টাইম: বৃহস্পতিবার ২১ অক্টোবর, ২০২১
  • ৫১ বার পঠিত
ছবিঃ সংগৃহীত

ডাক ও টেলিযোগাযোগ মন্ত্রী মোস্তাফা জব্বার বলেছেন, দেশের কারখানায় উৎপাদিত ফাইভ-জি মোবাইল ফোন সেট যুক্তরাষ্ট্রে রপ্তানি হচ্ছে। সৌদি আরবে ইন্টারনেট অভ্ থিংস (আইওটি) ডিভাইস রপ্তানি করা হচ্ছে। বিশ্বের ৮০টি দেশে বাংলাদেশ থেকে সফটওয়্যার রপ্তানি হচ্ছে। এছাড়া, সৌদি আরব ও ভারতসহ বিভিন্ন দেশে ইন্টারনেট ব্যান্ডউইথ রপ্তানি করা হচ্ছে।

মন্ত্রী বৃহস্পতিবারে মন্ত্রণালয়ে তাঁর দপ্তর থেকে বাংলাদেশে শাওমি মোবাইল ফোনের কারখানায় উৎপাদিত ‘মেড ইন বাংলাদেশ’ ব্র্যান্ডের মোবাইলের উদ্বোধন অনুষ্ঠানে ভার্চুয়ালি প্রধান অতিথির বক্তৃতায় এ কথা বলেন। শাওমির বাংলাদেশ কান্ট্রি ডিরেক্টর জিয়াউদ্দিনের সভাপতিত্বে অনুষ্ঠানে বিশেষ অতিথি হিসেবে বক্তৃতা করেন প্রধানমন্ত্রীর বেসরকারি শিল্প ও বিনিয়োগ বিষয়ক উপদেষ্টা সালমান এফ রহমান এবং তথ্যপ্রযুক্তি প্রতিমন্ত্রী জুনাইদ আহমদে পলক।

মন্ত্রী বলেন, দেশে এখন ১৪টি মোবাইল ফ্যাক্টরি থেকে উৎপাদিত মোবাইল সেট দেশের মোট চাহিদার শতকরা ৬৫ ভাগের বেশি পূরণ করছে। চাহিদার শতকরা ৮০ ভাগ র্স্মাটফোন দেশেই উৎপাদিত হচ্ছে। তিনি বলেন, সাবমেরিন ক্যাবল ও মহাকাশে স্যাটেলাইটসহ দেশের প্রতিটি ইউনিয়ন, র্দুগম চরাঞ্চল, হাওর, দ্বীপ ও র্পাবত্য অঞ্চলে ব্রডব্যান্ড ইন্টারনেট সংযোগ এবং ফোরজি সার্ভিস পৌঁছে দেওয়ায় দেশে শক্তিশালী ডিজিটাল অবকাঠামো গড়ে উঠেছে।

মন্ত্রী আরো বলেন, দেশে অবস্থিত মোবাইল ফোন কারখানাসমূহের শতকরা ৯৯ ভাগ কর্মী এ দেশের সন্তান। তাঁরা অত্যন্ত দক্ষতার সাথে কাজ করছেন। দেশের ডিজিটাল প্রযুক্তি বিকাশ এবং এ খাতে বিনিয়োগে আকৃষ্ট করতে সরকারের গৃহীত প্রযুক্তিবান্ধব বিভিন্ন কর্মসূচি এসময় তুলে ধরেন তিনি।

প্রধানমন্ত্রীর বেসরকারি শিল্পখাত ও বিনিয়োগ বিষয়ক উপদেষ্টা সালমান এফ রহমান বলেন, ডিজিটাল বাংলাদেশ উদ্যোগের অংশ হিসেবে বাংলাদেশে শাওমির প্রথম উৎপাদন ইউনিট স্থাপনের মাধ্যমে দেশের তরুণদের জন্য আরো সুযোগ সৃষ্টি হবে এবং বৈশ্বিক মানের ইলেকট্রনিক্স ম্যানুফ্যাকচারিং ইকোসিস্টেম প্রতিষ্ঠা হবে।

তথ্য ও যোগাযোগ প্রযুক্তি প্রতিমন্ত্রী জুনাইদ আহমেদ পলক স্থানীয়ভাবে স্মার্টফোন উৎপাদন কারখানা চালুর জন্য শাওমিকে ধন্যবাদ জানিয়ে বলেন, এটি ডিজিটাল বাংলাদেশ বাস্তবায়নে সহায়তা করবে এবং এর মাধ্যমে ‘মেড ইন বাংলাদেশ’ উদ্যোগ আরো এক ধাপ এগিয়ে গেলো। এখন থেকে দেশের মানুষ বিশ্বমানের শাওমির সর্বশেষ সব উদ্ভাবনী পণ্য উপভোগ করবে বলে তিনি আশাবাদ ব্যক্ত করেন।

ইন্দোবাংলা/এম. আর

নিউজটি শেয়ার করুন


এই ক্যাটাগরীর আরো খবর..

মাননীয় প্রধানমন্ত্রীর পরামর্শ