বুধবার, ১৭ Jul ২০২৪, ০৫:২২ অপরাহ্ন

সরকারি জরুরি হটলাইন

সরকারি তথ্য ও সেবা-৩৩৩, জরুরি সেবা-৯৯৯, নারী ও শিশু নির্যাতন প্রতিরোধে-১০৯, দুদক-১০৬, দুর্যোগের আগাম বার্তা-১০৯০, শিশুর সহায়তায় ফোন-১০৯৮, ভূমির সেবা পেতে...অভিযোগ জানাতে-১৬১২২, ই-জিপি জরুরি হেল্পলাইন-১৬৫৭৫, নৌপরিবহনের হেল্পলাইন-১৬১১৩। তথ্য সুত্র : পিআইডি

শিরোনাম
মানুষ এখন শখ করে পান্তা ভাত খায় : খাদ্যমন্ত্রী ‘স্মার্ট বাংলাদেশের অংশীদার হই, বাল্যবিবাহ, ইভটিজিং ও মাদকমুক্ত রই’ জয়পুরহাটে সমবায়ীদের তোপের মুখে যুগ্মনিবন্ধক ডিএমপি কমিশনার হলেন অতিরিক্ত আইজিপি হাবিবুর রহমান উন্নয়নশীল দেশগুলোর জন্য কমিউনিটি স্বাস্থ্যসেবায় বৈশ্বিক সহায়তা চাইলেন প্রধানমন্ত্রী সার্বিক স্বাস্থ্য উন্নয়নে বাংলাদেশ সরকারের প্রচেষ্টার প্রশংসা ‘হু’ প্রধানের পররাষ্ট্রমন্ত্রীর সঙ্গে মার্কিন কাউন্সিলর ডেরেক শোলের সাক্ষাৎ বিএনপিকে নির্বাচনে আসার আহ্বান কৃষিমন্ত্রীর স্মার্ট বাংলাদেশ কেবল শেখ হাসিনার দ্বারাই সম্ভব : সমাজকল্যাণ প্রতিমন্ত্রী অর্থ আত্নসাৎ, দুই বছর বেতন বাড়বে না সমাজসেবা কর্মকর্তার

তিস্তার ভাঙ্গনে দিশেহারা জনজীবন

গাইবান্ধা জেলার সুন্দরগঞ্জ উপজেলার বিভিন্ন ইউনিয়ন ও  কুড়িগ্রাম জেলার উলিপুর উপজেলা তিস্তা নদীর গর্ভে বিলীন হয়ে যাচ্ছে । শীতকালে এই নদী হেঁটে পারাপার করতে দেখা যায় তীরবর্তী জনসাধারণদের । কিন্তু একটু পানি বেড়ে গেলেই নেমে আসে আতঙ্ক । শুরু হয় ভাঙ্গন । দিশেহারা হয়ে যায় জনজীবন । বিশেষ করে উলিপুর উপজেলার বজরা ইউনিয়নের চর বজরা, বজরা, সাতালস্কর ও সুন্দরগঞ্জ উপজেলার হরিপুর ইউনিয়নের কাশিমবাজার, কানি চরিতাবাড়ি, চর চরিতা বাড়ি এলাকায় প্রবল ভাঙ্গন শুরু হয় । ভাঙ্গনের ফলে বিগত ৩/৪ বছরে হারিয়ে গেছে কয়েক হেক্টর ফসলি জমি ও কয়েক হাজার মানুষের বসত ভিটা । ১০ বছর আগে বজরা হতে কাশিমবাজার বেড়িবাঁধ নির্মাণ করা হলেও তা ফলপ্রসূ হয়নি । অসময়ে নির্মাণ ও কিছু অসাধু লোকজনের কারনে বাধঁটির অর্ধেক আজ তিস্তার অতল গহ্বরে বিলিন । কিছুদিন পর পানি উন্নয়ন বোর্ডের মাধ্যমে চর বজরা এলাকায় টি-বাঁধ নির্মাণ হলেও তেমন কোন সুবিধা হয়নি । কিছু অসাধু ব্যবসায়ীর বালু উত্তোলনের ফলে প্রতি বছর পানির সময় বাধঁটি বিশাল হুমকির মুখে পড়ে । গত বছর আরও ভয়াবহ বিপদ নেমে আসে । দ্বিতীয় তিস্তা সেতুর বাইপাস সড়ক উলিপুর টু তিস্তা ব্রিজের মাঝখানে কাশিমবাজারের টেবরির মোড় এলাকায় নির্মাণাধীন সড়কের প্রায় এক কিলোমিটার এলাকা ভেঙে পড়ে তিস্তার গর্ভে । পানি উন্নয়ন বোর্ডে এ বিষয় জানানো হলে তারা জানায় এখানো কোন বরাদ্দ নেই । এরপর এলাকাবাসীর চাপে সামান্য কিছু জিও ব্যাগ দেয় পানি উন্নয়ন বোর্ড । এই ব্যাগ নিয়ে কারচুপির অভিযোগ ছিল এলাকাবাসীর । এর পর সুন্দরগঞ্জ উপজেলার এমপি শামীম হায়দার পাটোয়ারী সামান্য কিছু জিও দিলে সেটাও কোন কাজে আসেনি । বর্তমান কাশিমবাজার সংলগ্ন এলাকায় চলছে তুমুল ভাঙ্গন । হুমকির মুখে কাশিমবাজার হাট যা এলাকার একমাত্র বাজার, কাশিমবাজার বালিকা উচ্চবিদ্যালয়, নাজিমাবাদ দ্বিমুখী উচ্চবিদ্যালয়, নাজিমাবাদ আলিম মাদ্রাসা এবং দুটি মসজিদ ।
তাই এই সব এলাকায় অসহায় মানুষদের দাবি নদী ভাঙ্গন এলাকায় গুলোতে পরিমাণ মত বরাদ্দ এবং  অবৈধ ভাবে  নদী থেকে বালু উত্তলোন বন্ধ করা |
পরিকল্পনা অনুযায়ী কাজ না করলে অচিরেই দেশের এক বৃহৎ এলাকা নদী গর্ভে বিলিন হয়ে যাবে।
হারিয়ে যাবে কয়েকটি গ্রাম । কয়েকশত পরিবার ও হাজার হাজার একর ফসলি জমি ।
    —-রংপুর প্রতিনিধি( আসাদুল্লাহ হাবিব  )

সংবাদ শেয়ার করুন

সতর্ক বার্তা

আমরা নিজস্ব সংবাদ প্রকাশ করে থাকি। তাই কোন খবর নিয়ে আপত্তি বা অভিযোগ থাকলে সংশ্লিষ্ট নিউজ সাইটের কর্তৃপক্ষের সাথে যোগাযোগ করার অনুরোধ রইলো। বিনা অনুমতিতে এই সাইটের সংবাদ, আলোকচিত্র অডিও ও ভিডিও ব্যবহার করা বে-আইনি। -ইন্দোবাংলা টীম।

করোনাভাইরাস মোকাবিলায় মাননীয় প্রধানমন্ত্রীর ৩১ নির্দেশনা

© ইন্দোবাংলা২৪.কম সকল অধিকার সংরক্ষিত ২০২৩।
কারিগরি সহায়তায়: অল আইটি