রবিবার, ১৯ মে ২০২৪, ০৯:১৪ অপরাহ্ন

সরকারি জরুরি হটলাইন

সরকারি তথ্য ও সেবা-৩৩৩, জরুরি সেবা-৯৯৯, নারী ও শিশু নির্যাতন প্রতিরোধে-১০৯, দুদক-১০৬, দুর্যোগের আগাম বার্তা-১০৯০, শিশুর সহায়তায় ফোন-১০৯৮, ভূমির সেবা পেতে...অভিযোগ জানাতে-১৬১২২, ই-জিপি জরুরি হেল্পলাইন-১৬৫৭৫, নৌপরিবহনের হেল্পলাইন-১৬১১৩। তথ্য সুত্র : পিআইডি

শিরোনাম
মানুষ এখন শখ করে পান্তা ভাত খায় : খাদ্যমন্ত্রী ‘স্মার্ট বাংলাদেশের অংশীদার হই, বাল্যবিবাহ, ইভটিজিং ও মাদকমুক্ত রই’ জয়পুরহাটে সমবায়ীদের তোপের মুখে যুগ্মনিবন্ধক ডিএমপি কমিশনার হলেন অতিরিক্ত আইজিপি হাবিবুর রহমান উন্নয়নশীল দেশগুলোর জন্য কমিউনিটি স্বাস্থ্যসেবায় বৈশ্বিক সহায়তা চাইলেন প্রধানমন্ত্রী সার্বিক স্বাস্থ্য উন্নয়নে বাংলাদেশ সরকারের প্রচেষ্টার প্রশংসা ‘হু’ প্রধানের পররাষ্ট্রমন্ত্রীর সঙ্গে মার্কিন কাউন্সিলর ডেরেক শোলের সাক্ষাৎ বিএনপিকে নির্বাচনে আসার আহ্বান কৃষিমন্ত্রীর স্মার্ট বাংলাদেশ কেবল শেখ হাসিনার দ্বারাই সম্ভব : সমাজকল্যাণ প্রতিমন্ত্রী অর্থ আত্নসাৎ, দুই বছর বেতন বাড়বে না সমাজসেবা কর্মকর্তার

জয়পুরহাটে ক্লাস রুম সংকটে ব্যহত হচ্ছে শিক্ষা কার্যক্রম

জয়পুরহাট প্রতিনিধিঃ জয়পুরহাটের সদর উপজেলার চক দাদরা দাখিল মাদ্রাসার ক্লাস সংকটের ফলে মাঠেই পাঠদান করানো হচ্ছে, এতে শিক্ষা কার্যক্রম ব্যাপকভাবে ব্যহত হচ্ছে। 

১৯৮৫ সালে এলাকার কয়েকজন মানুষ উদ্যোগী হয়ে এই প্রতিষ্ঠানটি তৈরি করে। পরে ১৯৯৭ সালে এই প্রতিষ্ঠানটি এমপিওভুক্ত হয়। 

এখানে বতমানে সাড়ে তিনশো শিক্ষা্থী পড়াশোনা করছে। সেই সাথে সুনামের সাথে শিক্ষার্থীরা ভালো ফলাফল ও করে আসছে। 

কিন্তু আগের ক্লাস রুমগুলো মাটির হওয়ায় সেগুলোর টিনের ছাউনি নষ্ট হয়ে বৃষ্টি হলেই রুমে পানি পড়ে আবার কিছু কিছু রুমে ফাটল দেখা দেওয়ায় এখন মাঠেই ক্লাস করতে  হচ্ছে শিক্ষার্থীদের ।

৮ ম শ্রেণির শিক্ষার্থী জেমি  খাতুন বলেন, আমাদের ক্লাসরুম গুলোর অবস্থা খুবই খারাপ, আমরা তো রুমে ক্লাসই করতে পারিনা একটু বৃষ্টি হলেই বই খাতা ভিজে যায় তাই আমরা এখন বাহিরেই ক্লাস করি। আমরা চাই কতৃপক্ষ দ্রুত আমাদের পড়াশোনার সঠিক পরিবেশ তৈরি করে দেক।

৭ ম শ্রেণির শিক্ষার্থী আরিফ আহমেদ ও ৩য় শ্রেণির শিক্ষার্থী মাহমুদা  বলেন, মাঠে ক্লাস করা আর ক্লাস রুমে ক্লাস করা তো এক নয়, আকাশের ঝড়বৃষ্টি আসলে আমরা মাঠেও ক্লাস করতে পারিনা, এতে করে আমাদের পড়াশোনার অনেক ক্ষতি হচ্ছে।  আমাদের দাবি সরকার দ্রুত আমাদের প্রতিষ্ঠানের ক্লাসরুমের ব্যবস্থা করে দেওয়া হোক।

প্রতিষ্ঠানের  শিক্ষক আলী কাউছার বলেন, আমার ক্লাসরুমে ক্লাস করাতে পারিনা মাঠেই ক্লাস নিতে হয়, মাঠে ক্লাস নেওয়ার কারনে পাঠদান করাতে আমাদের অনেক সমস্যা হয়, কোন কোন শিক্ষার্থীরা প্রতিষ্ঠানে আসতেও চায় না। 

প্রতিষ্ঠানটির সুপার গোলজার হোসেন  বলেন, আমাদের ক্লাস রুম খুবই জররী বতমান সরকার যেভাবে শিক্ষা প্রতিষ্ঠানগুলোর নতুন নতুন ভবন তৈরি করে দিচ্ছে সেই হিসেবে আমাদের ও দাবি আমাদের এই প্রতিষ্ঠানে নতুন ভবন তৈরি করে দেওয়া হলে আমাদের শিক্ষা কার্যক্রম আরও গতিশীল হবে।

উপজেলা মাধ্যমিক শিক্ষা কমকর্তা দিপক কুমার বনিক বলেন, আমি প্রতিষ্ঠানটি দেখেছি সেখানে পাঠদানের খুবই সমস্যা হচ্ছে,  আমি দ্রুত উধতন কমকতাকে বিষয়টি জানানো হবে যাতে দ্রুত প্রতিষ্ঠানটিতে ক্লাসরুমের ব্যবস্থা  করা হয়।

ইন্দোবাংলা/এম. আর

সংবাদ শেয়ার করুন

সতর্ক বার্তা

আমরা নিজস্ব সংবাদ প্রকাশ করে থাকি। তাই কোন খবর নিয়ে আপত্তি বা অভিযোগ থাকলে সংশ্লিষ্ট নিউজ সাইটের কর্তৃপক্ষের সাথে যোগাযোগ করার অনুরোধ রইলো। বিনা অনুমতিতে এই সাইটের সংবাদ, আলোকচিত্র অডিও ও ভিডিও ব্যবহার করা বে-আইনি। -ইন্দোবাংলা টীম।

করোনাভাইরাস মোকাবিলায় মাননীয় প্রধানমন্ত্রীর ৩১ নির্দেশনা

© ইন্দোবাংলা২৪.কম সকল অধিকার সংরক্ষিত ২০২৩।
কারিগরি সহায়তায়: অল আইটি