বৃহস্পতিবার, ১৭ Jun ২০২১, ১২:০১ পূর্বাহ্ন

করোনাভাইরাস পরীক্ষা-নিরীক্ষার জন্য বাংলাবান্ধা স্থলবন্দরে মেডিকেল টিম

মো: বাবুল হোসেন,
  • আপডেট টাইম: বুধবার ২৯ জানুয়ারী, ২০২০
  • ৩৩২ বার পঠিত

 

 পঞ্চগড় জেলা :

চীনে ‘করোনা ভাইরাস’ ছড়িয়ে পড়ায় পঞ্চগড়ের বাংলাবান্ধা স্থলবন্দরের ইমিগ্রেশন দিয়ে পারাপার হওয়া মানুষদের পরীা-নিরীার জন্য মেডিকেল টিম বসিয়েছে জেলা স্বাস্থ্য বিভাগ। যদিও করোনা সনাক্তের কোনো যন্ত্র নেই সেখানে। বাংলাবান্ধা স্থলবন্দরের ইমিগ্রেশন চেকপোস্টের একটি কে এই মেডিকেল টিম তাদের কার্যক্রম শুরু করে। এক স্বাস্থ্য সহকারী ও একজন কমিউনিটি হেলথ কেয়ার প্রোভাইডার দ্বারা এই মেডিকেল টিম পরিচালিত হচ্ছে। ভারত, নেপাল ও ভুটান থেকে আসা যাত্রীদের মাত্রাতিরিক্ত জ্বর, স্বর্দি, কাঁশি, শ্বাসকষ্ট, গলা ব্যথা, হাঁচি হচ্ছে কি না জিজ্ঞাসাবাদ করা হয়। পরীার যন্ত্রের মধ্যে কেবল রয়েছে দুটো থার্মোমিটার। এছাড়া যাত্রীদের করোনা সম্পর্কে তথ্য জানিয়ে দেয়া হচ্ছে। কোনো যাত্রীর মধ্যে করোনার লণ পেলে দ্রুত তাকে এই রোগের পরীা নিরীার জন্য ঢাকায় রোগতত্ত্ব, রোগ নিয়ন্ত্রণ ও গবেষণা ইনস্টিটিউটে (আইইডিসিআর) পাঠানো হবে বলে জনিয়েছে স্বাস্থ্য বিভাগ। তবে এখন পর্যন্ত এই ইমিগ্রেশন দিয়ে যাতায়াতকারীদের মধ্যে এমন কোনো লণ পায়নি মেডিকেল টিম। এদিকে কেবল মাত্র ইমিগ্রেশনের ভেতরে যাত্রীদের প্রাথমিক স্বাস্থ্য পরীা করা হলেও বাদ পড়ে যাচ্ছে ভারত, নেপাল ও ভুটান থেকে আসা পণ্যবাহী গাড়ির চালকরা। তেঁতুলিয়ার বাসিন্দা আব্বাস আলী বলেন, বাংলাবান্ধায় নামমাত্র মেডিকেল টিম বসানো হয়েছে। একজন মেডিকেল অফিসারও নেই এটা কেমল মেডিকেল টিম? একজন স্বাস্থ্য সহকারী ও একজন কমিউনিটি হেলথ কেয়ার প্রোভাইডার থাকলেও তারা করোনা বিষয়ে তেমন কিছুই জানেন না। বাংলাবান্ধা কাস্টমসের সিপাই আনসার আলী বলেন, এখানে ইমিগ্রেশনের যাত্রীদের কেবল স্বাস্থ্য পরীা করা হচ্ছে। নেপাল, ভুটান ও ভারত থেকে আসা গাড়ি চালকরা কিন্তু বাদ পড়ে যাচ্ছে। তাদের স্বাস্থ্য পরীাও জরুরী। মেডিকেল টিমের দায়িত্বে থাকা বাংলাবান্ধা ইউনিয়নের স্বাস্থ্য সহকারী শারমিন আক্তার বলেন, এখনো করোনা লণযুক্ত কোন ব্যক্তিকে আমরা পাইনি। পঞ্চগড় সিভিল সার্জন ডা. মো. ফজলুর রহমান বলেন, মঙ্গলবার থেকে আমরা বাংলাবান্ধায় করোনা সনাক্তের জন্য মেডিকেল টিম বসিয়েছি। করোনা সনাক্তের কোনো যন্ত্র সেখানে নেই। আগত অসুস্থ্য যাত্রীদের বিবরণ শুনে যদি করোনার লণ যাওয়া যায় তবে তাকে ঢাকায় রোগতত্ত্ব, রোগ নিয়ন্ত্রণ ও গবেষণা ইনস্টিটিউটে পরীা নিরিার জন্য পাঠানো হবে। যতদিন এই রোগের হুমকি থাকবে ততদিন বাংলাবান্ধায় প্রতিদিন সকাল ১০ টা থেকে সন্ধ্যা ৬ টা পর্যন্ত মেডিকেল টিম নিয়োজিত থাকবে। তবে উদ্বেগের কিছু নেই বলেও জানান তিনি।

নিউজটি শেয়ার করুন


এই ক্যাটাগরীর আরো খবর..

মাননীয় প্রধানমন্ত্রীর পরামর্শ