বৃহস্পতিবার, ০২ ফেব্রুয়ারী ২০২৩, ০৬:২৮ অপরাহ্ন

সরকারি জরুরি হটলাইন

সরকারি তথ্য ও সেবা-৩৩৩, জরুরি সেবা-৯৯৯, নারী ও শিশু নির্যাতন প্রতিরোধে-১০৯, দুদক-১০৬, দুর্যোগের আগাম বার্তা-১০৯০, শিশুর সহায়তায় ফোন-১০৯৮, ভূমির সেবা পেতে...অভিযোগ জানাতে-১৬১২২, ই-জিপি জরুরি হেল্পলাইন-১৬৫৭৫, নৌপরিবহনের হেল্পলাইন-১৬১১৩। তথ্য সুত্র : পিআইডি

ঋতুর সঙ্গে সঙ্গে মানুষের মনও বদলে যায় : প্রধানমন্ত্রী

আওয়ামী লীগের সভাপতি ও প্রধানমন্ত্রী শেখ হাসিনা বলেছেন, বাংলাদেশ ছয় ঋতুর দেশ। দুই মাস পরপর ঋতু বদলায়। প্রকৃতির সঙ্গে সঙ্গে মানুষের মনও বদলে যায়। যে কারণে তারা (বিরোধীরা) ভুলে যায় আমরা কী কী উন্নয়ন কাজ করেছি। 

শুক্রবার (২৫ নভেম্বর) বিকেলে রাজধানীর সোহরাওয়ার্দী উদ্যানে স্বাধীনতা চিকিৎসক পরিষদের (স্বাচিপ) ৫ম জাতীয় সম্মেলনে প্রধান অতিথির বক্তব্যে তিনি এ কথা বলেন।

প্রধানমন্ত্রী বলেন, বাংলাদেশের প্রথম মেডিকেল বিশ্ববিদ্যালয় আমরা করে দিয়েছিলাম। এখন প্রতিটি বিভাগে মেডিকেল বিশ্ববিদ্যালয় করে দিচ্ছি। আমাদের দেশে মাতৃ মৃত্যুহার, শিশু মৃত্যুহার বেশি ছিল। মাতৃমৃত্যু কমানোর জন্য বিনা পয়সায় ওষুধ দেওয়া হচ্ছে।

কিছু লোক দেশের চিকিৎসা ব্যবস্থায় আস্থা রাখতে পারে না উল্লেখ করে প্রধানমন্ত্রী বলেন, দেশের কিছু ধনী লোক সর্দি-কাশি হলেই বিদেশে চলে যায়। করোনার সময় তারা বিদেশে যেতে না পেরে বাধ্য হয়েই দেশে চিকিৎসা নিয়েছে।

তিনি বলেন, পঁচাত্তরে হত্যাকাণ্ডের পরই ইতিহাস বিকৃতি শুরু হয়। বঙ্গবন্ধুর নাম-নিশানা মুছে ফেলার চেষ্টা হয়। বঙ্গবন্ধুর ভাষণ ও জয় বাংলা স্লোগানও নিষিদ্ধ হয়ে যায়। অবৈধভাবে হত্যা-ক্যু-ষড়যন্ত্রের মধ্য দিয়ে ক্ষমতা দখলের অপচেষ্টা হয়। জাতির পিতার করে দেওয়া সংবিধানও ক্ষত-বিক্ষত করা হয়।

চিকিৎসকদের অবশ্যই ধৈর্য আছে জানিয়ে শেখ হাসিনা বলেন, আমাদের দেশের ডাক্তাররা অতিরিক্ত কাজ করেন, মানুষকে সেবা দেন। আজকে আমাদের দেশ এগিয়ে যাচ্ছে, এগিয়ে যাবে।

তিনি বলেন, ৭৫ সালে জাতির পিতাকে হত্যার পর দখলের মাধ্যমে ক্ষমতা গ্রহণের পর আর কোনোদিনই শান্তিপূর্ণভাবে ক্ষমতার পালাবদল হয়নি। ২০০১ নির্বাচনে তত্ত্বাবধায়ক সরকার সিস্টেম ছিল। আমরা সে সময় শান্তিপূর্ণভাবে ক্ষমতা হস্তান্তর করেছি।   ভোটচুরির অপরাধে খালেদা জিয়াকে পদত্যাগ করতে বাধ্য করেছিল বাংলাদেশের জনগণ। এরপরে যে নির্বাচন হয় সেই নির্বাচনে আওয়ামী লীগ ক্ষমতায় আসে।

প্রধানমন্ত্রী বলেন, আমরা রাজনীতিতে স্থিতিশীলতা চাই। গণতান্ত্রিক ধারাবাহিকতা চাই।

সরকারপ্রধান বলেন, এখন সব জায়গায় রিজার্ভ নিয়ে কথা হয়। জাতির পিতা শূন্য রিজার্ভ নিয়ে শুরু করেছিলেন। ৯৬ সালে বিএনপি যখন ক্ষমতা ছাড়ে তখন রিজার্ভ ছিল ২.৫৭ বিলিয়ন ডলার। আওয়ামী লীগ সেটা উন্নীত করেছে। টানা ১৪ বছর ক্ষমতায় থাকায় বাংলাদেশের উন্নতি হয়েছে। করোনার কারণে আমদানি রপ্তানি বন্ধ থাকায় রিজার্ভ ৪৮ বিলিয়ন ডলারে উঠেছিল। এখন করোনা না থাকার কারণে আমদানি ও রপ্তানি বেড়েছে। এছাড়া করোনার ভ্যাকসিন কেনা, সেগুলো মানুষকে দিতে ট্রেনিংয়ের ব্যবস্থা করা, সিরিঞ্জ কেনা, ফ্রিজার ভাড়া করা। এসবের কারণে টাকা খরচ হয়েছে।

তিনি বলেন, বিশ্ববাজারে ভোজ্যতেল, জ্বালানি তেল, খাদ্যপণ্যসহ সব জিনিসের দাম বেড়েছে। সঙ্গে বেড়েছে পরিবহন খরচও। তাই সবাইকে সাশ্রয়ী হতে হবে। বিদ্যুৎ, পানি কোনোকিছুর যেন অপচয় না হয়, সেদিকে নজর রাখতে হবে।

শেখ হাসিনা বলেন, যত দামই বাড়ুক খাদ্য কিনতে হচ্ছে। ২০০ ডলারের গম ৬০০ ডলারে কিনতে হচ্ছে। ব্রাজিল থেকে শুরু করে যে দেশে পাচ্ছি ভোজ্যতেল কিনতে হচ্ছে। যে কারণে রিজার্ভ কমে গেছে। আমরা শ্রীলংকাকে সহযোগিতা করেছি। আরও অনেক দেশ চেয়েছিল।

তিনি বলেন, রিজার্ভ রাখা লাগে কিসের জন্য? যাতে তিন মাসের খাদ্য আমদানি করতে পারি। আমাদের যে রিজার্ভ আছে তা দিয়ে ৫ মাসের খাদ্য আমদানি করতে পারব। তবে যাতে খাদ্য আমদানি করতে না হয়, এক ইঞ্চি জমিও খালি রাখবেন না, উৎপাদন করুন।

স্বাধীনতা চিকিৎসক পরিষদের (স্বাচিপ) সভাপতি অধ্যাপক ডা. এম ইকবাল আর্সলানের সভাপতিত্বে সম্মেলনে আরো বক্তব্য রাখেন আওয়ামী লীগের সাধারণ সম্পাদক ওবায়দুল কাদের। এসময় আওয়ামী লীগেরসহ সংগঠনের অন্যান্য নেতারা উপস্থিত ছিলেন।

সংবাদ শেয়ার করুন

সতর্ক বার্তা

আমরা নিজস্ব সংবাদ প্রকাশ করে থাকি। তাই কোন খবর নিয়ে আপত্তি বা অভিযোগ থাকলে সংশ্লিষ্ট নিউজ সাইটের কর্তৃপক্ষের সাথে যোগাযোগ করার অনুরোধ রইলো। বিনা অনুমতিতে এই সাইটের সংবাদ, আলোকচিত্র অডিও ও ভিডিও ব্যবহার করা বে-আইনি। -ইন্দোবাংলা টীম।

করোনাভাইরাস মোকাবিলায় মাননীয় প্রধানমন্ত্রীর ৩১ নির্দেশনা

© ইন্দোবাংলা২৪.কম সকল অধিকার সংরক্ষিত ২০২২।
কারিগরি সহায়তায়: অল আইটি