শুক্রবার, ১৯ অগাস্ট ২০২২, ১১:৫৭ অপরাহ্ন

সরকারি জরুরি হটলাইন

সরকারি তথ্য ও সেবা-৩৩৩, জরুরি সেবা-৯৯৯, নারী ও শিশু নির্যাতন প্রতিরোধে-১০৯, দুদক-১০৬, দুর্যোগের আগাম বার্তা-১০৯০, শিশুর সহায়তায় ফোন-১০৯৮, ভূমির সেবা পেতে...অভিযোগ জানাতে-১৬১২২, ই-জিপি জরুরি হেল্পলাইন-১৬৫৭৫, নৌপরিবহনের হেল্পলাইন-১৬১১৩। তথ্য সুত্র : পিআইডি

শিরোনাম
নৌযানের যাত্রীভাড়া ৩০ ভাগ সমন্বয় করে পুনর্নির্ধারণ শোক দিবসে নানা কর্মসূচী হাতে নিয়েছে কৃষিবিদ ড. আওলাদ বঙ্গবন্ধু বাংলার শান্তি, অগ্রগতি ও সাম্যের অবিসংবাদিত নেতা জয়পুরহাটে চিত্রাংকন, গ্রন্থপাঠ ও কুইজ প্রতিযোগিতাদের পুরস্কার বিতরণ করেন এসপি মাছুম পঞ্চগড় থেকে মানসম্মত শিক্ষা অর্জনের নয়া যাত্রা হবে- প্রাথমিক ও গণশিক্ষা সচিব বিএনপিসহ কিছু দল ও প্রতিষ্ঠান জ্বালানি তেলের মূল্য নিয়ে বিভ্রান্তি ছড়াচ্ছে- তথ্য ও সম্প্রচার মন্ত্রী ‘স্মার্ট সোসাইটি’ প্রকল্প বিষয়ে মতবিনিময় সভা অনুষ্ঠিত জাতীয় শোক দিবস উপলক্ষ্যে সচিবালয়ে আলোকচিত্র প্রদর্শনী স্বেচ্ছা রক্তদানের চর্চা পারিবারিকভাবে ছড়িয়ে দিতে হবে- মোস্তাফা জব্বার জাতীয় শোক দিবসে জাতীয় পতাকা উত্তোলন বিষয়ক নির্দেশনা

ডিজিটাল নিরাপত্তা আইনে মামলা: সাবেক ছাত্রলীগ নেতা সোহাগ গ্রেফতার

ছবি: খাজা আল-আমীন সোহাগ নামে ফেবু প্রোফাইল থেকে নেওয়া হয়েছে।

সেলিম রেজা: জয়পুরহাটে জেলা আওয়ামী লীগের শীর্ষ স্থানীয় নেতাসহ বিভিন্ন ব্যক্তিদের মান-সম্মান, চরিত্র হনন এবং কুরুচিপূর্ন বক্তব্য বিভ্রান্তমূলক, বানোয়াট ও মিথ্যা কলঙ্ক কাহিনী তৈরী করে সোস্যাল নেটওয়ার্কে ছড়িয়ে দেওয়ার অভিযোগে ডিজিটাল নিরাপত্তা আইনে মামলায় জেলা ছাত্রলীগের সাবেক নেতা খাজা আল আমীন সোহাগকে (৪২) গ্রেফতার করে পুলিশ। শুক্রবার বিকেলে আদালতের মাধ্যমে জেল হাজুতে পাঠানো হয়েছে।

এর আগে বৃহস্পতিবার দুপুরে জয়পুরহাট চীফ জুডিশিয়াল ম্যাজিস্ট্রেট আদালতে পৌর আ’লীগের সভাপতি ও পৌরসভার প্যানেল মেয়র ইকবাল হোসেন সাবু বাদী হয়ে একটি মামলাটি করেন।

গ্রেফতারকৃত খাজা আল আমীন সোহাগ (৪২) জেলা আওয়ামী লীগের সহ-সভাপতি অধ্যক্ষ খাজা সামছুল আলমের ছেলে ও জেলা ছাত্রলীগের সাবেক উপ-সমাজসেবক বিষয়ক সম্পাদক বলে জানা গেছে। সে শহরের জানিয়ার বাগান (আনোয়ার ক্লিনিক) এলাকায় বসবাস করেন।

মামলা সূত্রে জানা যায়, চলতি বছরের ১৩ ফেব্রুয়ারি খাজা আল-আমীন সোহাগ তার নিজ ফেসবুক আইডি ও বিভিন্ন নাম থেকে জেলা আ’লীগের সভাপতি ও জেলা পরিষদের প্রশাসক আরিফুর রহমান রকেট, জেলা আ’লীগের শীর্ষ স্থানীয় নেতা জিপি, পিপি সহ বিভিন্ন ব্যক্তিদের মান-সম্মান, চরিত্র হনন এবং কুরুচিপূর্ন বক্তব্য বিভ্রান্তমূলক, বানোয়াট ও মিথ্যা কলঙ্ক কাহিনী তৈরী করে সোস্যাল নেটওয়ার্কে ছড়িয়ে দিয়ে থাকেন। এছাড়াও তিনি জয়পুরহাট পৌর আ’লীগের সম্মেলনে অর্থের বিনিময়ে সভাপতি ও সাধারন সম্পাদকের পদ বিক্রি করা হয়েছে মর্মে গত ১ ফেব্রুয়ারি ফেসবুকে আরেকটি পোস্ট করেন। এভাবে অপপ্রচার ও মানহানীকর ফেসবুকে পোস্ট করায় ডিজিটাল নিরাপত্তা আইনে একটি মামলা দায়ের করেন।

জয়পুরহাট থানার ভারপ্রাপ্ত কর্মকর্তা (ওসি) এসএম আলমগীর জাহান জানান, জয়পুরহাট অতিরিক্ত চীফ জুডিশিয়াল ম্যাজিস্টেট আদালতের বিচারক আব্দুল্লাহ আল মামুন, মামলাটি আমলে নিয়ে তদন্ত করে এজাহার হিসেবে অন্তর্ভুক্ত করতে জয়পুরহাট থানা পুলিশকে প্রয়োজনীয় ব্যবস্থা গ্রহণের নিদের্শ করে। তদন্ত সাপেক্ষে সদর থানা ও ডিবি পুলিশের যৌথ অভিযানে শুক্রবার শহরের পুরাতন বাজার এলাকা থেকে আসামী খাজা আল আমীন সোহাগকে গ্রেফতার করা হয়েছে। পরে তাকে ওই স্থান থেকেই আদালতের মাধ্যমে জেল হাজুতে পাঠানো হয়েছে।

ইন্দোবাংলা/আর. কে

সংবাদ শেয়ার করুন

সতর্কবার্তা

আমরা নিজস্ব সংবাদ প্রকাশ করে থাকি। তাই কোন খবর নিয়ে আপত্তি বা অভিযোগ থাকলে সংশ্লিষ্ট নিউজ সাইটের কর্তৃপক্ষের সাথে (+880963871280, 01710629562) যোগাযোগ করার অনুরোধ রইলো। বিনা অনুমতিতে এই সাইটের সংবাদ, আলোকচিত্র অডিও ও ভিডিও ব্যবহার করা বে-আইনি।

 


করোনাভাইরাস মোকাবিলায় মাননীয় প্রধানমন্ত্রীর ৩১ নির্দেশনা

© ইন্দোবাংলা২৪.কম সকল অধিকার সংরক্ষিত ২০২২।
কারিগরি সহায়তায়: অল আইটি