বৃহস্পতিবার, ২৮ অক্টোবর ২০২১, ০৭:০২ অপরাহ্ন

নাগরিকত্ব আইনে মুসলমানদের অন্তর্ভুক্তি চায় বিজেপির মিত্ররা

জ্যেষ্ঠ প্রতিবেদক
  • আপডেট টাইম: বুধবার ২৫ ডিসেম্বর, ২০১৯
  • ৫২৪ বার পঠিত

ভারতে মুসলিমবিদ্বেষী নাগরিকত্ব আইন পাসের প্রতিবাদে সহিংসতা ক্রমে বেড়েই চলেছে। এরই মধ্যে আইনটির বিরোধিতা শুরু করেছে খোদ প্রধানমন্ত্রী মোদীর নেতৃত্বাধীন ক্ষমতাসীন বিজেপির জোটসঙ্গী শিরোমণি অকালি দল। তারা সংশোধিত নাগরিকত্ব আইনে (সিএএ) মুসলমানদের অন্তর্ভুক্তি চায় বলে জানিয়েছে।

বুধবার (২৫ ডিসেম্বর) গণমাধ্যম ‘এনডিটিভিকে’ দেওয়া সাক্ষাৎকারে নিজেদের এই অবস্থানের কথা জানিয়েছেন দলটির নেতা ও রাজ্যসভার আইনপ্রণেতা নরেশ গুজরাল।

নাগরিকত্ব আইন ইস্যুতে দলের অবস্থান ব্যাখ্যা করে তিনি বলেন, ‘ধর্মীয় কারণে নিপীড়নের শিকার হয়ে ভারতে আসা শিখদের কথা বলা থাকায় আমরা আইনটির পক্ষে ভোট দিয়েছিলাম। পার্লামেন্টে সিএএর পক্ষে ভোট দিয়েছি কিন্তু বাদল (অকালি দলের প্রধান সুখবির বাদল) বলে দিয়েছেন, মুসলমানদেরও এই আইনে অন্তর্ভুক্ত করতে হবে।’

নরেশ গুজরালের মতে, বিষয়টি নিয়ে তারা উভয় সংকটে রয়েছে। কেননা আফগানিস্তান ও পাকিস্তানে তালিবান বিদ্রোহীদের হাতে নিপীড়িত হয়ে প্রায় ৬০ থেকে ৭০ হাজার শিখ গত ১০-১২ বছর যাবত নাগরিকত্ব ছাড়াই ভারতে বসবাস করছে।

তিনি বলেন, ‘অকালি দল শিখদের প্রতিনিধিত্ব করে, তবে আমরা সহনশীলতায় বিশ্বাস করি। আমাদের দলের প্রধান পরিষ্কার করে দিয়েছেন যে, এতে অবশ্যই মুসলমানদের অন্তর্ভুক্ত করতে হবে।’

গত ৯ ডিসেম্বর ভারতের লোকসভায় বহুল আলোচিত নাগরিকত্ব সংশোধনী বিল পাস হয়। বিলটিতে প্রতিবেশী দেশ পাকিস্তান, আফগানিস্তান ও বাংলাদেশ থেকে আসা অমুসলিম অনুপ্রবেশকারীদের নাগরিকত্ব দেওয়ার কথা বলা হয়েছে। পার্লামেন্টে বিলটি ক্ষমতাসীন বিজেপির সভাপতি অমিত শাহ উত্থাপন করেন।

 পরে ১১ ডিসেম্বর রাজ্যসভায় বিলটি পাস হয়। বিলের পক্ষে ভোট পড়েছে ১২৫টি। বিপক্ষে পড়েছে ১০৫টি ভোট। ১২ ডিসেম্বর রাতে রাষ্ট্রপতির স্বাক্ষরের মাধ্যমে বিতর্কিত বিলটি আইনে পরিণত হয়।

নিউজটি শেয়ার করুন


এই ক্যাটাগরীর আরো খবর..

মাননীয় প্রধানমন্ত্রীর পরামর্শ