বুধবার, ২১ ফেব্রুয়ারী ২০২৪, ০৩:১৬ অপরাহ্ন

সরকারি জরুরি হটলাইন

সরকারি তথ্য ও সেবা-৩৩৩, জরুরি সেবা-৯৯৯, নারী ও শিশু নির্যাতন প্রতিরোধে-১০৯, দুদক-১০৬, দুর্যোগের আগাম বার্তা-১০৯০, শিশুর সহায়তায় ফোন-১০৯৮, ভূমির সেবা পেতে...অভিযোগ জানাতে-১৬১২২, ই-জিপি জরুরি হেল্পলাইন-১৬৫৭৫, নৌপরিবহনের হেল্পলাইন-১৬১১৩। তথ্য সুত্র : পিআইডি

শিরোনাম
মানুষ এখন শখ করে পান্তা ভাত খায় : খাদ্যমন্ত্রী ‘স্মার্ট বাংলাদেশের অংশীদার হই, বাল্যবিবাহ, ইভটিজিং ও মাদকমুক্ত রই’ জয়পুরহাটে সমবায়ীদের তোপের মুখে যুগ্মনিবন্ধক ডিএমপি কমিশনার হলেন অতিরিক্ত আইজিপি হাবিবুর রহমান উন্নয়নশীল দেশগুলোর জন্য কমিউনিটি স্বাস্থ্যসেবায় বৈশ্বিক সহায়তা চাইলেন প্রধানমন্ত্রী সার্বিক স্বাস্থ্য উন্নয়নে বাংলাদেশ সরকারের প্রচেষ্টার প্রশংসা ‘হু’ প্রধানের পররাষ্ট্রমন্ত্রীর সঙ্গে মার্কিন কাউন্সিলর ডেরেক শোলের সাক্ষাৎ বিএনপিকে নির্বাচনে আসার আহ্বান কৃষিমন্ত্রীর স্মার্ট বাংলাদেশ কেবল শেখ হাসিনার দ্বারাই সম্ভব : সমাজকল্যাণ প্রতিমন্ত্রী অর্থ আত্নসাৎ, দুই বছর বেতন বাড়বে না সমাজসেবা কর্মকর্তার

রাজশাহীর বাজারে পরিপক্ক আঁটি আম

মঈন উদ্দীন: গুটি বড় হতে শুরু করলেই আম নিয়ে উৎসাহ উদ্দীপনার শেষ থাকে না। সবার আগে বাজারে আম নিয়ে আসতে ব্যবসায়ীদের মাঝেও চলে প্রতিযোগিতা। অনেকে আবার অসৎ উপায়ও অবলম্বন করে বাড়তি লাভের আশায়। তবে গ্রাহকের অপেক্ষার কিছুটা অবসান হচ্ছে। রাজশাহীর বাজারে আসতে শুরু করেছে গুটি আম। নগরীর বেশকিছু জায়গায় পরিপক্ক গুটি আম বিক্রি হতে দেখা গেছে।
তবে সুমিষ্ট গোপালভোগ ও ফিরসাপাত আমের স্বাদ নিতে আরও অন্তত তিন থেকে চার সপ্তাহ অপেক্ষা করতে হবে। ১৫ মে’র পর থেকে বাগানীরা আম নামাতে শুরু করবেন বলে জানিয়েছেন, রাজশাহী কৃষি সম্প্রসারণ অধিদপ্তরের প্রশিক্ষণ কর্মকর্তা উম্মে ছালমা।
খড়খড়ি বাইপাস বাজারে আম বিক্রি করছিলেন এনায়েত করীম। তিনি জানান, দু’এক দিন হলো তিনি আম বিক্রি শুরু করেছেন। এখনও তেমন আম পাকতে শুরু করে নি। তবে তিনি যে আম বিক্রি করছেন এটা আটি আম। যেটা বৈশাখের মাঝামাঝিতেই পাকে।
তিনি জানান, এখন আম বাজারে তেমন নাই। সরবরাহ বাড়লে দাম কমবে। তিনি প্রতিকেজি ১০০ টাকা দরে এই আঁটি আম বিক্রি করছেন। আমের স্বাদ খুব বেশি মিষ্টি না হলেও খারাপ না।
এদিকে, আগামী ১২ মে জেলা প্রশাসন, ফল গবেষণা কেন্দ্র ও কৃষি অফিসের সমন্বিত সভায় আম পাড়ার সময় নির্ধারণ করা হবে বলে জানা গেছে।
রাজশাহী জেলা প্রশাসক মো. আব্দুল জলিল জানান, আম পাড়ার সময় বেঁধে দেওয়ার আগে কোনোভাবেই আম নামানো যাবে না। খুব শিগগিরই আমচাষি, ব্যবসায়ী, কৃষি সম্প্রসারণ অধিদপ্তর ও ফল গবেষণাকেন্দ্রের সংশ্লিষ্ট সবাই বসে একমত হওয়ার পরই সময় নির্ধারণ করা হবে।

সংবাদ শেয়ার করুন

সতর্ক বার্তা

আমরা নিজস্ব সংবাদ প্রকাশ করে থাকি। তাই কোন খবর নিয়ে আপত্তি বা অভিযোগ থাকলে সংশ্লিষ্ট নিউজ সাইটের কর্তৃপক্ষের সাথে যোগাযোগ করার অনুরোধ রইলো। বিনা অনুমতিতে এই সাইটের সংবাদ, আলোকচিত্র অডিও ও ভিডিও ব্যবহার করা বে-আইনি। -ইন্দোবাংলা টীম।

করোনাভাইরাস মোকাবিলায় মাননীয় প্রধানমন্ত্রীর ৩১ নির্দেশনা

© ইন্দোবাংলা২৪.কম সকল অধিকার সংরক্ষিত ২০২৩।
কারিগরি সহায়তায়: অল আইটি