মঙ্গলবার, ০৭ ফেব্রুয়ারী ২০২৩, ০৩:০০ অপরাহ্ন

সরকারি জরুরি হটলাইন

সরকারি তথ্য ও সেবা-৩৩৩, জরুরি সেবা-৯৯৯, নারী ও শিশু নির্যাতন প্রতিরোধে-১০৯, দুদক-১০৬, দুর্যোগের আগাম বার্তা-১০৯০, শিশুর সহায়তায় ফোন-১০৯৮, ভূমির সেবা পেতে...অভিযোগ জানাতে-১৬১২২, ই-জিপি জরুরি হেল্পলাইন-১৬৫৭৫, নৌপরিবহনের হেল্পলাইন-১৬১১৩। তথ্য সুত্র : পিআইডি

যেসব প্রতিষ্ঠান পেনসনের আওতাভুক্ত নয়

যেসব প্রতিষ্ঠান পেনসনের আওতাভুক্ত নয়। তার বিবরণী নিম্নে দেওয়া হলো। যদি কোন সরকারি কর্মচারী সরকার কর্তৃক নিয়োজিত না হন এবং সরকার কর্তৃক নিয়ন্ত্রিত না হন তবে চাকুরী পেনশনযোগ্যবলে গণ্য হবে না। (আরটিকেল ৩৬২: বিএসআর ২৬০)।

ক) পৌরসভা ও স্বায়ত্তশাসিত প্রতিষ্ঠানের চাকরী: যেহেতু পৌরসভা ও স্বায়ত্তশাসিত প্রতিষ্ঠানের চাকরীতে বেতন সরকারি রাজস্ব খাত হতে প্রদান করা হয় না। সুতরাং এটা পেনশন যোগ্য চাকরী নয়। এটি ছাড়া রাষ্ট্রপতির হাউজ হোল্ড এ্যালাউন্স এবং কন্ট্রাক্ট ইসটাবলিস্টমেন্ট এ্যালাউন্স থেকে প্রাপ্ত অর্থে দেয় বেতনের চাকরী পেনশন যোগ্য নয়।

খ) জেলা বোর্ড কর্মচারীদের পেনশন: সরকার ৬-৭-৭৭ইং তারিখের এক স্মারক মূলে ঢাকা, ফরিদপুর, যশোর, খুলনা, কুষ্টিয়া, বগুড়া, পাবনা, কুমিল্লা, নোয়াখালি এবং রংপুর জেলাসমূহের স্বাস্থ্য কর্মচারীগণকে তাদের পূর্বের চাকরীর সময় চাকরী জেলা বোর্ডের টাকা সরকারি খাতে জমা দেয়া সাপেক্ষে পেনশন যোগ্য বলেয়া ঘোষণা করেছেন।

গ) প্রাথমিক বিদ্যালয়ের শিক্ষক: সরকারি জাতীয়করণকৃত প্রাথমিক বিদ্যালয়ের শিক্ষকদের বেসরকারি চাকরীর ৫০% সরকারি চাকরী হিসাব গণ্য করে পেনশন এবং গ্র্যাচুইটি প্রদানের বিষয়ে সিদ্ধান্ত গ্রহণ করেছেন।

সাবেক জেলা শিক্ষা বোর্ড/মিউনিসিপ্যালিটি কর্তৃক নিয়ন্ত্রিত প্রাথমিক বিদ্যালয়ের নিয়মিত শিক্ষক হিসেবে এক বা একাধিক বিদ্যালয়ের সাকুল্য চাকুরীকাল, অথবা প্রাক্তন জেলা স্কুল বোর্ড/মিউনিসিপ্যালিটি, সরকার কর্তৃক সাহায্যপ্রাপ্ত বিদ্যালয়ের শিক্ষকগণের নিয়মিত অবিচ্ছিন্ন চাকুরীকালের অর্ধেক এবং সরকারিকতৃ পরবর্তী সময়ের পূর্ণ চাকরীকাল যোগ করে পেনশনযোগ্য চাকরীকালের দৈর্ঘ্য গণনা করতে হবে।

১-৭-৭৩ ইং তারিখের পর হইতে যে সকল অবসরপ্রাপ্ত শিক্ষক ইতিপূর্বে পূর্বের নিয়মে কেবলমাত্র গ্র্যাচুইটি গ্রহণ করিয়াছেন, তাঁহারাও পেনশন গ্র্যাচুইটি পাইতে পারেন। তবে প্রাপ্য অর্থ হইতে পূর্বে গৃহীত গ্র্যাচুইটির টাকা বাদ দিতে হইবে।

যে সকল অবসরপ্রাপ্ত শিক্ষক ইতিপূর্বে গ্র্যাচুইটি গ্রহণ করিয়াছেন এবং মৃত্যৃবরণ করিয়াছেন তাঁহাদের ক্ষেত্রে নতুন নির্দেশ প্রযোজ্য হইবে না। ১-৭-৭৩ ইং তারিখের পর হইতে যে সকল অবসরপ্রাপ্ত শিক্ষক ইতিপূর্বে পেনশন, গ্র্যাচুইটি কিছুই গ্রহণ করেন নাই এবং মৃত্যুবরণ করিয়াছেন, তাঁহাদের ক্ষেত্রে পারিবারিক পেনশন প্রযোজ্য হইবে।

এইভাবে সরকার তাহার কর্মচারীদের অবসরকালীন সময়ে যাহাতে সুস্থ্য সুন্দর অবসর জীবন অতিবাহিত করিতে পারেন তাহার সুব্যবস্থা করিয়া থাকেন।

সংবাদ শেয়ার করুন

সতর্ক বার্তা

আমরা নিজস্ব সংবাদ প্রকাশ করে থাকি। তাই কোন খবর নিয়ে আপত্তি বা অভিযোগ থাকলে সংশ্লিষ্ট নিউজ সাইটের কর্তৃপক্ষের সাথে যোগাযোগ করার অনুরোধ রইলো। বিনা অনুমতিতে এই সাইটের সংবাদ, আলোকচিত্র অডিও ও ভিডিও ব্যবহার করা বে-আইনি। -ইন্দোবাংলা টীম।

করোনাভাইরাস মোকাবিলায় মাননীয় প্রধানমন্ত্রীর ৩১ নির্দেশনা

© ইন্দোবাংলা২৪.কম সকল অধিকার সংরক্ষিত ২০২২।
কারিগরি সহায়তায়: অল আইটি