বুধবার, ১৯ Jun ২০২৪, ০৫:৩০ অপরাহ্ন

সরকারি জরুরি হটলাইন

সরকারি তথ্য ও সেবা-৩৩৩, জরুরি সেবা-৯৯৯, নারী ও শিশু নির্যাতন প্রতিরোধে-১০৯, দুদক-১০৬, দুর্যোগের আগাম বার্তা-১০৯০, শিশুর সহায়তায় ফোন-১০৯৮, ভূমির সেবা পেতে...অভিযোগ জানাতে-১৬১২২, ই-জিপি জরুরি হেল্পলাইন-১৬৫৭৫, নৌপরিবহনের হেল্পলাইন-১৬১১৩। তথ্য সুত্র : পিআইডি

শিরোনাম
মানুষ এখন শখ করে পান্তা ভাত খায় : খাদ্যমন্ত্রী ‘স্মার্ট বাংলাদেশের অংশীদার হই, বাল্যবিবাহ, ইভটিজিং ও মাদকমুক্ত রই’ জয়পুরহাটে সমবায়ীদের তোপের মুখে যুগ্মনিবন্ধক ডিএমপি কমিশনার হলেন অতিরিক্ত আইজিপি হাবিবুর রহমান উন্নয়নশীল দেশগুলোর জন্য কমিউনিটি স্বাস্থ্যসেবায় বৈশ্বিক সহায়তা চাইলেন প্রধানমন্ত্রী সার্বিক স্বাস্থ্য উন্নয়নে বাংলাদেশ সরকারের প্রচেষ্টার প্রশংসা ‘হু’ প্রধানের পররাষ্ট্রমন্ত্রীর সঙ্গে মার্কিন কাউন্সিলর ডেরেক শোলের সাক্ষাৎ বিএনপিকে নির্বাচনে আসার আহ্বান কৃষিমন্ত্রীর স্মার্ট বাংলাদেশ কেবল শেখ হাসিনার দ্বারাই সম্ভব : সমাজকল্যাণ প্রতিমন্ত্রী অর্থ আত্নসাৎ, দুই বছর বেতন বাড়বে না সমাজসেবা কর্মকর্তার

বিশ্ব অ্যাক্রেডিটেশন দিবসে প্রধানমন্ত্রীর বাণী

প্রধানমন্ত্রী শেখ হাসিনা ৯ জুন ‘বিশ্ব অ্যাক্রেডিটেশন দিবস’ উপলক্ষ্যে নিম্নোক্ত বাণী প্রদান করেছেন :

“বাংলাদেশ অ্যাক্রেডিটেশন বোর্ড (বিএবি) ‘বিশ্ব অ্যাক্রেডিটেশন দিবস ২০২২’ পালন করছে জেনে আমি আনন্দিত। এ উপলক্ষ্যে আমি বিএবি’র সকল অংশীজন এবং উন্নয়ন সহযোগী সংস্থাকে আন্তরিক শুভেচ্ছা জানাচ্ছি। দিবসটির এবারের প্রতিপাদ্য- ‘Accreditation: Sustainability in Economic Growth and the Environment’ বর্তমান বৈশ্বিক প্রেক্ষাপটে সময়োপযোগী হয়েছে বলে আমি মনে করি।

অপরিকল্পিতভাবে অর্থনৈতিক প্রবৃদ্ধি অর্জনের ফলে বিশ্বব্যাপী জলবায়ু পরিবর্তন, পরিবেশ অবক্ষয় এবং জীববৈচিত্র্য ধ্বংস হচ্ছে; সষ্টি হচ্ছে ভারসাম্যহীন উন্নয়ন। ফলে বিশ্ব প্রতিনিয়ত বিভিন্ন হুমকি এবং চ্যালেঞ্জের সম্মুখীন হচ্ছে। ভবিষ্যৎ প্রজন্মের জন্য প্রাকৃতিক সম্পদ এবং পরিবেশ রক্ষা করে অর্থনৈতিক, সামাজিক ও পরিবেশগত দিকগুলো সমন্বয়ের মাধ্যমে পারস্পরিক অংশীদারিত্বের ভিত্তিতে সংশ্লিষ্ট সকলকে সম্মিলিতভাবে এ চ্যালেঞ্জ মোকাবিলার লক্ষ্যে কাজ করতে হবে।

আওয়ামী লীগ সরকার ২০৩০ সালের মধ্যে জাতিসংঘ ঘোষিত ‘টেকসই উন্নয়ন অভীষ্ট (এসডিজি)’ অর্জনের লক্ষ্যে এর লক্ষ্যমাত্রাসমূহকে সপ্তম ও অষ্টম পঞ্চবার্ষিক পরিকল্পনায় সমন্বিত করেছে। আমরা বিভিন্ন কর্মসূচি বাস্তবায়নের মাধ্যমে টেকসই অর্থনৈতিক প্রবৃদ্ধি ও পরিবেশ অর্জনে নিরলসভাবে কাজ করে যাচ্ছি। আমাদের সরকারের দূরদর্শী এবং যুগোপযোগী অর্থনৈতিক পরিকল্পনা বাস্তবায়নের ফলে বাংলাদেশ গত এক দশকে বিশ্বের দ্রুত বর্ধনশীল অর্থনীতির দেশের তালিকায় স্থান করে নিয়েছে। ২০২৬ সালে বাংলাদেশ জাতিসংঘের স্বল্পোন্নত দেশের তালিকা থেকে উন্নয়নশীল দেশে পরিণত হবে। বাংলাদেশ এখন বিশ্বের কাছে দারিদ্র্য বিমোচন এবং উন্নয়নের এক ‘রোল মডেল’। এ অর্থনৈতিক অগ্রযাত্রা অব্যাহত রেখে ২০৪১ সালের মধ্যে বাংলাদেশ একটি উন্নত-সমৃদ্ধ দেশে পরিণত হবে বলে আমি বিশ্বাস করি।

‘টেকসই উন্নয়ন অভীষ্ট ২০৩০’ অর্জনে অ্যাক্রেডিটেশন ব্যবস্থা প্রত্যক্ষ বা পরোক্ষভাবে সহায়তা করছে। আমি আশা করি, টেকসই উন্নয়ন অভীষ্ট অর্জনসহ জাতীয় মান অবকাঠামো উন্নয়ন, টেকসই অর্থনৈতিক প্রবৃদ্ধি অর্জন, রপ্তানি বৃদ্ধি এবং পরিবেশ রক্ষায় বিএবি গুরুত্বপূর্ণ ভূমিকা পালন করবে।

আমি ‘বিশ্ব অ্যাক্রেডিটেশন দিবস ২০২২’- এর সার্বিক সাফল্য কামনা করছি।

জয় বাংলা, জয় বঙ্গবন্ধু
বাংলাদেশ চিরজীবী হোক।”

ইন্দোবাংলা/এম. এস

সংবাদ শেয়ার করুন

সতর্ক বার্তা

আমরা নিজস্ব সংবাদ প্রকাশ করে থাকি। তাই কোন খবর নিয়ে আপত্তি বা অভিযোগ থাকলে সংশ্লিষ্ট নিউজ সাইটের কর্তৃপক্ষের সাথে যোগাযোগ করার অনুরোধ রইলো। বিনা অনুমতিতে এই সাইটের সংবাদ, আলোকচিত্র অডিও ও ভিডিও ব্যবহার করা বে-আইনি। -ইন্দোবাংলা টীম।

করোনাভাইরাস মোকাবিলায় মাননীয় প্রধানমন্ত্রীর ৩১ নির্দেশনা

© ইন্দোবাংলা২৪.কম সকল অধিকার সংরক্ষিত ২০২৩।
কারিগরি সহায়তায়: অল আইটি