বৃহস্পতিবার, ১৮ Jul ২০২৪, ০২:১২ অপরাহ্ন

সরকারি জরুরি হটলাইন

সরকারি তথ্য ও সেবা-৩৩৩, জরুরি সেবা-৯৯৯, নারী ও শিশু নির্যাতন প্রতিরোধে-১০৯, দুদক-১০৬, দুর্যোগের আগাম বার্তা-১০৯০, শিশুর সহায়তায় ফোন-১০৯৮, ভূমির সেবা পেতে...অভিযোগ জানাতে-১৬১২২, ই-জিপি জরুরি হেল্পলাইন-১৬৫৭৫, নৌপরিবহনের হেল্পলাইন-১৬১১৩। তথ্য সুত্র : পিআইডি

শিরোনাম
মানুষ এখন শখ করে পান্তা ভাত খায় : খাদ্যমন্ত্রী ‘স্মার্ট বাংলাদেশের অংশীদার হই, বাল্যবিবাহ, ইভটিজিং ও মাদকমুক্ত রই’ জয়পুরহাটে সমবায়ীদের তোপের মুখে যুগ্মনিবন্ধক ডিএমপি কমিশনার হলেন অতিরিক্ত আইজিপি হাবিবুর রহমান উন্নয়নশীল দেশগুলোর জন্য কমিউনিটি স্বাস্থ্যসেবায় বৈশ্বিক সহায়তা চাইলেন প্রধানমন্ত্রী সার্বিক স্বাস্থ্য উন্নয়নে বাংলাদেশ সরকারের প্রচেষ্টার প্রশংসা ‘হু’ প্রধানের পররাষ্ট্রমন্ত্রীর সঙ্গে মার্কিন কাউন্সিলর ডেরেক শোলের সাক্ষাৎ বিএনপিকে নির্বাচনে আসার আহ্বান কৃষিমন্ত্রীর স্মার্ট বাংলাদেশ কেবল শেখ হাসিনার দ্বারাই সম্ভব : সমাজকল্যাণ প্রতিমন্ত্রী অর্থ আত্নসাৎ, দুই বছর বেতন বাড়বে না সমাজসেবা কর্মকর্তার

১১ মাসে সবচেয়ে বেশি রেমিট্যান্স এপ্রিলে

যমুনা নিউজ বিডিঃ সুবাতাস ফিরেছে রেমিট্যান্স প্রবাহে। এপ্রিল মাসে ২০০ কোটি ৯৫ লাখ ডলার রেমিট্যান্স পাঠিয়েছেন প্রবাসীরা, যা ১১ মাসের মধ্যে সবচেয়ে বেশি।
বাংলাদেশি মুদ্রায় (প্রতি ডলার ৮৬ টাকা ৪৫ পয়সা) হিসাবে এ অর্থের পরিমাণ ১৭ হাজার ৩৭২ কোটি ১২ লাখ টাকা। এর আগে ২০২০-২১ অর্থবছরের মে মাসে ২১৭ কোটি ১০ লাখ ডলার রেমিট্যান্স এসেছিল দেশে। এরপর ১১ মাসের কোনো মাসেই দুই বিলিয়ন ডলারের বেশি রেমিট্যান্স আসেনি।

বৃহস্পতিবার বিষয়টি নিশ্চিত করেছেন বাংলাদেশ ব্যাংকের নির্বাহী পরিচালক ও মুখপাত্র মো. সিরাজুল ইসলাম।

তিনি বলেন, রেমিট্যান্সের ওপর সরকারের প্রণোদনা বেড়েছে। এছাড়া পবিত্র রমজান ও ঈদকে কেন্দ্র করে রেমিট্যান্স পাঠানোর পরিমাণ বাড়িয়েছেন প্রবাসীরা। সবকিছু ঠিক থাকলে আগামী দু-তিন মাস রেমিট্যান্স প্রবাহ আরো বাড়বে।

বাংলাদেশ ব্যাংকের তথ্যমতে, টানা পাঁচ মাস কমার পর ডিসেম্বর ও জানুয়ারিতে অর্থনীতির গুরুত্বপূর্ণ এ সূচক বেড়েছিল। কিন্তু ফেব্রুয়ারিতে ফের গতি কমে। ঐ মাসে রেমিট্যান্স এসেছিল ১৪৯ কোটি ৬০ লাখ ডলার। এর আগের দুই মাস ডিসেম্বর ও জানুয়ারিতে যথাক্রমে ১৬৩ কোটি ৬ লাখ ও ১৭০ কোটি ৪৫ লাখ ডলার পাঠিয়েছিলেন প্রবাসীরা।

ফেব্রুয়ারি মাস ২৮ দিন হওয়ায় রেমিট্যান্স প্রবাহে কিছুটা ভাটা পড়ে। তবে মার্চ মাসে ফের গতি বাড়ে এ সূচকে। মার্চে রেমিট্যান্স এসেছিল ১৮৬ কোটি ডলার।

বাংলাদেশ ব্যাংক সূত্র জানায়, এপ্রিলে রাষ্ট্রীয় মালিকানাধীন পাঁচ বাণিজ্যিক ব্যাংকের মাধ্যমে দেশে রেমিট্যান্স এসেছে ৩৫ কোটি ৪৯ লাখ মার্কিন ডলার। বেসরকারি ব্যাংকের মাধ্যমে রেমিট্যান্স এসেছে ১৬১ কোটি ২৭ লাখ মার্কিন ডলার। এছাড়া বিদেশি ব্যাংকগুলোর মাধ্যমে ৭৩ লাখ ৫০ হাজার মার্কিন ডলার ও বিশেষায়িত ব্যাংকের মাধ্যমে এসেছে ৩ কোটি ৫৪ লাখ মার্কিন ডলার।

ব্যাংকাররা জানান, দুই ঈদের আগে রেমিট্যান্স প্রবাহ অন্যান্য সময়ের চেয়ে বাড়ে। রমজান মাস ও ঈদে দেশে টাকার চাহিদা ছিল বেশি। টাকার জোগান দিতেই প্রবাসীরা তাদের আত্মীয়-স্বজনদের কাছে রেমিট্যান্স পাঠিয়েছেন।

তারা আরো জানান, আগে প্রবাসীদের বৈধ পথে পাঠানো রেমিট্যান্সের ওপর প্রণোদনা ছিল ২ শতাংশ। অর্থাৎ ১০০ টাকা পাঠালে ২ টাকা প্রণোদনা দেওয়া হতো। চলতি বছরের শুরুতে এ প্রণোদনা ২ শতাংশ থেকে বাড়িয়ে আড়াই শতাংশ করা হয়েছে। এতে তারা ১০০ টাকা পাঠালে প্রণোদনা পান ২ টাকা ৫০ পয়সা। ফলে প্রবাসীরা বৈধ পথে অর্থ পাঠাতে উৎসাহ পাচ্ছেন।

সংবাদ শেয়ার করুন

সতর্ক বার্তা

আমরা নিজস্ব সংবাদ প্রকাশ করে থাকি। তাই কোন খবর নিয়ে আপত্তি বা অভিযোগ থাকলে সংশ্লিষ্ট নিউজ সাইটের কর্তৃপক্ষের সাথে যোগাযোগ করার অনুরোধ রইলো। বিনা অনুমতিতে এই সাইটের সংবাদ, আলোকচিত্র অডিও ও ভিডিও ব্যবহার করা বে-আইনি। -ইন্দোবাংলা টীম।

করোনাভাইরাস মোকাবিলায় মাননীয় প্রধানমন্ত্রীর ৩১ নির্দেশনা

© ইন্দোবাংলা২৪.কম সকল অধিকার সংরক্ষিত ২০২৩।
কারিগরি সহায়তায়: অল আইটি