বৃহস্পতিবার, ১৭ Jun ২০২১, ০৭:৫৪ পূর্বাহ্ন

অপরাধ মূলক কর্মকান্ড হঠাৎ-ই বন্ধ হয়ে যাওয়ায় বিপাকে পরেছে নীলফামারী কিশোরগঞ্জ উপজেলার রুপালি ব্যাংক শাখার কর্মকর্তা কর্মচারীরা

জ্যেষ্ঠ প্রতিবেদক
  • আপডেট টাইম: শনিবার ১৫ ফেব্রুয়ারী, ২০২০
  • ৩৭১ বার পঠিত

 রউফুল আলম, ইন্দো-বাংলা ডেক্স:

চেক জালিয়াতি, ব্যাংক চত্তরে দালালি, ত্রুটিপূর্ণ কাগজপত্র দিয়ে ঋণ উত্তোলন সুদখোর কতৃক শিক্ষকদের চেকের টাকা উত্তোলনসহ বিভিন্ন অপরাধ মূলক কর্মকান্ড হঠাৎ-ই বন্ধ হয়ে যাওয়ায় বিপাকে পরেছে নীলফামারী কিশোরগঞ্জ উপজেলার রুপালি ব্যাংক শাখার কর্মকর্তা কর্মচারীরা, বেড়েছে আমনাত ও লাভাংশ। রুপারী ব্যাংক নীলফামারী কিশোরগঞ্জ শাখার ব্যাংক কর্মকর্তা-কর্মচারী টক অব দা টাউনে পরিণত হয়েছে।

সম্প্রতি শামিম নামে এক ব্যক্তি খাদ্য অধিদপ্তর কর্তৃক সিরাজুল ইসলাম নামে এ কৃষকের ধান বিক্রয়ের ২৬ হাজার টাকার চেক নিজ একাউন্টে চেকটি ভাঙ্গাঁনোর চেষ্টা করে। ব্যাংকের কর্মকর্তারা চেকটির মূল মালিক সিরাজুল ইসলাম নামে একাউন্ট রুপালী ব্যাংক শাখায় না থাকার জন্য চেকটি জালিয়াতির মাধ্যমে ভাঙ্গিঁয়ে দিতে অস্বীকৃতি জানায়, তারপর থেকে শুরু হয় রুপারী ব্যাংক নিয়ে নানা অভিযোগ। সরেজমিনে জানা গেছে মোঃ দৌলতুজ্জামান পিও হিসেবে ০৩ ফেব্রুয়ারী ১৯ইং সালে যোগদানের পর থেকে ব্যাংকে বিভিন্ন সিন্ডেকেট, দালাল চক্র ও ত্রুটি পূর্ণ কাগজপত্রে লেনদেন বন্ধ করে দেন।

সিসি/এসএমই লোন নবায়নের সময় জাল দলিল, নকল মাঠ পরচা, ভূয়া খারিজের কাগজপত্র থাকায় ৬ থেকে ৭জন ব্যবসায়ীর লোন আটকে যায়। পরবর্তীতে যারা ত্রুটি পূর্ণ কাগজপত্র সংশোধন করেছে তাদের লোন দেওয়া হয়েছে বলে জানান। ব্যাংক ম্যানেজার বলেন, আমরা গ্রাহক সেবার মান এতটাই বাড়িয়েছি যে আমাদের ব্যাংকে কনজুমার/পার্সোনাল লোন বেশি। গত বছর ঋণ দিয়েছি ১৬ কোটির উপরে আর বর্তমানে ১৭ কোটির উপরে ঋণ দেয়া আছে। ডিপোজিট ১৮ কোটি টাকা থেকে উন্নিত হয়ে বর্তমানে ২০ কোটি টাকা হয়েছে। আমানত ও লাভাংশ দুটোই বেড়েছে। গত বছর রুপালী ব্যাংক কিশোরগঞ্জ শাখা বাৎসরিক লাভাংশ ছিল ৮০ লক্ষ টাকা বর্তমানে তা বেড়ে দাড়িয়েছে ১ কোটি ১৩ লক্ষ টাকা। তবে কিছু স্বার্থ নেশী ও প্রতারক চক্র তাদের ত্রুটি পূর্ণ কাগজপত্র ও ডোকোমেন্টেশন সঠিক না থাকায় তারা বিভিন্ন ঋণ সুবিধা বঞ্চিত হয়েছে।

প্রিন্সিপাল অফিসার দীলিপ কুমার পোদ্দার বলেন, আমার কাছে অনেক জাল দলিল ও মাঠ পর্চার ফটোকপি আছে যারা ব্যাংককে প্রাতারিত করে ঋণ সুবিধা নিতে চায়, এদের হুমকি, ধামকি রয়েছে। আমি বিষয়গুলো আমার উদ্ধর্তন কতৃপক্ষকে জানিয়েছি। আমি অনৈতিক ভাবে কোন ব্যক্তিকে বিশেষ সুবিধা দিতে পারবনা। তবে সঠিক কাগজপত্রের শর্ত পূরণ হলে ব্যাংক সুবিধা সে অবশ্যই গ্রহন করতে পারবে।

এছাড়া কয়েক দিন আগে শামিম নামের এক ব্যাক্তি সিরাজুল ইসলাম নামের একটি খাদ্য বিভাগের চেক এনে তার নিজ একাউন্টে প্রতারনার মাধ্যমে টাকা উত্তোলন করতে চাইলে তার চেকটি ফিরোত দেই। সে চেকটি ব্যাংকে ছিরে ফেলে বিভিন্ন হুমকি ধামকি দিয়ে চলে যায়, তার পর থেকে এসব অপপ্রচার চলছে, আপনারাই বিচার করেন।

রুপালী ব্যাংকের ডেপুটি জেনারেল ম্যানেজার ডি.জি.এম জোনাল হেড রংপুর শরিফুল ইসলাম জানান, এই চেক প্রতারনার একটি ভিডিও ফুটেজ আমাদের কাছে আছে যেটিতে টাকা তুলতে না পেরে ওই ব্যাক্তি চেকটি ব্যাংকের ভিতরে ছিরে ফেলে বেড়িয়ে যাচ্ছে। কোন ভাবেই প্রতারকদের রুপালী ব্যাংকে জায়গা হবে না। আমরা প্রয়োজনীয় ব্যবস্থা গ্রহন করছি।

প্রতারক ও দালাল চক্রটি রুপালী ব্যাংকের অসাধু গুটি কয়েক কর্মচারীকে সংঙ্গে নিয়ে ব্যাংক এর সুনাম ক্ষুন্ন করার অপচেষ্টা চালিয়ে আসছে বলে একাধিক মহল জানিয়েছে। ব্যাংক এর দূর্নীতি বিরোধী কর্মকান্ড চালাতে গিয়ে বিপাকে পড়েছে ব্যাংক কর্তৃপক্ষ অপর দিকে রুপালী ব্যাংকে ঘিরে দীর্ঘ দিনের প্রতারনা বাণিজ্যের সিন্ডিকেট শক্তিশালি হয়েছে। ফলে নানা অপপ্রচার সহ হয়রানী মূলক কর্মকান্ডের স্বীকার হচ্ছে ব্যাংক কর্মকর্তা-কর্মচারীরা।

কিশোরগঞ্জের বিশিষ্ট ব্যবসায়ী লুতু জানান, রুপালী ব্যাংকে আগের মতো দূর্নীতি না থাকায় কিছু সুবিধা ভোগী ব্যবসায়ীরা অসস্তিতে রয়েছে, কাজে একটু সমস্যা হবেই।

নিউজটি শেয়ার করুন


এই ক্যাটাগরীর আরো খবর..

মাননীয় প্রধানমন্ত্রীর পরামর্শ