রবিবার, ১৯ মে ২০২৪, ০৭:৩৭ অপরাহ্ন

সরকারি জরুরি হটলাইন

সরকারি তথ্য ও সেবা-৩৩৩, জরুরি সেবা-৯৯৯, নারী ও শিশু নির্যাতন প্রতিরোধে-১০৯, দুদক-১০৬, দুর্যোগের আগাম বার্তা-১০৯০, শিশুর সহায়তায় ফোন-১০৯৮, ভূমির সেবা পেতে...অভিযোগ জানাতে-১৬১২২, ই-জিপি জরুরি হেল্পলাইন-১৬৫৭৫, নৌপরিবহনের হেল্পলাইন-১৬১১৩। তথ্য সুত্র : পিআইডি

শিরোনাম
মানুষ এখন শখ করে পান্তা ভাত খায় : খাদ্যমন্ত্রী ‘স্মার্ট বাংলাদেশের অংশীদার হই, বাল্যবিবাহ, ইভটিজিং ও মাদকমুক্ত রই’ জয়পুরহাটে সমবায়ীদের তোপের মুখে যুগ্মনিবন্ধক ডিএমপি কমিশনার হলেন অতিরিক্ত আইজিপি হাবিবুর রহমান উন্নয়নশীল দেশগুলোর জন্য কমিউনিটি স্বাস্থ্যসেবায় বৈশ্বিক সহায়তা চাইলেন প্রধানমন্ত্রী সার্বিক স্বাস্থ্য উন্নয়নে বাংলাদেশ সরকারের প্রচেষ্টার প্রশংসা ‘হু’ প্রধানের পররাষ্ট্রমন্ত্রীর সঙ্গে মার্কিন কাউন্সিলর ডেরেক শোলের সাক্ষাৎ বিএনপিকে নির্বাচনে আসার আহ্বান কৃষিমন্ত্রীর স্মার্ট বাংলাদেশ কেবল শেখ হাসিনার দ্বারাই সম্ভব : সমাজকল্যাণ প্রতিমন্ত্রী অর্থ আত্নসাৎ, দুই বছর বেতন বাড়বে না সমাজসেবা কর্মকর্তার

বঙ্গবন্ধু ও স্বাধীন বাংলাদেশ।

বঙ্গবন্ধু ও স্বাধীন বাংলাদেশ। পর্বঃ ৫৮ তারিখঃ ০৪-০৬ – ২০২১ইং পাকিস্তান আওয়ামী লীগের দায়িত্ব নিয়েই বঙ্গবন্ধু শেখ মুজিবুর রহমান ছুটে আসেন লন্ডনে। বলা যায় এটাই তার প্রথম সাংগঠনিক সফর। যদিও তখনো ব্রিটেনে আওয়ামী লীগের কোনো দলীয় কার্যক্রম ছিল না। তবে ঐতিহাসিকভাবে এই সফরের গুরুত্ব অনেক। আগরতলাকে ব্যবহার করে গেরিলা যুদ্ধের পরিকল্পনাকে পাকাপোক্ত করতেই বঙ্গবন্ধুর সেই সফর ছিল। এই সফরেও তিনি আবদুল মান্নান ছানু মিয়ার আথিতেয়তা গ্রহণ করেন। ১৯৬৪ সালের এই সফরে বঙ্গবন্ধু ব্রিটেনের তৎকালীন বিশিষ্ট ব্যক্তিবর্গের সঙ্গে দেখা করেন। এক পর্যায়ে তিনি লন্ডনে তার পুরনো রাজনৈতিক সহকর্মী লন্ডন প্রবাসী তাসাদ্দুক আহমদের সঙ্গে পূর্ববঙ্গের স্বাধীনতা সংগ্রাম সম্পর্কে এক গোপন বৈঠকে মিলিত হন। ২১ রমিলি স্ট্রিট, লন্ডন ডব্লিউওয়ান-এর তৎকালীন বাঙালি নেতৃত্বাধীন পাকিস্তান ক্যাটারার্স এসোসিয়েশনের অফিসে সেই একান্ত আলোচনা অনুষ্ঠিত হয়। বঙ্গবন্ধুর সেই সফর কতদিনের ছিল সে সম্পর্কে তেমন ধারণা পাওয়া না গেলেও দেশে সাম্প্রদায়িক দাঙ্গা শুরু হওয়ায় সফর অর্ধ সমাপ্ত রেখে সংক্ষিপ্ত রেখে চলে যান দেশে। তবে তাসাদ্দুক আহমেদ ও শেখ মুজিবুর রহমানের সেই গোপন বৈঠক সম্পর্কে লেখক-সাংবাদিক আবদুল মতিন বলেন, শেখ সাহেব চলে যাওয়ার পর আমি তাসাদ্দুককে জিজ্ঞাসা করলাম, কী বললেন তিনি? তাসাদ্দুক বলল, ১৯৬০ সালে তিনি (বঙ্গবন্ধু) আমাকে (আবদুল মতিন) আগরতলা থেকে গেরিলা যুদ্ধ শুরু করার সম্ভাবনা সম্বন্ধে যে ইঙ্গিত দেন, তারই পুনরাবৃত্তি করেন। নিবেদনেঃ সরদার রাকিবুল ইসলাম (বনসাই) জান্নাতুল ফেরদৌস (অবধি) ★তথ্যসূত্র সংগৃহীত। বিঃদ্রঃউপরোল্লেখিত সকল তথ্য বিভিন্ন মিডিয়া হতে সংগৃহীত। কোন ধরণের অসংগতি পেলে দয়া করে জানাবেন।

সংবাদ শেয়ার করুন

সতর্ক বার্তা

আমরা নিজস্ব সংবাদ প্রকাশ করে থাকি। তাই কোন খবর নিয়ে আপত্তি বা অভিযোগ থাকলে সংশ্লিষ্ট নিউজ সাইটের কর্তৃপক্ষের সাথে যোগাযোগ করার অনুরোধ রইলো। বিনা অনুমতিতে এই সাইটের সংবাদ, আলোকচিত্র অডিও ও ভিডিও ব্যবহার করা বে-আইনি। -ইন্দোবাংলা টীম।

করোনাভাইরাস মোকাবিলায় মাননীয় প্রধানমন্ত্রীর ৩১ নির্দেশনা

© ইন্দোবাংলা২৪.কম সকল অধিকার সংরক্ষিত ২০২৩।
কারিগরি সহায়তায়: অল আইটি