বৃহস্পতিবার, ১৭ Jun ২০২১, ০৭:১৫ পূর্বাহ্ন

খালেদার অনুপস্থিতিতে চারজনের সাক্ষ্য

জ্যেষ্ঠ প্রতিবেদক
  • আপডেট টাইম: বৃহস্পতিবার ১০ ডিসেম্বর, ২০১৫
  • ২৬৬ বার পঠিত

অসুস্থতার জন্য বিএনপির চেয়ারপারসন খালেদা জিয়ার অনুপস্থিতিতেই জিয়া চ্যারিটেবল ট্রাস্ট সংক্রান্ত দুর্নীতি মামলায় সোনালী ব্যাংক লালমাটিয়া শাখার মহাব্যবস্থাপক (জেনারেল ম্যানেজার) আবদুল গফুরসহ চারজন আজ বৃহস্পতিবার আদালতে সাক্ষ্য দিয়েছেন।

এ মামলায় দুর্নীতি দমন কমিশনের (দুদক) কর্মকর্তা নাজমুল আহসানকে আসামি পক্ষের জেরা শেষ হয়েছে। আদালত এ মামলায় ২১ ডিসেম্বর সাক্ষ্যগ্রহণ ও আসামিপক্ষে সাক্ষীকে জেরা করার দিন ধার্য করেছেন।
আজ ঢাকার বিশেষ জজ আদালত-৩-এর বিচারক আবু আহমেদ জমাদার এ তারিখ ধার্য করেন। জিয়া অরফানেজ ট্রাস্ট ও জিয়া চ্যারিটেবল ট্রাস্টের অর্থ আত্মসাতের অভিযোগে দুদকে করা মামলা দুটি ঢাকার বকশীবাজার এলাকার আলিয়া মাদ্রাসা মাঠে স্থাপিত অস্থায়ী ভবনে বিশেষ এজলাসে বিচারকাজ চলছে।
জিয়া অরফানেজ ট্রাস্ট দুর্নীতি মামলার জেরা ও সাক্ষ্যগ্রহণের পরবর্তী তারিখ আগামী বছরের ১৪ জানুয়ারি ধার্য করেছেন আদালত।
জিয়া চ্যারিটেবল ট্রাস্ট সংক্রান্ত দুর্নীতি মামলায় আবদুল গফুরসহ ছাড়া আজ হারুনুর রশীদ, হারুনুর রশীদ ফকির ও আমিন উদ্দিন আহমেদের সাক্ষ্য নেওয়া হয়েছে। হারুনুর রশীদ, হারুনুর রশীদ ফকির সোনালী ব্যাংক লালমাটিয়া শাখার কর্মকর্তা। আমিন উদ্দিন আহমেদ এ মামলায় চেক লেনদেনের সাক্ষী।
খালেদা জিয়ার আইনজীবী জয়নাল আবেদিন আদালতে সময়ের আবেদন জানিয়ে বলেন, বিএনপি চেয়ারপারসন আরথ্রাইটিস সমস্যার কারণে আদালতে আসতে পারেননি। খালেদা জিয়ার অনুপস্থিতির আবেদন মঞ্জুর করে আদালত জিয়া চ্যারিটেবল ট্রাস্ট দুর্নীতি মামলার সাক্ষ্যগ্রহণের আদেশ দেন।

২০১১ সালের ৮ আগস্ট জিয়া চ্যারিটেবল ট্রাস্টের নামে অবৈধভাবে অর্থ লেনদেনের অভিযোগ এনে বিএনপি চেয়ারপারসন খালেদা জিয়াসহ চারজনের নামে তেজগাঁও থানায় দুদকের উপপরিচালক হারুনুর রশিদ মামলাটি করেন।
২০১২ সালের ১৬ জানুয়ারি খালেদা জিয়াসহ চারজনের বিরুদ্ধে অভিযোগপত্র দেয় দুদক। জিয়া অরফানেজ ট্রাস্টে অনিয়মের অভিযোগে দুদক ২০০৮ সালের ৩ জুলাই রমনা থানায় মামলা করে। ২০০৯ সালের ৫ আগস্ট দুদক খালেদা জিয়া, তাঁর ছেলে তারেক রহমানসহ ছয়জনের বিরুদ্ধে অভিযোগপত্র দেয়।

 

নিউজটি শেয়ার করুন


এই ক্যাটাগরীর আরো খবর..

মাননীয় প্রধানমন্ত্রীর পরামর্শ